খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক, ১৪৩৩

ময়মনসিংহ বাস টার্মিনালে ১১ দোকান উচ্ছেদ, পুনর্বাসনের আশ্বাস প্রশাসকের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ময়মনসিংহ বাস টার্মিনালে ১১ দোকান উচ্ছেদ, পুনর্বাসনের আশ্বাস প্রশাসকের

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে ১১টি দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে উচ্ছেদ হওয়া দোকানমালিকদের পুনর্বাসনের জন্য আলাদা দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন।

অভিযান শেষে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালটি সংস্কার ও পাকা করতে সিটি করপোরেশন উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করেছে। এরপরও জায়গার সংকটে টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত বাস রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অনেক বাস মূল সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখতে হচ্ছে। এতে যানজট সৃষ্টি হয়ে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধান এবং বাস রাখার জায়গা বাড়াতেই ১১টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কাউকে পুনর্বাসন না করে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। যেসব দোকানমালিকের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে আলাদা দোকান বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরই আগের দোকানগুলো সরানো হচ্ছে। বাস টার্মিনালটি যানজটমুক্ত ও যাত্রীদের জন্য নিরাপদ করাই সিটি করপোরেশনের লক্ষ্য।

সিটি প্রশাসক আরও বলেন, বাস টার্মিনালে শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের বিশ্রাম ও ঘুমানোর জন্য জায়গা, গোসলখানা এবং শৌচাগার নির্মাণের কাজ চলছে। পাশাপাশি টার্মিনালে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। পুরো টার্মিনালের মেঝে পাকা করা হয়েছে এবং চারপাশে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

যাত্রীদের সুবিধার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নারীদের জন্য আলাদা ও আধুনিক অপেক্ষাকক্ষ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে শিশুদের নিয়ে নির্বিঘ্নে অপেক্ষা করার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি টার্মিনালের দুই পাশে বাগান ও বসার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকেরা বিশ্রাম নিতে পারেন।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে সংশ্লিষ্ট দোকানমালিকদের স্থাপনা সরিয়ে নিতে সময় দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিশ্বনাথে দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মধু মিয়ার মতবিনিময় সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বনাথে দশঘর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  মধু মিয়ার মতবিনিময় সভা

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আফাজাল মিয়া | বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি 

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ৮নং দশঘর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গতকাল রোববার দুপুরে ২নং ও ৩নং ওয়ার্ড থেকে আগত শত শত মুরব্বীয়ান, যুবক ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হাজী শফিক উদ্দিন আহমেদ’র বাড়ীতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। 

মতবিনিময় সভায় চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী মো. তাজ উদ্দিন আহমেদ (মধু মিয়া) বলেন, আমি ছোটকাল থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে আপনাদের সুখে দু:খে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দশঘর ইউনিয়নের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে আপনারা আমার বাড়ীতে এসে আমাকে যে, উৎসাহ, সমর্থন ও সহযোগীতা অব্যাহত রেখেছেন, তাতে আমি এবং আমার পরিবার আপনাদের কাছে চির ঋণী। 

নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলীর সুবাদে আমার হাতে, আমার গ্রামের আবুল হোসেন মেম্বার, রফু মিয়া, মরহুম শফিক উদ্দিন আহমেদ চেয়ারম্যানের অবদানে যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে দশঘর ইউনিয়নে। ঠিক ইলিয়াস আলীর আদর্শকে ধারণ করে এ ইউনিয়নে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি।

যদি আল্লাহ আমাকে হায়াতে বাঁচিয়ে রাখেন এবং আপনাদের ভোটের মাধ্যমে আমি নির্বাচিত হতে পারি, তবে দশঘর ইউনিয়নকে একটি মডেল ও উন্নত ইউনিয়নে রূপান্তর করব। আপনাদের প্রতিটি সমস্যায় আমি অতীতেও পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়নের স্বার্থে, এলাকার কল্যাণে সকলে মিলে এক সঙ্গে কাজ করি। আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখে আমাকে সেবা করার সযোগ দিন এবং কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিন। আপনাদের এই পরিশ্রম ও ভালোবাসা ইনশাআল্লাহ বৃথা যাবে না।  

বিশিষ্ট মুরব্বী ছাদিকুর রহমান ফুরআলীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট মুরব্বী ও শালিশ ব্যক্তিত্ব শামছুদ্দিন মেম্বার। অনুষ্ঠানে শেখ ফরিদ ও মজলু মিয়ার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বরুণী গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বী ড. ময়ূরউদ্দিন, ভাটিপাড়া গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বী আব্দুল গণি আনছারী, আব্দুর রশীদ, রায়কেলী গ্রামের রাজু মিয়া, সারোয়ার আহমদ, শেখ আরিফ আলী, ছালিয়া গ্রামের তরুণ সংগঠক আব্দুল হামিদ, নিহালের নোয়াগাঁও গ্রামে খোয়াজ আলী, ইছবর আলী, তজম্মুল আলী, বরুণী গ্রামের জামাল মিয়া, আজকর আলী, সমেমর্দ্দান গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বী গেদা মিয়া, সাড়ইল গ্রামের মুরব্বী সাইস্তা মিয়া, গোবিন্দ দাস লাল, দশঘর গ্রামের বিশিষ্ট শালিশ ব্যক্তিত্ব বাদশা মিয়া, দশঘর গ্রামের কৃতি সন্তান মাসুক মিয়া। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দশঘর নিজামুল উলুম উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান, বিশিষ্ট মুরব্বী তোতা মিয়া, লোকমান আহমদ, বরুণী গ্রামের মকছুদ আলী, ছালিয়া গ্রামের আফরোজ আলী, ড. শ্রী করুণা চক্রবর্তী, জুবেল মিয়া, নিহালের নোয়াগাঁও গ্রামের সিরাজ মিয়া, যুক্তরাজ্য প্রবাসী আছাব আলী, ছালিয়া গ্রামের নুরউদ্দিন, হেকমত আলী, বরুনী গ্রামের মনি ডাক্তার, ইলিয়াস মিয়া, মো. রহমত আলীসহ এলাকার গণমান্যব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন নূরে মদিনা জামে মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ তানজির শাহ।

বেলকুচিতে জনদুর্ভোগ লাঘবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেলকুচিতে জনদুর্ভোগ লাঘবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

‎​মনজুরুল ইসলাম | সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

‎সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌর এলাকার স্কুল-কলেজের ছাত্র ছাত্রীসহ  সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন বেলকুচি উপজেলা বিএনপি'র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর মেয়র পদপ্রার্থী জননন্দিত নেতা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল। 
‎তার এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে দক্ষিণ এলাকার প্রায় কয়েক হাজার লোকের যাতায়াতের এই জন দুর্ভোগ আজ থেকে লাঘব হয়েছে।
‎
‎এলাকাবাসীর কাছে ​জানা যায়, বেলকুচি পৌরসভাধীন সোহাগপুর বোল্ডার বাজার এলাকার চরের দক্ষিণ অংশের লোকজনের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল যাতায়াতের একটি সুব্যবস্থা করা।
‎
‎স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ জনগণ হাট-বাজারে আসা-যাওয়া ক্রেতা-বিক্রেতাদের নদী বা খালের ওপর দিয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিষয়টি অনুধাবন করে পৌর মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল নিজ অর্থায়নে ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নিয়ে সেখানে একটি বাঁশের সাঁকো (পুল) নির্মাণ করে দেন।
‎
‎​এই সাঁকোটি নির্মাণের ফলে পৌর ২নংওয়ার্ডসহ দক্ষিণ এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াত এখন অনেক সহজ ও নিরাপদ হয়েছে। সহজে হাট-বাজার করতে পেরে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
‎
‎​স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল সবসময় সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। জনগণের ভালোবাসা অর্জনই তার মূল লক্ষ্য। তিনি যেভাবে জনকল্যাণমূলক কাজ করে যাচ্ছেন, তাতে সাধারণ মানুষ তার প্রতি কৃতজ্ঞ।
‎
‎​এ বিষয়ে মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল বলেন, "জনগণের খুশিই আমাদের প্রধান প্রাপ্তি। যে কাজগুলো করলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়, আমি সবসময় সেই কাজ করার চেষ্টা করি। আগামীতে পৌরবাসীর ভালোবাসা ও সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে বেলকুচি পৌরসভার অবহেলিত ওয়ার্ডগুলোর মানোন্নয়ন এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে আরও বড় পরিসরে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।"
‎​

পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় খোয়া যাওয়া ৬ লাখ টাকা উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় পুলিশের তৎপরতায় খোয়া যাওয়া ৬ লাখ টাকা উদ্ধার

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছা থানা পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ৬ লাখ ২০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের উদ্যোগে পুরো টাকা ফেরত পেয়েছেন ভুক্তভোগী মাহাবুর রহমান।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাহাবুর রহমান রাজশাহীর মতিহার থানার আব্দুল মালেক দপ্তরির ছেলে। তিনি গত চার বছর ধরে পাইকগাছায় ওরিয়ন ফার্মাসিউটিক্যালসের মেডিকেল প্রমোশন অফিসার (এমপিও) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। রাজশাহীর মোহনপুরে সোনালী ব্যাংকের মৌগাছী শাখায় তাঁর (২৯০১২২১০২৫১৯৭) ব্যাংক হিসাব রয়েছে, যা তিনি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালনা করেন।

গত ২৯ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে হঠাৎ আপডেট চাওয়া হয়। বিষয়টি না বুঝে তিনি আপডেট দেন। প্রায় ৪৫ মিনিট পর ফোনটি পুনরায় চালু হলে সোনালী ব্যাংক থেকে পরপর দুটি লেনদেনের বার্তা পান। পরে ব্যাংক হিসাব যাচাই করে দেখতে পান, তাঁর হিসাব থেকে ৬ লাখ ২০ টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীর ধারণা, অজ্ঞাতনামা প্রতারক চক্র তাঁর মোবাইল ফোন হ্যাক করে ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করে।

এদিকে এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের দিকনির্দেশনায় এসআই একরামের নেতৃত্বে পুলিশ তাৎক্ষণিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে। পুলিশের তৎপরতা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রতারকরা টাকা উত্তোলন করতে ব্যর্থ হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর ব্যাংক হিসাবে পুরো ৬ লাখ ২০ টাকা ফেরত আসে।

দ্রুত পদক্ষেপে খোয়া যাওয়া টাকা ফিরে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন মাহাবুর রহমান।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “পাইকগাছা থানা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো সমস্যায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।”