খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

‘ধর্মীয় কারণে নয়’, নদী ভাঙন ও কৃষকের ধান রক্ষায় নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘ধর্মীয় কারণে নয়’, নদী ভাঙন ও কৃষকের ধান রক্ষায় নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি

যোগফল প্রতিবেদক: 

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার সুনাই নদীতে আগামী ২৮ আগস্ট অনুষ্ঠেয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে। কয়েকটি গণমাধ্যমে ‘তৌহিদী জনতা’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি জানানোর খবর প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে যুক্ত ব্যক্তিদের কয়েকজন জানিয়েছেন, এর পেছনে কোনো ধর্মীয় কারণ নেই। বরং নদীভাঙন ঠেকানো, নদীর দুই তীরে থাকা কৃষিজমি ও ধানের ক্ষতি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা এ আয়োজন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার

নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন স্থানীয় যুবক মাসুম বিন নুর উদ্দিন। গত ১৮ আগস্ট রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টার প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে ‘তৌহিদী জনতা লাউতা ইউনিয়ন’ নামটি দেখা যায়।

পরে আরেকটি পোস্টারে ‘সুনাই নদীতে আগত নৌকাবাইচ বন্ধের প্রতিবাদে পরামর্শ সভা’ লেখা হয়। সেখানে সবাইকে সভায় উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

তবে শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কালবেলা অনলাইনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় মাসুম বিন নুর উদ্দিন দাবি করেন, পোস্টারে ‘নৌকাবাইচ বন্ধের প্রতিবাদে’ কথাটি ভুল করে লেখা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, তিনি ব্যক্তিগতভাবে নৌকাবাইচ বন্ধের পক্ষে, তবে এর সঙ্গে ধর্মীয় কোনো বিষয় জড়িত নয়। নদীভাঙন ঠেকানো এবং কৃষকদের ধান রক্ষার বিষয়টিই তাঁর মূল উদ্বেগ।

পরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ওই পোস্টারটি সরিয়ে নেন। তাঁর দাবি, পরামর্শ সভার আয়োজকেরাই তাঁকে পোস্টার তৈরির দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

সভায় নদীভাঙন ও কৃষকের ক্ষতির বিষয়টি উঠে আসে

গত ২০ আগস্ট বারিগ্রাম বাজার মসজিদে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে স্থানীয় আলেম ও মুরব্বিদের বক্তব্য নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন মাসুম বিন নুর উদ্দিন। ভিডিওটি ‘মুক্ত বাতাস’ নামের একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যগুলোর বড় অংশজুড়ে নদীভাঙন, কৃষকের ধান রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয় উঠে আসে। কোথাও কোথাও ধর্মীয় অবস্থানের কথা বলা হলেও নৌকাবাইচকে সরাসরি ধর্মবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

সভায় নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে জুয়ার আসর বসার অভিযোগও তোলা হয়। পাশাপাশি অতীতে নৌকাবাইচ ও সংশ্লিষ্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।

স্থানীয় এক আলেম বলেন, এলাকার পরিবেশ সুন্দর রাখা, বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা এবং নদীভাঙন ঠেকানোর স্বার্থে নৌকাবাইচ বন্ধ করা প্রয়োজন।

‘এটি ধর্মীয় নয়, সামাজিক ও জনস্বার্থের বিষয়’

প্রবীণ আলেম মাওলানা নুরুর রহমান মাসুক বলেন, নৌকাবাইচ বন্ধের দাবি কোনো ধর্মীয় বিষয় নয়; এটি সামাজিক ও জনস্বার্থের বিষয়।

তিনি বলেন, ‘তৌহিদী জনতা’ কিংবা নাগরিক সমাজের নামে কারা ব্যানার করেছে, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন। তবে এলাকার সচেতন নাগরিকদের মূল দাবি হলো, ওই এলাকায় আর নৌকাবাইচ আয়োজন না করা।

তাঁর দাবি, অতীতে নৌকাবাইচকে কেন্দ্র করে দুই নৌকার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। এ ছাড়া নৌকাবাইচের পাশের এলাকায় গানের আসরকে কেন্দ্র করে গুরুতর অপরাধের ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

নৌকাবাইচের পক্ষেও মত

তবে স্থানীয়দের একটি অংশ নৌকাবাইচ বন্ধের দাবির সঙ্গে একমত নয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, নৌকাবাইচ আয়োজনের কারণে নদীর বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই। জুয়ার আসর বসলে তা বন্ধ করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

তাঁদের মতে, নৌকাবাইচ একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। কোনো অনিয়ম বা অপরাধের আশঙ্কা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না করে পুরো আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া সমাধান নয়।

ফলে সুনাই নদীর নৌকাবাইচকে ঘিরে একদিকে কৃষিজমি রক্ষা, নদীভাঙন ও আইনশৃঙ্খলার বিষয় তুলে ধরে আয়োজন বন্ধের দাবি উঠেছে, অন্যদিকে স্থানীয়দের একটি অংশ এটিকে ঐতিহ্যবাহী আয়োজন হিসেবে চালু রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় দুই ধরনের মত তৈরি হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।