খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক, ১৪৩৩

সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে সংস্কার বাস্তবায়নে‘র নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে সংস্কার বাস্তবায়নে‘র নতুন কমিটির প্রস্তুতি ১১ দলের

ছবি সংগৃহীত

যোগফল প্রতিবেদন ।। অনলাইন


গণভোটের রায় ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন একটি জাতীয় কমিটি গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে জনমত তৈরি ও আন্দোলন জোরদার করতে প্রস্তাবিত এই কমিটিতে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি জোটভুক্ত দলগুলোর দ্বিতীয় সারির নেতা ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদেরও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা বলছেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে জনমত গঠন, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় ও মাঠের কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ বাড়ানোই হবে এই কমিটির মূল লক্ষ্য।

জামায়াত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৭ অক্টোবর রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কমিটি গঠনের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়। কমিটির সদস্য ও কার্যক্রম নিয়ে একটি খসড়া রূপরেখাও তৈরি হয়েছে।

বিরোধী জোটের একাধিক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতা জানান, ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি’ বা ‘সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে এই কাঠামো গঠনের আলোচনা চলছে। কমিটি ১৫ থেকে ২১ সদস্যের হতে পারে। তবে কমিটির নাম, সদস্যসংখ্যা ও কাঠামো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতাদের পরবর্তী বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

তাঁরা জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে বিরোধী দলের এমপিরা শপথ নিয়েছেন। সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে করা অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তাঁদের দায়িত্ব রয়েছে। সে দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ হিসেবেই জাতীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

জামায়াতের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা যেহেতু সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়েছি, আমাদের একটা দায়িত্ব আছে। আমরা চুপচাপ বসে থাকতে পারি না। সে জন্য সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ গঠনের আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এই আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।’

১১-দলীয় ঐক্যভুক্ত একটি দলের শীর্ষস্থানীয় একজন নেতা বলেন, এ মুহূর্তে জনগণকে সচেতন করা ছাড়া বিরোধী দলের সে অর্থে অন্য কিছু করার নেই। সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনই এই কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য। সরকারও যেন ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সংস্কার পরিষদ গঠন করে।

যাঁদের নাম আলোচনায়:

প্রস্তাবিত কমিটিতে রাখার বিষয়ে যাঁদের নাম আলোচনায় আছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান (মোমেন), জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আইনজীবী শিশির মনির, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি তাসমিয়া প্রধান এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগমের নামও আলোচনায় রয়েছে। রোকেয়া বেগম সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য।

বিরোধী জোটের নেতারা মনে করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা কোনো একটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সে কারণে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনেও রাজনৈতিক দলের বাইরের মানুষের অংশগ্রহণ বাড়াতে চান তাঁরা। শহীদ পরিবার, জুলাই যোদ্ধা ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁদের।

কমিটির কাজ কী হবে:

সূত্র জানায়, জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সভা, সারা দেশে গণসংযোগ, আইনজীবী, কূটনীতিক, শিক্ষকসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা হতে পারে। মাঠের কর্মসূচিও থাকতে পারে।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের পথে এগোচ্ছে, তা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নয়। তাঁর মতে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমেই এগোতে হবে। সে দাবি সামনে রেখেই নতুন কমিটির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সংস্কার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধ:

গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে বৈধ ভোটের ৬৮ শতাংশ সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের পক্ষে পড়ে। কিন্তু সংস্কার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেননি। অন্যদিকে জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বিরোধী দলের সদস্যরা এই শপথ নিয়ে গণভোটের রায় অনুযায়ী সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে অনড় রয়েছেন।

এই মতভিন্নতার মধ্যে গত ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করে। বিরোধীদলীয় প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হয়। কমিটিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বিরোধী দল এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধনের পথে এগোচ্ছে, তা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নয়। তাঁর মতে, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমেই এগোতে হবে। সে দাবি সামনে রেখেই নতুন কমিটির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভাগীয় সভাপতি, অনুষদের ডিন ও প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দায়িত্বে রাখতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এ জন্য জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ্বাসী এবং সম্ভাব্য বিভাগীয় সভাপতি ও ডিন হওয়ার যোগ্য শিক্ষকদের তালিকা চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কাছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ডা. কে এম বাবর বলেন, দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের হাত শক্তিশালী করতে স্থানীয়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে পারব।

এর আগে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. কে এম বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, ৭ নভেম্বর শুধু একটি দিবস নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথনির্দেশক। সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর প্রধান নীতি—সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে তাঁরা অনুপ্রাণিত। তাঁর দলের স্লোগান—‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’। তবে দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসতে হলে ব্যক্তি বা দলের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশকে স্থান দিতে হবে। বাংলাদেশ সবার আগে—এই চেতনা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সূচনা হয়। এদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। তাঁর বিরল নেতৃত্বেই দেশে সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব যখন সংকটে পড়েছিল, তখন সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতিকে সংকট উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

এ ছাড়া সভায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম আহসান, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | ঠাকুরগাঁও 

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঠাকূরগাঁও উপজেলা গেটের পশ্চিম পাশে রয়েল লাউঞ্জ চাইনিজ রেস্টুরেন্টের পঞ্চম তলায় এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের সভাপতি এম কে এ হাবীব সরকার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদটি বর্তমানে শূন্য থাকায় যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাসেল আলী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেণ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ মোঃ শাহাজাহান কবীর জেম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহসভাপতি অখিল চন্দ্র রায়, ভূল্লী উপজেলা শাখার সভাপতি মো. বাহার আলী, রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান, রাণীশংকৈল উপজেলার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম এবং জেলা কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোঃ মানিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা খুচরা সার বিক্রেতাদের বিভিন্ন সমস্যা, ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি খাত উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার সরবরাহব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো মান-সম্মত সার পৌঁছে দিতে খুচরা সার বিক্রেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেণ। তাই তাঁদের পেশাগত সমস্যা সমাধান, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সংগঠনকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সার বিক্রেতাদের মধ্যে সমন্বয়, ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে এম কে এ হাবীব সরকার সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে খাবার পরিবেশন করেন জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার (ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার) ডা. মো. আবু জাফর।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।

দিবসটি উপলক্ষে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের এ উদ্যোগে সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।