খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত ছোট্ট রাইয়্যান, বাঁচতে প্রয়োজন দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত ছোট্ট রাইয়্যান, বাঁচতে প্রয়োজন দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট

যোগফল প্রতিবেদক:

চার বছর ধরে দুরারোগ্য ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছে ছোট্ট রাইয়্যান। বর্তমানে সে বি-সেল অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া (B-Cell ALL) নামের জটিল রোগে আক্রান্ত। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও বারবার ক্যানসার ফিরে আসায় তার জীবন এখন সংকটাপন্ন। তাকে বাঁচাতে দ্রুত বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রথম দফায় চিকিৎসার পর রাইয়্যানের শরীর ও ব্রেনে দ্বিতীয়বার ক্যানসার ফিরে আসে। দীর্ঘ সময় কেমোথেরাপি দেওয়ার পর আল্লাহর রহমতে ক্যানসার নেগেটিভ হয়। এরপর রোজার ঈদের পর বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের পরিকল্পনা করা হলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

পরে ঈদুল আজহার পর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের সিএমএইচে নতুন করে ট্রান্সপ্লান্টের সিরিয়াল নেওয়া হয়। কিন্তু এর মধ্যেই তৃতীয়বারের মতো রাইয়্যানের শরীর ও ব্রেনে ক্যানসার ফিরে আসে। চিকিৎসকরা জানান, ক্যানসার নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত ট্রান্সপ্লান্ট করা সম্ভব নয়।

তীব্র মাথাব্যথায় রাতের পর রাত ঘুমাতে পারেনি রাইয়্যান। সেই সময়গুলো তার পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেয়। চিকিৎসকরাও জানিয়েছিলেন, পরবর্তী কেমোথেরাপির পর ক্যানসার নেগেটিভ না হলে ট্রান্সপ্লান্টের সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

তবে অগণিত মানুষের দোয়া ও মহান আল্লাহর রহমতে সম্প্রতি এসেছে আশার খবর। সর্বশেষ রিপোর্টে বোন ম্যারো এমআরডি নেগেটিভ এসেছে। পাশাপাশি সিএসএফ পরীক্ষাতেও কোনো ম্যালিগন্যান্ট সেল পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ দীর্ঘদিনের কেমোথেরাপির পর তৃতীয়বারের মতো ক্যানসার নেগেটিভ হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাইয়্যানের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। যত দ্রুত সম্ভব তার বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। ট্রান্সপ্লান্টের জন্য তার বাবা-মায়ের রক্তের নমুনা ভারতে পাঠানো হলে বাবার ৬/১২ এবং মায়ের ৭/১২ ম্যাচ পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবার বোন ম্যারো থেকেই রাইয়্যানের ট্রান্সপ্লান্ট করা হবে।

সম্প্রতি সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসকদের বোর্ড মিটিংয়ে ট্রান্সপ্লান্টের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তির সিরিয়ালও নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু দীর্ঘ চার বছরের চিকিৎসায় রাইয়্যানের পরিবারের সব সঞ্চয় ও সামর্থ্য শেষ হয়ে গেছে। এখন ট্রান্সপ্লান্টসহ পরবর্তী চিকিৎসার ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

ছোট্ট রাইয়্যানকে সুস্থ করে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিতে তার মা-বাবা সমাজের বিত্তবান, সহানুভূতিশীল ব্যক্তি ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতা এবং দোয়া চেয়েছেন।

আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য সহযোগিতাও রাইয়্যানের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম

Dutch-Bangla Bank (Agent)
নাম: Md Imran Hossain
অ্যাকাউন্ট নম্বর: 7017514383788

Islami Bank Bangladesh PLC, বড়গোলা শাখা, বগুড়া
নাম: Md Imran Hossain
অ্যাকাউন্ট নম্বর: 20503120201328715

বিকাশ (Personal): 01715289515
নগদ: 01715289515

যোগাযোগ: 01715289515

ছোট্ট রাইয়্যানের জন্য সবাই দোয়া করুন। সম্ভব হলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন এবং পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও জানিয়ে দিন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।