খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৩০

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৩০

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৬৭ জনের মৃত্যু হলো। একই সময়ে নতুন করে ৭৩০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া দুজনই খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে নতুন করে ৩৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ১২৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১০৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৭ জন এবং রংপুর বিভাগে ১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ৩০ জন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ১৫ জন, বরিশাল বিভাগে ৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগে ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন।

নতুন রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

গ্যাস-বিদ্যুতের স্থায়ী সংকট কাটাতে লাগবে দুই বছর: বাণিজ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্যাস-বিদ্যুতের স্থায়ী সংকট কাটাতে লাগবে দুই বছর: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট স্থায়ীভাবে সমাধান করতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের একটি হলরুমে কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বিগত বছরের বাস্তবায়ন মূল্যায়ন বিষয়ক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, গ্যাস সংকট স্থায়ীভাবে মোকাবিলায় নতুন এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) স্থাপন, পাইপলাইন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করতে প্রায় দুই বছর সময় প্রয়োজন হবে।

তিনি বলেন, প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। মালয়েশিয়া সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে বড় জাহাজে এলএনজি এনে ছোট জাহাজে স্থানান্তর করা হবে। এরপর ভাসমান পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিটের মাধ্যমে এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তর করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানান, পেট্রোনাসের সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো বর্তমানে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত থাকায় এই মুহূর্তে অতিরিক্ত জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাই বিষয়টি সমাধানে কাজ করছেন।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পকারখানা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাসাবাড়িতেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। তবে বর্তমান সংকটের একটি বড় অংশ আগের পরিস্থিতির উত্তরাধিকার হিসেবে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গ্যাস-বিদ্যুতের চাহিদা মৌসুমভেদে পরিবর্তিত হয় জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, গরমের সময় বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। শীতকালে সেই চাহিদা তুলনামূলকভাবে কমে আসে।

সম্প্রতি সংকট আরও তীব্র হওয়ার কারণ হিসেবে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিটের সমস্যার কথা উল্লেখ করেন তিনি। একটি ইউনিটে গ্যাস ভরা সম্ভব হয়নি এবং অন্যটির একটি বয়লার নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গত কয়েক দিনে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

তবে এরই মধ্যে একটি ইউনিটে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। অন্য ইউনিটের একটি বয়লারও মেরামত করা হয়েছে এবং আরেকটির মেরামতের কাজ চলছে।

দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। এতে শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকটও অনেকটা কমে আসবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, নতুন গ্যাসকূপ খনন এবং জ্বালানি টার্মিনালের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। এসব অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশের দৈনিক জ্বালানির চাহিদা সরবরাহের তুলনায় অনেক বেশি। এর সঙ্গে গরম মৌসুমে চাহিদা বাড়ায় সংকট আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

চুল পড়া কমাতে পান পাতার হেয়ার মাস্ক, যেভাবে ব্যবহার করবেন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চুল পড়া কমাতে পান পাতার হেয়ার মাস্ক, যেভাবে ব্যবহার করবেন

চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। জীবনযাত্রার ধরন, অতিরিক্ত দূষণ, চুলে বিভিন্ন প্রসাধনীর ব্যবহার, পর্যাপ্ত পানি পান না করা কিংবা চুলের সঠিক যত্নের অভাবে এ সমস্যা বাড়তে পারে। চুলের যত্নে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে পান পাতাও ব্যবহার করা যায় বলে প্রচলিত রয়েছে।

চুলের জন্য পান পাতার উপকারিতা

পান পাতা দীর্ঘদিন ধরে নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান চুলের যত্নে সহায়ক হতে পারে। নিয়মিত যত্নের অংশ হিসেবে পান পাতার তৈরি হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে চুলের শুষ্কতা কমাতে এবং চুলকে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তবে চুল পড়ার পেছনে যদি হরমোন, বংশগত কারণ, পুষ্টির ঘাটতি বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে, তাহলে শুধু ঘরোয়া উপায়ে সমস্যার সমাধান নাও হতে পারে।

যেভাবে তৈরি করবেন পান পাতার হেয়ার মাস্ক

চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী কয়েকটি তাজা পান পাতা নিন। এর সঙ্গে ২ থেকে ৩ চামচ ঘি, অল্প মধু ও প্রয়োজনমতো পানি মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করুন।

শ্যাম্পু করার প্রায় এক ঘণ্টা আগে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত মাস্কটি ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। এরপর চুল শুকিয়ে গেলে মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

সপ্তাহে এক থেকে দুইবার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে প্রথমবার ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। কোনো ধরনের জ্বালা, চুলকানি বা অ্যালার্জি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।

নে রাখবেন, অতিরিক্ত চুল পড়া দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ইরানে হামলার জন্য ক্ষমা চাইবেন না ট্রাম্প

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইরানে হামলার জন্য ক্ষমা চাইবেন না ট্রাম্প

ইরানে হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। তবে এই মূল্যবৃদ্ধির জন্য কোনো ধরনের ক্ষমা চাইবেন না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তার দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তের তুলনায় তেলের বাড়তি দাম মেনে নেওয়া যুক্তিযুক্ত। ট্রাম্পের ভাষ্য, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় ঝুঁকি মোকাবিলা করছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, তেলের জন্য এখন কিছুটা বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। তবে এর বিনিময়ে একটি ‘খুব খারাপ দেশ’ যাতে পারমাণবিক অস্ত্র হাতে না পায়, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ইরানকে সন্ত্রাসবাদের অন্যতম বড় পৃষ্ঠপোষক আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, তেলের দাম বাড়লেও তিনি মনে করেন ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন জ্বালানির জন্য প্রায় চার ডলার খরচ করতে হচ্ছে। তবে এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই এবং এ সিদ্ধান্তের জন্য তিনি কখনো ক্ষমা চাইবেন না।

এর আগে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছিলেন, জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা—দুটিই প্রেসিডেন্টের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে এক গ্যালন জ্বালানি তেলের গড় দাম চার ডলার ছাড়িয়েছে। এক বছর আগে একই সময়ে গড় দাম ছিল প্রায় তিন ডলারের কাছাকাছি।

তবে তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে ট্রাম্প যেভাবে দেখছেন, সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের একটি বড় অংশ তা মনে করছেন না। সিএনএনের এক জরিপে দেখা গেছে, ৭৪ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ইরান যুদ্ধের কারণে মানুষের জীবন ও অর্থের যে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, তার কোনো সার্থকতা নেই।

ফলে ইরান ইস্যুতে সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের বাড়তি দামও এখন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম