খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক, ১৪৩৩

পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকাসহ জামায়াতের ১৫ দফা দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকাসহ জামায়াতের ১৫ দফা দাবি

ছবির ক্যাপশন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং শ্রমিকদের অধিকার ও শিল্পের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দ্রুত ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণসহ ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, একের পর এক কারখানা বন্ধ এবং লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি কেবল শ্রমিক-মালিক বিরোধের বিষয় নয়; এটি দেশের শিল্প উৎপাদন, রপ্তানি বাণিজ্য, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকট।

তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াত এবং বিদ্যুৎ-গ্যাসের ব্যয় বাড়লেও সেই তুলনায় শ্রমিকদের আয় ও জীবনমানের উন্নতি হয়নি। একজন শ্রমিকের মাসিক আয়ে নিজের ও পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে পোশাকশ্রমিকরা ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছেন।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি তার শ্রমের অধিকার। শ্রমিকের জীবনমান উপেক্ষা করে শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ডের প্রথম সভার প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতের এই নেতা বলেন, শ্রমিকদের প্রকৃত জীবনযাত্রার ব্যয়, বর্তমান বাজারদর, পরিবারের সদস্যসংখ্যা ও মৌলিক চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে বোর্ডকে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য সুপারিশ দিতে হবে। শ্রমিকদের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে দ্রুত ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করতে হবে।

শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, যানবাহনে হামলা ও উৎপাদন ব্যাহত করার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানান। তিনি বলেন, কোনো কারখানা ধ্বংস করে শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায় না। এতে শ্রমিকরা কর্মসংস্থান হারান, মালিকেরা বিনিয়োগ হারান এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় জাতীয় অর্থনীতি।

চলমান শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও শ্রমিকলীগসহ কোনো রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল উসকানি বা নাশকতার চেষ্টা করছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে শ্রমিকদের যৌক্তিক আন্দোলন দমনের নামে হয়রানি, নির্যাতন ও গণগ্রেপ্তার বন্ধের আহ্বান জানান।

গাজীপুরে পোশাকশ্রমিক তৌফিক শেখের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা দায়ী, তা বিশ্বাসযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা এবং নিহতের পরিবারকে যথাযথ সহায়তা দিতে হবে।

শিল্প খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিজিএমইএ ও সংশ্লিষ্ট শিল্প সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলমান পরিস্থিতিতে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মিরপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে সহস্রাধিক কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। শত শত কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে। এ ছাড়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে সাম্প্রতিক সময়ে শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে এবং প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বিদেশি ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ বাতিল, সময়মতো পণ্য সরবরাহে ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা হ্রাস এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

জামায়াতের ১৫ দফা দাবি

1. শ্রমিকদের জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয়, মূল্যস্ফীতি ও পরিবারের মৌলিক চাহিদা বিবেচনায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি নির্ধারণ এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর করতে হবে।

2. গাজীপুরে নিহত শ্রমিক তৌফিক শেখের মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আহতদের চিকিৎসা ও নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

3. কারখানা ও যানবাহনে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নাশকতায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

4. শ্রমিকদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অযাচিত বলপ্রয়োগ, নির্যাতন, হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ করতে হবে।

5. গ্রেপ্তার হওয়া নিরপরাধ শ্রমিক ও শ্রমিক নেতাদের মুক্তি এবং হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

6. রাজনৈতিক বা দলীয় পরিচয়ে সাধারণ শ্রমিকদের ওপর হামলা, নির্যাতন ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

7. শ্রমিক, কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও যানবাহনের নিরাপত্তায় শিল্পাঞ্চলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিতে হবে।

8. সরকার, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে অবিলম্বে কার্যকর সংলাপের আয়োজন করতে হবে।

9. শ্রমিকদের আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ বা স্বার্থান্বেষী মহলের উসকানি ও নাশকতার চেষ্টা থাকলে তা তদন্ত করে প্রতিরোধ করতে হবে।

10. বন্ধ কারখানাগুলো দ্রুত চালু করে শ্রমিকদের নিরাপদ ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

11. অন্যায় ও বেআইনিভাবে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং কালো তালিকাভুক্ত শ্রমিকদের পুনরায় কাজের সুযোগ দিতে হবে।

12. শ্রমিকদের বকেয়া বেতন, ভাতা, ওভারটাইম ও অন্যান্য আইনগত পাওনা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে।

13. শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করতে হবে।

14. নারী শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও সুরক্ষিত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

15. পোশাকশিল্প, শ্রমিকদের চাকরি, মালিকদের বিনিয়োগ ও জাতীয় অর্থনীতি রক্ষায় শ্রমিক-মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন, শ্রমিক হত্যার সুষ্ঠু বিচার, নিরপরাধ শ্রমিকদের মুক্তি এবং বন্ধ কারখানাগুলো চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। পোশাকশিল্পের মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের প্রতিপক্ষ নয়, শিল্পের অপরিহার্য অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভাগীয় সভাপতি, অনুষদের ডিন ও প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দায়িত্বে রাখতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এ জন্য জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ্বাসী এবং সম্ভাব্য বিভাগীয় সভাপতি ও ডিন হওয়ার যোগ্য শিক্ষকদের তালিকা চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কাছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ডা. কে এম বাবর বলেন, দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের হাত শক্তিশালী করতে স্থানীয়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে পারব।

এর আগে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. কে এম বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, ৭ নভেম্বর শুধু একটি দিবস নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথনির্দেশক। সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর প্রধান নীতি—সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে তাঁরা অনুপ্রাণিত। তাঁর দলের স্লোগান—‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’। তবে দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসতে হলে ব্যক্তি বা দলের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশকে স্থান দিতে হবে। বাংলাদেশ সবার আগে—এই চেতনা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সূচনা হয়। এদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। তাঁর বিরল নেতৃত্বেই দেশে সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব যখন সংকটে পড়েছিল, তখন সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতিকে সংকট উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

এ ছাড়া সভায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম আহসান, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | ঠাকুরগাঁও 

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঠাকূরগাঁও উপজেলা গেটের পশ্চিম পাশে রয়েল লাউঞ্জ চাইনিজ রেস্টুরেন্টের পঞ্চম তলায় এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের সভাপতি এম কে এ হাবীব সরকার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদটি বর্তমানে শূন্য থাকায় যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাসেল আলী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেণ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ মোঃ শাহাজাহান কবীর জেম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহসভাপতি অখিল চন্দ্র রায়, ভূল্লী উপজেলা শাখার সভাপতি মো. বাহার আলী, রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান, রাণীশংকৈল উপজেলার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম এবং জেলা কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোঃ মানিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা খুচরা সার বিক্রেতাদের বিভিন্ন সমস্যা, ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি খাত উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার সরবরাহব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো মান-সম্মত সার পৌঁছে দিতে খুচরা সার বিক্রেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেণ। তাই তাঁদের পেশাগত সমস্যা সমাধান, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সংগঠনকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সার বিক্রেতাদের মধ্যে সমন্বয়, ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে এম কে এ হাবীব সরকার সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে খাবার পরিবেশন করেন জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার (ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার) ডা. মো. আবু জাফর।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।

দিবসটি উপলক্ষে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের এ উদ্যোগে সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।