খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা অফিসের সেমিনার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা অফিসের সেমিনার
সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি


চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্বমানের উদ্যোক্তা তৈরি ও নতুন কর্মসংস্থান সৃজনে গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের অংশীদারিত্ব শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা সমাজসেবা কমপ্লেক্সের মধুমতি সম্মেলন কক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা কার্যালয় এ সেমিনারের আয়োজন করে। 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন  সমাজসেবা অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক  মুহাম্মদ মুরাদ হোসেন। 

সেমিনারের আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মিজানুর রহমান। 

গোপালগঞ্জ শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন মোল্লা সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন।

তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তাহিরপুরের পাতারগাঁও খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

ছবি যোগফল

আমির হোসেন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার তাহিরপুর–পাতারগাঁও খেয়াঘাটে পারাপারের নামে টাকা আদায় সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

উপজেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের ফলে খেয়াঘাট ব্যবহারকারী সাধারণ মানুষের যাতায়াতে ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী জানান, বুধবার থেকে পাতারগাঁও খেয়াঘাটে খেয়া পারাপারের নামে টাকা আদায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ টাকা আদায় করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, খেয়াঘাটে টাকা আদায় বন্ধের সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর। তবে প্রশাসনের এ নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত তদারকির প্রয়োজন রয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মাধ্যমে খেয়াঘাটে টাকা আদায় স্থায়ীভাবে বন্ধ থাকবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন।

তবে ঘোষণার পর খেয়াঘাটে টাকা আদায় পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত- এসএম জিলানী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াত- এসএম জিলানী

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে ও বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে জামায়াত বিরোধী দলের আসনে বসেছে বলে মন্তব্য করেছেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী মোড়ে আয়োজিত যুব সমাবেশে তিনি একথা বলেন। 

এসএম জিলানী বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে ও বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে জামায়াত বিরোধী দলের আসনে বসেছে। ভেবেছিলাম সংসদের বিরোধী দল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু তাদের মুখে একটা, অন্তরে আরেকটা। একাত্তরের পরাজিত শক্তি সংসদে দাঁড়িয়ে এক কথা বলে, আর সংসদের বাইরে গিয়ে আরেক কথা বলে। 

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, বর্তমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট বিএনপি সরকারের সৃষ্টি নয়। অথচ সংসদের বাইরে এসে এই সংকটের জন্য সরকারের পতনের দাবি তোলা হচ্ছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে লংমার্চও শুরু করেছে তারা। কিন্তু তাদের বোঝা দরকার একটি গণতান্ত্রিক সরকারকে সংকট মোকাবিলার জন্য ন্যূনতম সময় দেওয়া উচিত। তারপর আপনারা আন্দোলন করেন। কারন আমরা ১৭ বছর তারেক রহমানের নেতৃত্বে লড়াই-সংগ্রাম করেছি। সেই আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজ বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এসএম জিলানী গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে বলেন, বিগত ১৭ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকার আমদানিনির্ভর গ্যাসের ওপর নির্ভর করেছে। বঙ্গোপসাগরে থাকা গ্যাসকূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে ১৫০টি গ্যাসকূপের মধ্যে ৩০টির কাজ শুরু করেছে। বাকি ১২০টির কাজও শিঘ্রই শুরু হবে। 

যুব সমাবেশে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মুক্তার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী আবুল বাশার খায়ের, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি জিল্লাল শেখ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার সহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের পর্যালোচনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পাইকগাছা এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের (এডিপি) কার্যক্রমের গুণগত মান পর্যালোচনা ও স্ব-মূল্যায়নবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পাইকগাছা মডেল মসজিদের হলরুমে ‘প্রোগ্রাম কোয়ালিটি অ্যান্ড সেলফ রিভিউ টুলস ওয়ার্কশপ-২০২৬’ শীর্ষক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের খুলনা এরিয়া কো-অর্ডিনেশন অফিসের সিনিয়র ম্যানেজার লিটন মন্ডল, লাইভলিহুড স্পেশালিস্ট বিশ্বজিৎ সাহা, হেলথ স্পেশালিস্ট এস কে রায়হান রিদওয়ান কাবির, পাইকগাছা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম. জালাল উদ্দীন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের এরিয়া ম্যানেজার বিপ্লব ইসাহাক সরদার, প্রোগ্রাম অফিসার শিল্পী রায়, স্পন্সরশিপ অফিসার দিপল বিশ্বাস, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার নিউটন গোমেজ, প্রোগ্রাম অফিসার পলাশ হিউবার্ট বিশ্বাস, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মার্সিয়া জোয়ানা হালদার ও রিনি ম্যাগদালিনা পারইসহ সংস্থাটির অন্যান্য কর্মকর্তা।

কর্মশালায় পাইকগাছা এডিপির আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও সামাজিক কার্যক্রমের গুণগত মান পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি স্ব-মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে চলমান কর্মসূচির অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পরিকল্পনা, কর্মসূচির কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন উদ্যোগকে আরও গতিশীল করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের কর্মশালা উন্নয়ন কার্যক্রমের মানোন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কর্মসূচির বাস্তব অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

কর্মশালায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, নিবন্ধিত শিশু ও তাদের অভিভাবক, শিশু ফোরাম ও যুব ফোরামের সদস্য, ভিডিএস প্রতিনিধি, আরসি সদস্যসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।