খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

ফারুক কেন আলাদা ছিলেন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফারুক কেন আলাদা ছিলেন

যোগফল প্রতিবেদক:

অভিনয়ের মাধ্যমে কখনো দর্শকদের কাঁদিয়েছেন, কখনো হাসিয়েছেন। কখনো প্রতিবাদী যুবক, কখনো নিঃশব্দ প্রেমিক, আবার কখনো সাদামাটা গ্রামের মানুষের চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরেছেন তিনি। ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক তাই দর্শকের কাছে আজও ‘মিয়া ভাই’ নামেই পরিচিত।

আজ ১৮ আগস্ট প্রয়াত এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে ফিরে দেখা যায় তাঁর অভিনয়জীবনের সেই বৈশিষ্ট্য, যা তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে তুলেছিল।

১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ফারুকের। তবে দর্শকের ব্যাপক পরিচিতি পান খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘সুজন সখী’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে। ১৯৭৫ সালের এই সিনেমায় সুজন চরিত্রে তাঁর স্বাভাবিক ও আবেগঘন অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে। তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন কবরী।

এরপর আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমনি’ সিনেমায় নয়ন চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন ফারুক। গ্রামীণ এক যুবকের চরিত্রে তাঁর সহজাত অভিনয় দর্শকের মনে গভীর ছাপ ফেলে। পরবর্তীতে ‘সারেং বউ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘লাঠিয়াল’, ‘লাল কাজল’সহ একাধিক সিনেমায় গ্রামীণ মানুষের চরিত্রে অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন অনন্য।

ফারুকের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল গ্রামীণ মানুষের আবেগ, প্রতিবাদ, জেদ ও ভালোবাসাকে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে পর্দায় তুলে ধরা। চলচ্চিত্রের শিক্ষক ও নির্মাতা মতিন রহমানের মতে, ফারুক গ্রামীণ মানুষের স্বভাবগত জিদ, তাড়না ও প্রতিবাদের ভাষা অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন। তাঁর অভিনয়ের এই সহজাত ভঙ্গিই তাঁকে অন্য শিল্পীদের থেকে আলাদা করেছে।

‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ সিনেমার একটি দৃশ্য তাঁর অভিনয়প্রতিভার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আছে। সিনেমায় মিলন চরিত্রে অভিনয় করা ফারুককে বিষ খাওয়ানো হয়। বিষক্রিয়ার যন্ত্রণা মুখের অভিব্যক্তির মাধ্যমে প্রায় আড়াই মিনিটের একটি দৃশ্যে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি। সংলাপ ছাড়াই তাঁর অভিনয় দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছিল।

সত্তর ও আশির দশককে ফারুকের ক্যারিয়ারের স্বর্ণসময় বলা হয়। সে সময় গ্রামীণ পটভূমির কোনো গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা হলে পরিচালকদের পছন্দের তালিকায় থাকতেন ফারুক। তাঁর অভিনীত ‘নয়নমনি’, ‘সুজন সখী’, ‘সারেং বউ’ ও ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’সহ বহু সিনেমা আজও দর্শকের কাছে স্মরণীয়।

ফারুকের জনপ্রিয় ‘মিয়া ভাই’ পরিচয়ের পেছনেও রয়েছে তাঁর অভিনয়ের স্বকীয়তা। চরিত্রকে শুধু অভিনয় না করে নিজের মধ্যে ধারণ করতেন তিনি। পর্দায় তাঁর আচরণ, কথা বলার ধরন ও স্বাভাবিক অভিনয় দর্শকের কাছে তাঁকে আপন করে তুলেছিল।

তবে আশির দশকের শেষভাগ থেকে বাংলা সিনেমায় গ্রামীণ পটভূমির গল্প ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সিনেমার গল্পে শহুরে জীবন, চাকচিক্য ও নতুন ধরনের উপস্থাপনা জায়গা করে নেয়। ফলে ফারুকের মতো গ্রামীণ চরিত্রে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অভিনয় করতে পারা নায়কদের জন্যও সুযোগ কমে যায়।

ফারুকের জন্ম মানিকগঞ্জের ঘিওরের এক গ্রামে হলেও তাঁর বেড়ে ওঠা পুরান ঢাকায়। ছোটবেলা থেকেই তিনি পুরান ঢাকার সাংস্কৃতিক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এইচ আকবর, এ টি এম শামসুজ্জামান ও প্রবীর মিত্রের মতো শিল্পী-নির্মাতাদের সংস্পর্শ তাঁর অভিনয়জীবনকে সমৃদ্ধ করে। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে মেশার অভিজ্ঞতা পরবর্তী সময়ে চরিত্র নির্মাণে তাঁকে সহায়তা করেছে।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ফারুক পেয়েছেন নানা স্বীকৃতি। ‘লাঠিয়াল’ সিনেমার জন্য ১৯৭৫ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। পরে ২০১৬ সালে অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন।

অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন ফারুক। তিনি ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রায় পাঁচ দশকের বর্ণিল ক্যারিয়ার শেষে ২০২৩ সালের ১৫ মে না-ফেরার দেশে পাড়ি জমান এই কিংবদন্তি অভিনেতা।

তবে পর্দায় তাঁর রেখে যাওয়া চরিত্রগুলো এখনো দর্শকের মনে জীবন্ত। গ্রামের সহজ-সরল মানুষ থেকে প্রতিবাদী যুবক—বিভিন্ন চরিত্রে ফারুকের অভিনয় তাঁকে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্বতন্ত্র এক অবস্থান দিয়েছে। আর সেই কারণেই তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, দর্শকের কাছে চিরকালীন ‘মিয়া ভাই’।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।