খুঁজুন
শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বাংলাদেশিদের আকামা নিয়ে সৌদির সুখবর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০২৬, ৪:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশিদের আকামা নিয়ে সৌদির সুখবর

সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আকামা (রেসিডেন্স পারমিট) নবায়ন নিয়ে বড় ধরনের স্বস্তির খবর দিয়েছে সৌদি সরকার। এখন থেকে কোনো নিয়োগকর্তা (কফিল) আকামা নবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট কর্মী আইনগত জটিলতা ছাড়াই দ্রুত অন্য নিয়োগকর্তার অধীনে আকামা নবায়নের সুযোগ পাবেন।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ ঘোষণা দেন সৌদি আরবের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা। এ সময় সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার বিষয়ক ডেপুটি মিনিস্টার ড. মোহাম্মদ এ এম আলশামেরিও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে আল-ঈসা জানান, কোনো কারণে যদি মূল কফিল কর্মীর আকামা নবায়ন না করেন, তাহলে ওই কর্মী দ্রুত অন্য নিয়োগকর্তার অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা থাকবে না।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুই দেশের শ্রমবাজারে সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে গৃহকর্মী নিয়োগ চুক্তি, শ্রম দক্ষতা যাচাইকরণ (এসভিপি) চুক্তি এবং সাধারণ কর্মী নিয়োগ চুক্তি পর্যালোচনা ও নবায়নের প্রস্তাব ছিল। পাশাপাশি যৌথ কমিশন ও যৌথ প্রযুক্তিগত কমিটির বৈঠক আয়োজনের আহ্বানও জানানো হয়।

এ ছাড়া বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে একটি ‘সৌদি-বাংলাদেশ কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে আরবি ভাষা, সৌদি আইন, সংস্কৃতি, কর্মপরিবেশ ও কারিগরি দক্ষতায় বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) ও হসপিটালিটি খাতে আরও দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে সৌদি আরব আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে কারিগরি ও পেশাগত যোগ্যতার পারস্পরিক স্বীকৃতির জন্য একটি কাঠামো তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সময়মতো ওয়ার্ক পারমিট ও আকামা ইস্যু এবং নবায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অতিরিক্ত ফি দেখিয়ে কিছু নিয়োগকর্তার বিলম্বের বিষয়টি সমাধানে সৌদি সরকারের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশি কর্মীরা সৌদি আরবের উন্নয়নের পাশাপাশি রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

তিনি আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসার আরবি-দক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে সৌদি আরবের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে।

সৌদি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় ওয়েজ প্রটেকশন সিস্টেম ও বীমা সুবিধা চালুর কথা উল্লেখ করে জানায়, সৌদি কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২৬, ২:১৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

ছবিতে ডাকাতিতে ব্যবহৃত ঢেঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীপুর গাজীপুর :

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৩৫ বছর আগের পুরনো কৌশল ব্যবহার করে সংঘটিত হয়েছে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা। গ্রাম বাংলার বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতরা প্রায় ৪০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের পাঁচুলটিয়া গ্রামের ছামাদ মোল্লার বাড়িতে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে ৮ থেকে ১০ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তারা প্রথমে বাইরে থেকে ভারী কাঠের ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান কাঠের দরজায় বারবার আঘাত করে দরজা ভেঙে ফেলে। পরে ঘরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে।

ডাকাতরা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে। এ সময় তারা ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রাম বাংলায় ধান ভানার কাজে ঢেঁকির ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিক যন্ত্রপাতির কারণে এটি এখন প্রায় বিলুপ্ত। এমন একটি ভারী কাঠের সরঞ্জামকে ডাকাতির সময় দরজা ভাঙার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকায় রাতের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২৬, ৩:৫৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

ছবিতে ডাকাতিতে ব্যবহৃত ঢেঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীপুর গাজীপুর :

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৩৫ বছর আগের পুরনো কৌশল ব্যবহার করে সংঘটিত হয়েছে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা। গ্রাম বাংলার বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতরা প্রায় ৪০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের পাঁচুলটিয়া গ্রামের ছামাদ মোল্লার বাড়িতে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে ৮ থেকে ১০ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তারা প্রথমে বাইরে থেকে ভারী কাঠের ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান কাঠের দরজায় বারবার আঘাত করে দরজা ভেঙে ফেলে। পরে ঘরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে।

ডাকাতরা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে। এ সময় তারা ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রাম বাংলায় ধান ভানার কাজে ঢেঁকির ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিক যন্ত্রপাতির কারণে এটি এখন প্রায় বিলুপ্ত। এমন একটি ভারী কাঠের সরঞ্জামকে ডাকাতির সময় দরজা ভাঙার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকায় রাতের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

শ্রীপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে বাড়ির মালিকসহ আটক ৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে বাড়ির মালিকসহ আটক ৮

পুলিশ পিক-আপে আটককৃতরা।

মো.  সজিব : জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পরিচালিত অভিযানে ৩ নারী, ৪ জন খদ্দের এবং বাড়ির মালিক মোস্তফা কামালসহ মোট ৮ জনকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল বলে অভিযোগ ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী অভিযুক্তদের হাতেনাতে আটক করে শ্রীপুর থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।

এদিকে, অভিযুক্ত বাড়ির মালিক মোস্তফা কামাল নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও স্থানীয়দের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি নিজেকে দলের লোক হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। তবে স্থানীয় বিএনপির সঙ্গে তার কোনো আনুষ্ঠানিক পদ-পদবির সম্পৃক্ততা ছিল না বলেও জানান তারা।

শ্রীপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বার্তা বিভাগ | যোগফল অনলাইন