খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২১ ভাদ্র, ১৪৩৩

হালাল শিল্প বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবকল্যাণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে: তথ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হালাল শিল্প বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবকল্যাণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে: তথ্যমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক: 

হালাল খাদ্যসংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, সমগ্র মানবসভ্যতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও শক্তিতে পরিণত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেছেন, হালাল পণ্য ও সংস্কৃতির বিকাশ শুধু ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবকল্যাণও সরাসরি জড়িত।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে মালয়েশিয়ান হাইকমিশন আয়োজিত ‘থিংক হালাল, গ্রো গ্লোবাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বিশ্ববাজারে হালাল খাদ্যের বিশাল বাজার রয়েছে। ভোক্তা ও বিনিয়োগকারী—উভয় পক্ষই এ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রস্তুত। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া যৌথভাবে এ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে হালাল শিল্পের বিকাশ এবং বিশ্ববাজারে এর পরিধি বাড়াতে পারে।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার অভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের কথা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশ তাদের অভিন্ন মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হালাল শিল্পের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তিনি উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সঠিক ধারণা, প্রয়োজনীয় তথ্য, জ্ঞান ও সুনির্দিষ্ট ব্যবসায়িক কাঠামো তৈরি করা জরুরি। জ্ঞান ও সঠিক ধারণার সমন্বয় ঘটাতে পারলে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যেও হালাল পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, কুয়ালালামপুর সফরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম যেভাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন, তা দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়া সরকার ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; জনগণের অভিন্ন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপরও এ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। হালাল শিল্প দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।

সেমিনারে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওথমান এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার শাহিদ বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার শীর্ষ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এবং হালাল শিল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাটোর-রাজশাহী রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাস মালিকদের দ্বন্দ্বের জেরে রাজশাহী-নাটোর রুটে দুই জেলার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে অন্যান্য জেলার বাসগুলো নাটোরের ওপর দিয়ে রাজশাহী রুটে চলাচল করছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে এ অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। দিনভর দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সমাধান না হওয়ায় বিকেল পর্যন্ত ওই রুটে বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

নাটোরের পরিবহন শ্রমিকরা জানান, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস চলাচলকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী বাসস্ট্যান্ডে আরপি রোকেয়া ও তুহিন পরিবহণের শ্রমিকদের সঙ্গে রাজশাহীর শ্রমিকদের মারামারির ঘটনা ঘটে।

নাটোর পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বলেন, এ ঘটনার পর রাজশাহীর মালিকের একটি বাস নাটোরে আটকে রাখা হলেও পরে সেটি ছেড়ে দেওয়া হয়। কোনো শ্রমিককে মারধর করা হয়নি। বর্তমানে শুধু নাটোর ও রাজশাহীর মালিকদের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

নাটোর বাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার বলেন, রাব্বি পরিবহণের একটি বাস নিয়ম না মেনে রাজশাহী থেকে নাটোর হয়ে আলমডাঙ্গা রুটে চলাচলের উদ্যোগ নেয়। বাসটি চলাচলে নাটোর মালিক সমিতি সম্মতি না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে যাত্রীসহ নাটোরের তুহিন পরিবহণ, আরপি নাইচ পরিবহণসহ নয়টি বাস আটকে রেখে শ্রমিকদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এ ঘটনার পর থেকে রাজশাহীর কোনো বাস নাটোরের ওপর দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। একইভাবে নাটোরের মালিকদের বাসও রাজশাহী রুটে যাচ্ছে না। তবে ঢাকাগামী বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

অন্যদিকে রাজশাহী পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক ও রাব্বি পরিবহণের মালিক রজব আলী বলেন, জনদুর্ভোগ এড়াতে রাজশাহী থেকে আলমডাঙ্গা রুটে রাব্বি পরিবহণ চালানোর বিষয়ে নাটোর মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।

তিনি দাবি করেন, পরে রাতে নাটোরে রাব্বি পরিবহণের একটি বাস আটক করে এর শ্রমিককে মারধর করা হয়। এ খবর পাওয়ার পর রাজশাহীতে নাটোরের কয়েকটি বাস আটকে রাখা হয়। তবে রাজশাহীর শ্রমিকদের পক্ষ থেকে নাটোরের কোনো শ্রমিককে মারধরের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।

দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে রাজশাহী-নাটোর রুটে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, আমাদের বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি: খাদ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

 যোগফল প্রতিবেদক: 

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ নয়, দেশের মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি—এমন মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মানিকগঞ্জে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সুন্দর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে। এই সম্প্রীতি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার একটি পরিচয়—আমরা বাংলাদেশি। এটিই আমাদের বড় পরিচয়। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে হবে।’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আফরোজা খানম বলেন, তারা অতীতে যেভাবে তাঁর পাশে ছিলেন, এখনো আছেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন—এটাই তাঁর প্রত্যাশা। সুখের সময়ে না ডাকলেও দুঃখের সময়ে তাঁকে ডাকলে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন বলেও জানান।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণেই তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পেরেছেন। মানুষের পাশে থেকে তাদের জন্য কাজ করার মাধ্যমে সেই দায়িত্বের প্রতিদান দিতে চান তিনি।

জন্মাষ্টমীর আয়োজনকে একটি সুন্দর মিলনমেলা উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে সবার মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে, যা তাঁকে আনন্দিত করেছে।

অনুষ্ঠানে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান দেন খাদ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রণব কুমার সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার, শ্রী কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ ও বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন খাদ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


চট্টগ্রামে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে নতুন মডেলে কাজ শুরু: অর্থমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ

যোগফল প্রতিবেদক: 

চট্টগ্রাম মহানগরীতে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) নতুন মডেলে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর হোটেল রেডিসন ব্লুর একটি হলরুমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পানি সরবরাহ সেবার মান বাড়াতে নতুন পিপিপি মডেল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর ও দক্ষিণ পতেঙ্গার ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ উদ্যোগের যাত্রা শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে নগরীর পানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড যৌথভাবে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠান তিনটির মধ্যে তিন বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ খাবার পানি পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তবে সবকিছু শুধু সরকারের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। এ কারণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, এখন অর্থনীতির সংজ্ঞা বদলে গেছে। আগে সরকার একাই অনেক কাজ করত। বর্তমানে সরকারি সেবা সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পার্টনারশিপ মডেল প্রয়োগ করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই মডেল গড়ে তোলা হচ্ছে। এ ধরনের প্রকল্পের সুফল ধরে রাখতে রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি বর্ষাকালে চট্টগ্রাম নগরীর পানি নিষ্কাশন সমস্যাও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন (বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান) ইয়ান ভ্যান ডার লিন্ডেন উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারকে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম এবং ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়ামিন ফারুক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি ও জলবায়ু বিষয়ক প্রথম সচিব ইজে ক্রুজেন সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী ছিলেন। এ উদ্যোগে নেদারল্যান্ডস দূতাবাস আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের শুরুতে সিটি করপোরেশনের ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পানি সরবরাহের চাহিদা নিরূপণ করা হবে। এরপর সেখানে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি উদ্ভাবনী সরকারি-বেসরকারি পানি সরবরাহ মডেল পরীক্ষা করা হবে।

তাদের মতে, চট্টগ্রাম ওয়াসা, ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মধ্যে এটি এ ধরনের প্রথম আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা। বাংলাদেশের পানি সরবরাহ খাতে এ উদ্যোগ নতুন দিক উন্মোচন করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ম্যাক্স সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের উদ্যোগে পরিচালিত একটি সমীক্ষার পর এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম