খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

দ্রুত ভূমিসেবা ও মানবিকতায় প্রশংসিত কাপাসিয়ার এসিল্যান্ড নাহিদুল হক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দ্রুত ভূমিসেবা ও মানবিকতায় প্রশংসিত কাপাসিয়ার এসিল্যান্ড নাহিদুল হক

এসিল্যান্ড মো. নাহিদুল হক

মো: সজিব | কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাহিদুল হক দ্রুত ও সহজভাবে ভূমিসেবা নিশ্চিত করা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

 ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তিনি কাপাসিয়ায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার না হন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের কাজ সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন তিনি। স্থানীয় সেবাগ্রহীতাদের ভাষ্য, নামজারি, জমাখারিজ, ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন আবেদন, শুনানি ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাজে তিনি দ্রুততার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে তার দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ভূমি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যার মধ্যে নামজারি ও জমাখারিজ সংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়া, ভূমি সংক্রান্ত শুনানি, সরকারি খাসজমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি রেকর্ড ও খতিয়ানসংক্রান্ত নির্ধারিত কার্যক্রম, ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়, ভূমি সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকি অন্যতম। দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডেরও নজির রেখেছেন তিনি। সম্প্রতি জীবিকার তাগিদে চানাচুর বিক্রি করতে কাপাসিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এসেছিল আনুমানিক ১১ বছর বয়সী শিশু লাবিব। ছোট্ট লাবিবের সঙ্গে কথা বলে তার জীবনসংগ্রাম ও বাস্তবতার কথা জানতে পারেন এসিল্যান্ড মো. নাহিদুল হক। পরে শিশুটির প্রতি মানবিক সহমর্মিতা থেকে তিনি লাবিবকে ব্যক্তিগতভাবে *১ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন*। অপ্রত্যাশিত এই সহায়তা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে লাবিব এবং এসিল্যান্ড স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায়। স্থানীয়দের মতে, ভূমি অফিসে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কর্মকাণ্ডের কারণে মো. নাহিদুল হকের কার্যক্রম কাপাসিয়ায় ইতিবাচকভাবে আলোচিত হচ্ছে। স্থানীয় সেবাগ্রহীতারা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে ভূমি অফিসের সেবা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বার্তা বিভাগ | যোগফল অনলাইন 

শিশু শ্রেণির স্কুল প্রতিষ্ঠার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিশু শ্রেণির স্কুল প্রতিষ্ঠার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ, পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

ছবিতে পিতাপুত্র ও অভিযোগে কপি

হাসান মাহমুদ জয় | কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অনুমোদন ছাড়াই শিশুদের নিয়ে স্কুল পরিচালনা এবং সেই কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের দাতাদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে শুভ্র সেন শর্মা ও তার ছেলে রাজ্য সেন শর্মার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম সদর থানা, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ‘নিরন্তর ভালোবাসা’ নামে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের টার্গেট করে বিভিন্ন এলাকায় ভাড়ায় ঘর নিয়ে স্কুলের কার্যক্রম শুরু করা হয়। কয়েক মাস কার্যক্রম পরিচালনার পর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দাতা ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে অর্থ সংগ্রহের পর স্থান পরিবর্তনের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম শহরের পাওয়ার হাউস পাড়ায় সি.আর.সি স্কুল ও মক্তব অ্যান্ড ট্রাস্ট উন্নয়ন সমিতির একটি ঘর ২০২৪ সালের ৩ মার্চ পথশিশুদের পড়ানোর কথা বলে মাসিক এক হাজার টাকা ভাড়ায় নেন শুভ্র সেন শর্মা। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, ২৯ মাসের চুক্তির বিপরীতে মাত্র তিন মাসের ৩ হাজার টাকা ভাড়া পরিশোধ করে বাকি ২৬ মাসের ২৬ হাজার টাকা বকেয়া রেখেই ঘরটি তালাবদ্ধ করে চলে যান তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের ২৫ জুলাই দিবাগত রাতে ওই তালাবদ্ধ ঘরে চুরির ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের একটি সিলিং ফ্যান চুরি হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। একই সঙ্গে পাশের সি.আর.সি অফিসে থাকা ১০টি সেলাই মেশিন নিয়েও চুরির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে, বকেয়া ভাড়া ও অন্যান্য বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া না পাওয়ায় মজনুজ্জামান মজনু পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে সহযোগী হিসেবে আবু সাঈদ মোল্লার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীর দাবি, শুভ্র সেন শর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ার পর তার ছেলে রাজ্য সেন শর্মা সহযোগীদের নিয়ে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হেনস্তা করেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে এ বিষয়েও পৃথক অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী মজনুজ্জামান মজনু বলেন, “আমি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।"

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শুভ্র সেন শর্মার বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, এ সংক্রান্ত অভিযোগ থানায় জমা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমের নামে অর্থ সংগ্রহ, অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং অভিযোগে উত্থাপিত অন্যান্য বিষয়গুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা উচিত।

বার্তা বিভাগ | যোগফল অনলাইন নিউজ 

কৃষাণ-কৃষাণীর মতবিনিময়ে সচেতনতার বার্তা ফলদ চারা বিতরণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কৃষাণ-কৃষাণীর মতবিনিময়ে সচেতনতার বার্তা ফলদ চারা বিতরণ

ব্যানার হাতে কৃষাণ-কৃষাণী

আব্দুল কাইউম | পাবনা প্রতিনিধি :

পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জালালপুর পূর্বপাড়ায় তৃণমূল কৃষাণ-কৃষাণীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, ফলজ ও বনজ গাছের চারা এবং সবজি বীজ বিতরণ করেছে লোকসংস্কৃতি পরিষদ পাবনা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) লোকসংস্কৃতি পরিষদ পাবনার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি জমিতে সারের সঠিক প্রয়োগ, কীটনাশকের ক্ষতিকর দিক, কৃষকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা, গাছ লাগানোর সঠিক পদ্ধতি এবং বীজ সংরক্ষণ বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজা খাতুন মুন্নি। কৃষক হাজী মকছেদ প্রামাণিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লোকসংস্কৃতি পরিষদ পাবনার আহ্বায়ক আব্দুল কাইউম তমাল।

আলোচনায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজা খাতুন মুন্নি কৃষকদের নিরাপদ ও সঠিক কৃষি পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানান।

 তিনি অতিরিক্ত ওষুধ ও সারের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন।

পরে উপস্থিত কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে বিভিন্ন জাতের ফলজ ও বনজ গাছের চারা এবং সবজি বীজ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে গাছ লাগানোর কর্মসূচিও পালন করা হয়।

এ সময় মো. জামাল মন্ডল, মো. কামাল মন্ডল, হাসেম প্রাং, সাদাত বাহার, শুকরাজ সোহেল, মো. শিবলী, মো. হিমেলসহ স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।

বার্তা বিভাগ | যোগফল অনলাইন 

২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ৯:০১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। এর মধ্যে ৩৪৩টি বৈধ ভোট পড়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশ্যে ভোট গণনা করা হয়। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

ভোটগ্রহণের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের পর ভোট দেন মির্জা ফখরুল। এ সময় সংসদে উপস্থিত দলীয় সদস্যরা করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানান। অধিবেশন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিএনপির মহাসচিব, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্বের অবসান ঘটবে। আগামী শুক্রবার (২১ আগস্ট) তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন। শপথের পর সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করবেন তিনি।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পেরিয়ে বঙ্গভবনে

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮০-এর দশকে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। ১৯৮৮ সালের ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান মির্জা ফখরুল। ২০১১ সালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তাকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালনের পর ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলে তিনি বিএনপির মহাসচিব নির্বাচিত হন।

এর আগে মির্জা ফখরুল জাতীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা শেষে এবার দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার শপথের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবনে উঠবেন তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম