খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

ডারউইনের পর ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডারউইনের পর ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস

যোগফল প্রতিবেদক:

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণের সামনে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যাটিং করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছিল টাইগাররা। দুই ওপেনারের শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বড় জয়ও পেয়েছিল বাংলাদেশ।

কিন্তু ভেন্যু বদলাতেই যেন বদলে গেল পুরো চিত্র। ডারউইন থেকে ম্যাকাই—কয়েক দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারা। আগের ম্যাচে যে ওপেনিং জুটি দলকে শক্ত ভিত দিয়েছিল, ম্যাকাই টেস্টে তারা টিকতে পারলেন মাত্র ৩ বল।

মাত্র ৬.৪ ওভারে ১২ রান তুলতেই প্রথম পাঁচ ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্কের গতি, সুইং ও অতিরিক্ত বাউন্সের সামনে শুরু থেকেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন টাইগার ব্যাটাররা। শেষ পর্যন্ত টেলএন্ডারদের সামান্য প্রতিরোধে আরও বড় লজ্জা এড়ালেও বাংলাদেশ অলআউট হয় মাত্র ৬৪ রানে।

প্রশ্ন উঠেছে, ডারউইনে ইতিহাস গড়া দলটি কয়েক দিনের ব্যবধানে এমন ভয়াবহ ব্যাটিং ধসে পড়ল কেন? এর পেছনে একাধিক কারণ দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ব্যর্থতা

ম্যাচের আগেই উইকেটের আচরণ নিয়ে সতর্কবার্তা পাওয়া গিয়েছিল। শুরুতে ব্যাটারদের জন্য উইকেট কঠিন হবে—এমন ইঙ্গিতও ছিল। টস জিতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স তাই ব্যাটিংয়ের বদলে বোলিং বেছে নেন।

নতুন বলে গতি, সুইং ও বাউন্স কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটারদের একের পর এক সমস্যায় ফেলেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম কয়েক ওভারেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে কন্ডিশন কঠিন হলেও পেশাদার ব্যাটারদের কাছ থেকে পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশাই থাকে।

ভুল শট নির্বাচন

বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্য শুধু অস্ট্রেলিয়ার বোলিংকে দায়ী করা যাবে না। ব্যাটারদের ভুল শট নির্বাচনও বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

টেস্ট ক্রিকেটে প্রতিটি বল খেলার চেষ্টা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী ছেড়ে দেওয়াই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশল। বিশেষ করে অফ স্টাম্পের বাইরের বল নিয়ে ধৈর্য ধরতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের টপ অর্ডারের বেশ কয়েকজন ব্যাটার অপ্রয়োজনীয় শট খেলতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন।

তানজিদ হাসান তামিম ও মুমিনুল হকের আউটও ছিল আলোচনায়। কিছু শটকে ধারাভাষ্যকাররা ‘অলস শট’ কিংবা ‘নাথিং শট’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অর্থাৎ বলের গুণগত মানের চেয়ে ব্যাটারদের সিদ্ধান্তই অনেক ক্ষেত্রে বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

আত্মবিশ্বাস থেকে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস?

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল। কিন্তু ম্যাকাইয়ে এসে সেই আত্মবিশ্বাসই কোনো কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে পরিণত হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।

উইকেটে কিছুটা সময় কাটিয়ে পরিস্থিতি বুঝে নেওয়ার বদলে কয়েকজন ব্যাটার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে উইকেট হারিয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটে সামান্য ভুলেরও বড় মূল্য দিতে হয়—ম্যাকাইয়ে সেটিই হয়েছে।

চাপও কি প্রভাব ফেলেছে?

ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের পর বাংলাদেশের কাছ থেকে দ্বিতীয় টেস্টেও ভালো পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার জয়ের পর সমর্থকদের প্রত্যাশার চাপও বেড়ে যায়।

সম্ভবত সেই চাপের প্রভাবও কিছুটা পড়েছে ব্যাটিংয়ে। প্রথম টেস্টে যে ধৈর্য ও শৃঙ্খলা দেখা গিয়েছিল, দ্বিতীয় টেস্টের শুরুতে সেটি অনুপস্থিত ছিল। দ্রুত রান করার কিংবা পরিস্থিতির বাইরে গিয়ে কিছু করার চেষ্টা করতে গিয়ে একের পর এক উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন ব্যাটাররা।

সব মিলিয়ে ম্যাকাইয়ের ৬৪ রানের ইনিংস শুধু অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত বোলিংয়ের ফল নয়; এর সঙ্গে বাংলাদেশের ভুল শট নির্বাচন, কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারা এবং মানসিক চাপও বড় ভূমিকা রেখেছে। ডারউইনের জয় তাই যেমন বাংলাদেশের সামর্থ্যের প্রমাণ, ম্যাকাইয়ের ব্যাটিং ধস তেমনি টেস্ট ক্রিকেটে ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও পরিস্থিতি বুঝে খেলার গুরুত্বও নতুন করে সামনে এনেছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।