খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

১ সিগারেটের আগুনে নিভে গেল পুরো পরিবার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১ সিগারেটের আগুনে নিভে গেল পুরো পরিবার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যই মারা গেছেন। কয়েক দিনের ব্যবধানে মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছেন ৮ বছরের শিশু, তার মা ও বাবা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পরিবারের কর্তা মাইদুল (২৪)। হাসপাতালের আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মাইদুলের শরীরের প্রায় ৮৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

এর আগে সোমবার সকালে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাইদুলের স্ত্রী বিউটি (২৪)। তার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। দুর্ঘটনার পর থেকেই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

এরও আগে শনিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তাদের একমাত্র সন্তান ৮ বছরের মারুফ। শিশুটির শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

গত শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বন্দর কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকার একটি টিনশেড ভাড়া বাসায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ঘরের পাশের রান্নাঘরে তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে ছিল। সকালে মাইদুল সিগারেট জ্বালানোর জন্য লাইটার ব্যবহার করলে জমে থাকা গ্যাসে আগুন ধরে মুহূর্তের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে মাইদুল, তার স্ত্রী বিউটি ও ছেলে মারুফ গুরুতর দগ্ধ হন। আগুনে ঘরের আসবাবপত্রও পুড়ে যায়।

ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ঘরে গ্যাস জমে ছিল। পরে আগুনের সংস্পর্শে সেই জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ ঘটে।

দগ্ধ বিউটির মায়ের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস লাইনে লিকেজ থাকায় ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে ছিল। শুক্রবার ভোরে মাইদুল লাইটার দিয়ে সিগারেটে আগুন ধরানোর চেষ্টা করতেই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো কক্ষে ছড়িয়ে পড়লে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের একমাত্র সন্তান দগ্ধ হন।

নাটোরের বাসিন্দা মাইদুল ও বিউটি জীবিকার তাগিদে প্রায় এক বছর ধরে বন্দর এলাকার ওই বাসায় ভাড়া থাকছিলেন। সংসারের স্বপ্ন নিয়ে দূর জেলা থেকে নারায়ণগঞ্জে এসে ঘর বেঁধেছিলেন তারা। কিন্তু গ্যাস লিকেজের ভয়াবহতায় মুহূর্তেই বদলে যায় তাদের জীবন। কয়েক দিনের ব্যবধানে হারিয়ে গেল পরিবারের তিন সদস্যই—মা, বাবা ও একমাত্র সন্তান।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত: দুলু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত: দুলু

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উত্তরাঞ্চলের বন্যা ও খরার মতো দুর্যোগ অনেকাংশে কমে আসবে এবং এ অঞ্চল সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা উত্তর জনপদের সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা ও খরার দুর্ভো

গ কমবে এবং কৃষি, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

তিনি বলেন, ষড়ঋতুর বাংলাদেশে মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ জড়িয়ে আছে। প্রতিবছর বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের পুনর্বাসনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

‘অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধি’ বা ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘স্থানীয় পর্যায়ে বন্যার আগাম সতর্কতা ও প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রকল্পটি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার ১৯টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মৌসুমি বন্যার আগাম পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নত করা এবং দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বন্যার ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী আগেভাগে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

কর্মশালায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এবিএম সফিকুল হায়দার, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কৃষি-মৎস্যে আধুনিকায়নে মার্কিন সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কৃষি-মৎস্যে আধুনিকায়নে মার্কিন সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিকায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নির্বাহী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ সহযোগিতা চান। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, এমপিও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া ও ভৌগোলিক অবস্থান কৃষি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান কাজে লাগাতে পারলে দেশের কৃষি উৎপাদন আরও বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমানো সম্ভব।

সয়াবিন চাষের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের চর ও দ্বীপাঞ্চলে সয়াবিনের আবাদ সম্প্রসারণ করে স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও কারিগরি সহযোগিতা প্রয়োজন। একইভাবে প্রাণিসম্পদ খাতেও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উন্নতমানের ঘাস উৎপাদন, পশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং রোগ প্রতিরোধের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, কৃষক ও ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য কৃষিতে কীটনাশকের নিরাপদ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে একটি সার্টিফায়েড অর্গানিক ফার্ম প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (USDA) সার্টিফিকেশন পাওয়া অর্গানিক খাদ্য রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েও সরকার কাজ করছে।

মতবিনিময় সভায় ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের সরকারের অগ্রাধিকার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে এবং এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত বলেও জানান।

প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এবং মার্কিন রপ্তানিকারকদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে আরও সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কারিগরি সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

মতবিনিময় সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অতুল কেশপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক নির্বাহী পরিচালক কেভিন রোপকে, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম লিড খবিবুর রহমানসহ কাউন্সিলের অন্যান্য প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কর্ণফুলী নদীতে বস্তাবন্দি নারীর মরদেহ, ১০ দিন পর মিলল পরিচয়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ আগস্ট ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর্ণফুলী নদীতে বস্তাবন্দি নারীর মরদেহ, ১০ দিন পর মিলল পরিচয়

 চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক নারীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে ১০ দিন পর। নিহতের নাম জান্নাতুল ফেরদৌস (২৮)। তিনি বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা এলাকার নুরুল ইসলামের মেয়ে।

গত ১ আগস্ট কর্ণফুলী নদীর পিডিবি ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছিল।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে সদরঘাট নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, জান্নাতুল ফেরদৌস নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। সেখানে একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন তিনি। মরদেহ উদ্ধারের পর পরিচয় শনাক্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নিহতের তথ্য প্রচার করে পুলিশ।

পরে খবর পেয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যরা সদরঘাট নৌ-থানায় গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। জুতা, কানের দুল, পোশাক ও চেহারা দেখে তারা মরদেহটি জান্নাতুল ফেরদৌসের বলে নিশ্চিত করেন।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চাকরির সুবাদে পরিচয়ের পর পরিবারের অমতে জান্নাতুল ফেরদৌস দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তার পারিবারিক বিরোধ ও ঝগড়া-বিবাদ চলছিল বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় সদরঘাট নৌ-থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্তে হত্যার কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।

সদরঘাট নৌ-থানার ওসি আবদুর রউফ বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের পর তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে।’

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম