আফুরিয়ায় পলিথিন কারখানায় অভিযান, ৩৩৫ কেজি পলিথিন জব্দ
যোগফল প্রতিবেদক:
পাবনা সদর উপজেলার আফুরিয়া এলাকায় মেসার্স শিমুল পলিথিন ফ্যাক্টরিতে অভিযান চালিয়ে ৩৩৫ কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন ও ৪৯ কেজি পিপি দানা জব্দ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এ সময় কারখানা কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ধারা ৬ক অনুযায়ী পরিচালিত মোবাইল কোর্টে এ অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে কারখানা থেকে ৩৩৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন ও ৪৯ কেজি পিপি দানা জব্দ করা হয়। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
পাবনা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট গাজী মো. দিদারুল ইসলাম মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন। পরিবেশ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল মমিন প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন। অভিযানে জেলা পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান শেষে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি আগামী এক মাসের মধ্যে কারখানায় থাকা সব ধরনের যন্ত্রপাতি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর পাবনা জেলা কার্যালয় জানিয়েছে, নিষিদ্ধ পলিথিনের উৎপাদন, ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ বন্ধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম
বেতন না পেয়ে লাকি স্টার অ্যাপারেলসে শ্রমিকদের অসন্তোষ
যোগফল প্রতিবেদক:
গাজীপুরের টঙ্গীর খাঁ পাড়া এলাকায় অবস্থিত লাকি স্টার অ্যাপারেলস লিমিটেডে সময়মতো বেতন-ভাতা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত বেতন পরিশোধ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শ্রমিকরা।
শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানাটিতে নিয়মিতই নির্ধারিত সময়ের পর বেতন পরিশোধ করা হয়। অনেক সময় মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বেতনের জন্য। চলতি মাসেও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ১২৩(১) অনুযায়ী, মজুরিকাল শেষ হওয়ার পরবর্তী সাত কর্মদিবসের মধ্যে শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করার বিধান রয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন পরিশোধ না করে প্রতি মাসেই বিলম্ব করা হচ্ছে।
শ্রমিকরা জানান, ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বেতন দেওয়া হয়নি। এমনকি কবে বেতন পরিশোধ করা হবে, সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানানো হয়নি। এতে অনেক শ্রমিককে সংসারের দৈনন্দিন খরচ চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
শ্রমিকদের আরও অভিযোগ, সম্প্রতি কারখানায় নতুন জিএম (জেনারেল ম্যানেজার) যোগ দেওয়ার পর বেতন বিলম্বসহ বিভিন্ন সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কিংবা নতুন জিএমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এদিকে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে সোমবার (১৭ আগস্ট) আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আবারও আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
শ্রমিকরা দ্রুত চলতি মাসের বেতন ও বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেতন দেওয়ার নিশ্চয়তা দাবি করেছেন। একই সঙ্গে কারখানায় স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আপনার মতামত লিখুন