খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

‘বাংলাদেশে এলেই মনে হয় আপন মানুষদের কাছে ফিরেছি’—আতিফ আসলাম

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘বাংলাদেশে এলেই মনে হয় আপন মানুষদের কাছে ফিরেছি’—আতিফ আসলাম

ছবি - সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৮ বছর পর নতুন অ্যালবাম নিয়ে ফিরছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম। বাংলাদেশ সফরে এসে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৩১ জুলাই প্রকাশ পেতে যাচ্ছে তার বহুল প্রতীক্ষিত অ্যালবাম ‘সুবাহ আয়ে না’। একই সঙ্গে বাংলাদেশের দর্শকদের প্রতি নিজের ভালোবাসা, নতুন সংগীত পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যতে বাংলা গান গাওয়ার ইচ্ছার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

আতিফ বলেন, প্রায় দুই দশক পর নতুন অ্যালবাম প্রকাশ করতে পেরে তিনি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তরা নতুন অ্যালবামের অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

নতুন অ্যালবাম প্রকাশে এত দেরি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সিনেমার গান, আন্তর্জাতিক কনসার্ট এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যস্ত সময় কাটানোর কারণে নিজের মতো করে অ্যালবাম তৈরির সুযোগ হয়নি। তবে এবার নিজের অনুভূতির গান নিয়েই শ্রোতাদের সামনে ফিরছেন।

আতিফের মতে, একজন শিল্পী হিসেবে নিজের অ্যালবামেই সবচেয়ে বেশি সৃজনশীল স্বাধীনতা পাওয়া যায়। কারণ সেখানে নিজের অনুভূতি ও ভাবনাকে স্বাধীনভাবে প্রকাশ করা সম্ভব। অন্যদিকে সিনেমার গান গল্প ও চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি করতে হয়।

কোক স্টুডিও পাকিস্তানে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, এটি সবসময় নতুন কিছু করার একটি দারুণ প্ল্যাটফর্ম। নতুন শিল্পী ও নতুন সাউন্ড নিয়ে কাজ করার সুযোগ এখানেই সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের কোক স্টুডিওর কাজেরও প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কোক স্টুডিও যৌথভাবে কোনো প্রজেক্ট করলে তা সংগীতপ্রেমীদের জন্য বিশেষ কিছু হবে বলেও মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের দর্শকদের সম্পর্কে আতিফ বলেন, এখানকার মানুষ শুধু গান শোনেন না, গানকে হৃদয় দিয়ে অনুভব করেন। কনসার্টে হাজারো মানুষ যখন একসঙ্গে তার গান গেয়ে ওঠেন, তখন সেই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানান এই গায়ক। তিনি বলেন, দেশে অনেক প্রতিভাবান শিল্পী রয়েছেন। সুযোগ পেলে তাদের সঙ্গে যৌথভাবে গান করতে চান।

বাংলা ভাষায় গান গাওয়ার প্রসঙ্গে আতিফ বলেন, আগে একটি বাংলা গান করলেও ভবিষ্যতে আরও গান গাইতে চান। তবে ভাষাটিকে আরও ভালোভাবে শিখে এবং যথাযথ সম্মান রেখেই নিয়মিত বাংলা গান করতে আগ্রহী তিনি।

বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে কিংবদন্তি রুনা লায়লার প্রতি নিজের বিশেষ শ্রদ্ধার কথাও উল্লেখ করেন আতিফ। তার ভাষায়, রুনা লায়লা শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো উপমহাদেশের গর্ব। তাঁর সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করা নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশে এলে সবচেয়ে বেশি কী উপভোগ করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে আতিফ বলেন, এখানকার মানুষের আন্তরিকতা তাকে বারবার টেনে আনে। পাশাপাশি বাংলাদেশের খাবারেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। বিশেষ করে খিচুড়ি, বিরিয়ানি ও মালাই চা তার ভীষণ প্রিয়।

আতিফ আসলামের ভাষায়, “বাংলাদেশে এলেই মনে হয়, আপন মানুষদের কাছেই ফিরে এসেছি।”

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।