খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক, ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত ১০ আসামি গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ওয়ারেন্টভুক্ত ১০ আসামি গ্রেপ্তার

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
 
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মারামারি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট ভুক্ত ১০ জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। 

শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আটজন গওহরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন কামরুল খানের ছেলে আলামিন খান (৪০), আকবর খানের ছেলে সুমন খান (২২), মুকিত খানের ছেলে আকবর (৪৫), মৃত আজিম উদ্দিন খানের ছেলে সাদেক খান (৪৬), ছরোয়ার খানের ছেলে জামাল (৪৬) ও মোমরেজ (৪৩), গাউস খানের ছেলে সবুর খান (৪৬) এবং লায়েক আলীর ছেলে জিকরুল (৩২)। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তিনটি মামলায় পরোয়ানাভুক্ত তরিক মুন্সী (২০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।
 
পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর উপজেলার গওহরডাঙ্গা গ্রামে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে শ্রীরামকান্দি ও গওহরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন।
 
এ ঘটনায় শ্রীরামকান্দি গ্রামের মৃত মফজেল সরদারের ছেলে নেজাম সরদার বাদী হয়ে টুঙ্গিপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ জনকে আসামি করা হয়। পরবর্তী সময়ে আদালত থেকে কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।
 
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত ০৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
 
অন্যদিকে, একই রাতে নিলফা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনটি মাদক মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি তরিক মুন্সীকে আটক করা হয়।
 
ওসি আইয়ুব আলী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জনকে শনিবার সকালে আদালতে পাঠানো হলে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোবিপ্রবির প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থীদের চান এমপি বাবর, তালিকা চাইলেন ছাত্রদলের কাছে

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভাগীয় সভাপতি, অনুষদের ডিন ও প্রশাসনিক পদে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দায়িত্বে রাখতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য ও গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। এ জন্য জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে বিশ্বাসী এবং সম্ভাব্য বিভাগীয় সভাপতি ও ডিন হওয়ার যোগ্য শিক্ষকদের তালিকা চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কাছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ডা. কে এম বাবর বলেন, দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের হাত শক্তিশালী করতে স্থানীয়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনারা আমাদের পাশে থাকলে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে পারব।

এর আগে সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. কে এম বাবর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কে এম বাবর বলেন, ৭ নভেম্বর শুধু একটি দিবস নয়, এটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র গঠনের পথনির্দেশক। সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই পথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর প্রধান নীতি—সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে তাঁরা অনুপ্রাণিত। তাঁর দলের স্লোগান—‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়’। তবে দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসতে হলে ব্যক্তি বা দলের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশকে স্থান দিতে হবে। বাংলাদেশ সবার আগে—এই চেতনা ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের সূচনা হয়। এদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হন। তাঁর বিরল নেতৃত্বেই দেশে সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব যখন সংকটে পড়েছিল, তখন সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতিকে সংকট উত্তরণের পথ দেখিয়েছিল। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।

এ ছাড়া সভায় বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মাহবুব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ড. এস এম আহসান, গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি দুর্জয় শুভ এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | ঠাকুরগাঁও 

ঠাকূরগাঁওয়ে খুচরা রাসায়নিক সার  বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঠাকূরগাঁও উপজেলা গেটের পশ্চিম পাশে রয়েল লাউঞ্জ চাইনিজ রেস্টুরেন্টের পঞ্চম তলায় এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ঠাকূরগাঁও জেলা কার্য-নির্বাহী পরিষদের সভাপতি এম কে এ হাবীব সরকার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পদটি বর্তমানে শূন্য থাকায় যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাসেল আলী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেণ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ মোঃ শাহাজাহান কবীর জেম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সহসভাপতি অখিল চন্দ্র রায়, ভূল্লী উপজেলা শাখার সভাপতি মো. বাহার আলী, রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান, রাণীশংকৈল উপজেলার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম এবং জেলা কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোঃ মানিকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা খুচরা সার বিক্রেতাদের বিভিন্ন সমস্যা, ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণ, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং সদস্যদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি খাত উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার সরবরাহব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী সময়মতো মান-সম্মত সার পৌঁছে দিতে খুচরা সার বিক্রেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেণ। তাই তাঁদের পেশাগত সমস্যা সমাধান, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সংগঠনকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সার বিক্রেতাদের মধ্যে সমন্বয়, ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। সংগঠনের সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে এম কে এ হাবীব সরকার সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে এদিন দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত থেকে রোগীদের মাঝে খাবার পরিবেশন করেন জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার (ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার) ডা. মো. আবু জাফর।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ।

দিবসটি উপলক্ষে রোগীদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের এ উদ্যোগে সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।