খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক, ১৪৩৩

মামুনুল হকের তিন মুরুব্বিকে ওলীপুরীর ছয় পৃষ্ঠার চিঠি, কওমি অঙ্গনে বিতর্ক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মামুনুল হকের তিন মুরুব্বিকে ওলীপুরীর ছয় পৃষ্ঠার চিঠি, কওমি অঙ্গনে বিতর্ক

ছবির ক্যাপশন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের (বিকেএম) আমির মাওলানা মামুনুল হকের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান ঘিরে কওমি অঙ্গনে মওদুদী ও সালাফি মতাদর্শের প্রভাব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ‘আকিদা, দেওবন্দিয়ত ও কওমি ঐতিহ্যের সুরক্ষায়’ মামুনুল হকের তিন মুরুব্বির কাছে ছয় পৃষ্ঠার একটি লিখিত চিঠি পাঠিয়েছেন হবিগঞ্জের মাদ্রাসা নূরে মদিনার পরিচালক ও আলেম মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী।

সম্প্রতি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে খাদিমুল কোরআন পরিষদের তাফসির মাহফিলে মামুনুল হককে অতিথি করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আলেমদের একাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, মামুনুল হক জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রেখেও কওমি সমাজের প্রতিনিধিত্বের দাবি করায় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

এ নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসার পর ওলীপুরীর চিঠির বিষয়টি কওমি অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন মামুনুল হকের তিন মুরুব্বি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, এর আগে এক বক্তব্যে মামুনুল হক জানিয়েছিলেন, তার কোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড নিয়ে কারও আপত্তি থাকলে তা যেন তার তিন মুরুব্বির কাছে উপস্থাপন করা হয়। তাদের সিদ্ধান্ত তিনি মেনে চলবেন বলেও জানিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা অনুসারে মিরপুরের মাদ্রাসা দারুর রাশাদের শিক্ষাসচিব মাওলানা লিয়াকত আলী, গাজীপুরের অধ্যক্ষ শাহ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী (দেওনার পীর) এবং বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হকের কাছে চিঠিটি পাঠান ওলীপুরী।

চিঠির বিষয়ে মাওলানা লিয়াকত আলী জানান, চিঠি পাওয়ার সময় তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং কিছুটা ব্যস্ততাও ছিল। তিনজন একসঙ্গে বসে পরামর্শ করে জবাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চিঠিটি তো মূলত তিনজনকে দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা চেয়েছিলাম তিনজন একসঙ্গে বসে পরামর্শ করে জবাবটা দেব। এখন আমরা তিনজন বসে পরামর্শ করে জবাবটা দেব ইনশাআল্লাহ।’

অন্যদিকে মাওলানা মাহফুজুল হক লিখিত জবাবের পরিবর্তে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, চিঠিতে উত্থাপিত বিষয়গুলো লিখিত জবাব দেওয়ার মতো নয়; বরং সামনাসামনি আলোচনার বিষয়।

তিনি বলেন, ‘আমরা চিঠি পেয়েছি, তবে চিঠির বিষয়গুলো এমন যে, এটা লিখিত জবাব দেওয়ার মতো কিছু না। এটা হলো সাক্ষাতে কথা বলার মতো বিষয়। ওলীপুরী সাহেব তো ওইরকমভাবে সাক্ষাতে কথা বলার মতো কোনো উদ্যোগ নেননি। আমরা মনে করি এখানে মাওলানা মামুনুল হকসহ সবাই বসে কথা বলা দরকার। তো কোনো সময় সরাসরি সাক্ষাতে বসার উদ্যোগ নিলে ইনশাআল্লাহ আমরা কথা বলব।’

তৃতীয় মুরুব্বি অধ্যক্ষ শাহ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরীও চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে বাইরে অবস্থান করায় পরে বিস্তারিত মতামত জানাবেন বলে জানান তিনি।

চিঠিতে ওলীপুরীর পাঁচটি প্রধান আপত্তি

দীর্ঘ চিঠিতে মাওলানা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী আকিদা ও কওমি-দেওবন্দি আদর্শ রক্ষার বিষয়ে বেশ কিছু তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক প্রশ্ন তুলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—

১. আকিদাগত তুলনা ও বিভ্রান্তির আশঙ্কা: মামুনুল হকের একটি বক্তব্যে চার মাজহাব—হানাফি, মালেকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি—এর আকিদার সঙ্গে সালাফি ও মওদুদীবাদের আকিদার তেমন কোনো পার্থক্য নেই বলে উল্লেখ করার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করেছেন ওলীপুরী। তার দাবি, চার মাজহাবের আকিদার সঙ্গে সালাফি ও মওদুদীবাদীদের আকিদার মৌলিক ও ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। মামুনুল হকের এমন বক্তব্য সাধারণ আলেম ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

২. ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে আপত্তি: নির্বাচনি প্রচারে জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে ইনসাফ ও ওলামায়ে কেরামের প্রতীক হিসেবে আখ্যা দেওয়ার সমালোচনা করেছেন ওলীপুরী। তার প্রশ্ন, যেসব দল আকাবির, সাহাবা ও সালাফদের সঙ্গে বে-ইনসাফি করেছে বলে তিনি মনে করেন, তাদের প্রতীক কীভাবে আলেমদের প্রতীক হতে পারে।

৩. দেওবন্দি-হানাফি আকিদা সংশোধনের আহ্বান: মামুনুল হকের পক্ষ থেকে দেওবন্দি ও হানাফিদের আকিদা সংশোধনের আহ্বানকে অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করেছেন ওলীপুরী। তার মতে, এ ধরনের বক্তব্য শত বছরের ঐতিহ্যের ওপর আঘাতের শামিল।

৪. রাজনৈতিক ঐক্যের নজির: মওদুদীবাদীদের সঙ্গে মামুনুল হকের রাজনৈতিক ঐক্যকে শাইখুল হিন্দ (রহ.)-এর কংগ্রেসের সঙ্গে ঐক্যের উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপনকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন ওলীপুরী। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, মামুনুল হকের বাবা শায়খুল হাদিস মাওলানা আজিজুল হক (রহ.) তাঁর বুখারি শরিফের ব্যাখ্যাগ্রন্থে মওদুদীর বিভিন্ন মতাদর্শের দলিলভিত্তিক খণ্ডন করেছেন। চিঠিতে মওদুদীবাদী বলতে জামায়াতে ইসলামীকে বোঝানো হয়েছে।

৫. ‘আকিদাতুল জিহাদিয়া’ পরিভাষা: জিহাদকে মূল আকিদা হিসেবে উপস্থাপন এবং ‘আকিদাতুল জিহাদিয়া’ পরিভাষা ব্যবহারের শাস্ত্রীয় ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওলীপুরী। একই সঙ্গে দেওবন্দি আকিদার সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মাহফিল স্থগিত, পদত্যাগ সভাপতি-সম্পাদকের

সিলেটে খাদিমুল কোরআন পরিষদের তাফসির মাহফিলে মামুনুল হককে অতিথি করা নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতবিরোধ থেকেই কওমি অঙ্গনে মওদুদীবাদী মতাদর্শের প্রভাব নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ওলীপুরীর চিঠির বিষয়টি সামনে আসে।

পরিষদের চলতি বছরের তাফসির মাহফিল আগামী ১৯, ২০ ও ২১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে চলমান বিতর্কের কারণে পূর্বনির্ধারিত সময়ে মাহফিল হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এরই মধ্যে সংগঠনটির সভাপতি মাওলানা মাশুক উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আসজাদ পদত্যাগ করেছেন।

পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বৃহস্পতিবার আহ্বায়ক কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠকে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা এবং নতুন মজলিসে শুরা গঠনের কথা রয়েছে। পরে ১০ নভেম্বর নতুন শুরার বৈঠকে তাফসির মাহফিলের নতুন তারিখ ঘোষণা হতে পারে।

এদিকে তিন মুরুব্বির বক্তব্যে বিষয়টি সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আগ্রহের কথা উঠে এসেছে। এখন ওলীপুরী কিংবা তিন মুরুব্বির উদ্যোগে আনুষ্ঠানিক যৌথ বৈঠক হয় কি না, সেটিই দেখার বিষয়।

উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে মুরুব্বি হিসেবে উল্লেখ করা মাওলানা লিয়াকত আলীকে সম্প্রতি নিজের রাজনৈতিক অভিভাবক হিসেবে উল্লেখ করেছেন মামুনুল হক। তবে মাওলানা মাহফুজুল হক ও অধ্যক্ষ শাহ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরীকে তিনি মুরুব্বি হিসেবে অনুসরণ করেন কি না, তা কালবেলা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি। ওলীপুরীর চিঠি এবং মাহফুজুল হক ও অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে তাদের মুরুব্বি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি কালবেলার নিজস্ব কোনো মূল্যায়ন নয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভাগীয় সভাপতি, অনুষদের ডিন ও প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দায়িত্বে রাখতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এ জন্য জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ্বাসী এবং সম্ভাব্য বিভাগীয় সভাপতি ও ডিন হওয়ার যোগ্য শিক্ষকদের তালিকা চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কাছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ডা. কে এম বাবর বলেন, দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের হাত শক্তিশালী করতে স্থানীয়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে পারব।

এর আগে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. কে এম বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, ৭ নভেম্বর শুধু একটি দিবস নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথনির্দেশক। সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর প্রধান নীতি—সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে তাঁরা অনুপ্রাণিত। তাঁর দলের স্লোগান—‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’। তবে দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসতে হলে ব্যক্তি বা দলের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশকে স্থান দিতে হবে। বাংলাদেশ সবার আগে—এই চেতনা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সূচনা হয়। এদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। তাঁর বিরল নেতৃত্বেই দেশে সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব যখন সংকটে পড়েছিল, তখন সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতিকে সংকট উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

এ ছাড়া সভায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম আহসান, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | ঠাকুরগাঁও 

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঠাকূরগাঁও উপজেলা গেটের পশ্চিম পাশে রয়েল লাউঞ্জ চাইনিজ রেস্টুরেন্টের পঞ্চম তলায় এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের সভাপতি এম কে এ হাবীব সরকার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদটি বর্তমানে শূন্য থাকায় যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাসেল আলী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেণ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ মোঃ শাহাজাহান কবীর জেম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহসভাপতি অখিল চন্দ্র রায়, ভূল্লী উপজেলা শাখার সভাপতি মো. বাহার আলী, রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান, রাণীশংকৈল উপজেলার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম এবং জেলা কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোঃ মানিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা খুচরা সার বিক্রেতাদের বিভিন্ন সমস্যা, ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি খাত উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার সরবরাহব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো মান-সম্মত সার পৌঁছে দিতে খুচরা সার বিক্রেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেণ। তাই তাঁদের পেশাগত সমস্যা সমাধান, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সংগঠনকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সার বিক্রেতাদের মধ্যে সমন্বয়, ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে এম কে এ হাবীব সরকার সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে খাবার পরিবেশন করেন জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার (ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার) ডা. মো. আবু জাফর।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।

দিবসটি উপলক্ষে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের এ উদ্যোগে সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।