খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

গুমের আগে উত্তরার যে ফ্ল্যাটে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গুমের আগে উত্তরার যে ফ্ল্যাটে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

যোগফল প্রতিবেদক:

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জোরপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অন্যতম। ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্রায় দুই মাস নিখোঁজ থাকার পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে তার সন্ধান পাওয়া যায়।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দীর্ঘদিন আগের সেই আলোচিত ঘটনার নানা তথ্য নতুন করে সামনে এসেছে। গুম হওয়ার আগে সালাহউদ্দিন আহমদ কোথায় ছিলেন, কীভাবে তাকে উত্তরার ওই ফ্ল্যাটে নেওয়া হয়েছিল এবং ঘটনার দিন সেখানে কী ঘটেছিল—এসব বিষয়ে চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দিয়েছেন ওই ফ্ল্যাটের মালিক ও তার ঘনিষ্ঠজন সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

২০১৫ সালের শুরুতে বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই সময় দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদকে দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় কর্মসূচি ও আন্দোলনের বিষয়ে বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা দিতেন।

সৈয়দ হাবিব হাসনাতের ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সালাহউদ্দিন আহমদকে খুঁজছিল। নিরাপত্তার কারণে তিনি গুলশানের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে অবস্থান পরিবর্তন করে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

হাবিব হাসনাত জানান, গুলশান এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর সালাহউদ্দিনকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একদিন দুপুরে সালাহউদ্দিন তাকে ফোন করে দ্রুত গুলশান ছাড়ার কথা জানান এবং তার উত্তরার ফ্ল্যাটে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পরে বিকেলে হাবিব হাসনাত নিজেই গাড়ি নিয়ে গুলশান থেকে সালাহউদ্দিনকে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়ালও ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে তারা পুলিশের চেকপোস্ট এড়িয়ে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে উত্তরায় পৌঁছান।

উত্তরার ফ্ল্যাটে যাওয়ার সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সন্দেহ এড়াতে হাবিব হাসনাত কৌশলের আশ্রয় নেন। তিনি দারোয়ানকে বাইরে পাঠিয়ে সালাহউদ্দিন ও তাবিথ আউয়ালকে দ্রুত ফ্ল্যাটে উঠিয়ে দেন। সেখানে আগে থেকেই একজন বাবুর্চি ও সহকারীকে রাখা হয়েছিল।

হাবিব হাসনাতের দাবি, এরপর ওই ফ্ল্যাট থেকেই সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে বিভিন্ন বিবৃতি ও ভিডিও বার্তা পাঠাতেন।

১০ মার্চের সেই রাত

হাবিব হাসনাতের বর্ণনা অনুযায়ী, ১০ মার্চ সন্ধ্যার পর তিনি উত্তরার ওই এলাকায় গেলে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি দেখতে পান। কয়েকটি সড়কের বাতি বন্ধ ছিল, দোকানপাটও ছিল বন্ধ। এমনকি এলাকার খেলার মাঠগুলোতেও সাধারণ সময়ের মতো মানুষের উপস্থিতি ছিল না।

বাড়ির কাছে গিয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান দেখতে পান। বাড়ির ভেতরে ঢুকে তিনি দারোয়ানকে মনমরা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ফ্ল্যাটের দরজার কাছে গিয়ে দেখতে পান, দরজা ভাঙা।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে থাকা বাবুর্চি ও সহকারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ‘মেহমানকে তুলে নিয়ে গেছে।’

এরপর নিজের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত হয়ে পড়েন হাবিব হাসনাত। তিনি দ্রুত দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বিমানবন্দরে চলে যান। পরে দুবাই বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর উত্তরার থানার তৎকালীন ওসির ফোন পান বলে দাবি করেন তিনি।

বিদেশে গিয়েও নীরব থাকার হুমকি

হাবিব হাসনাত জানান, পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল।

তার দাবি, সালাহউদ্দিনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নেয়নি—তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছিল। বরং তিনি আত্মগোপনে গেছেন বলে প্রচার করা হয়।

হাবিব হাসনাত বলেন, একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে তাকে যুক্তরাষ্ট্র বা দুবাইয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সালাহউদ্দিনকে তার উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে তুলে নেওয়ার বিষয়টি জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তিনি সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। তবে পরে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে তাকে চুপ থাকার জন্য ফোনে হুমকি দেওয়া হয় বলে তার দাবি। এরপর তিনি আর সংবাদ সম্মেলন করেননি।

গুমের আগে কয়েক দফা অভিযান

সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়ার আগে ৭ মার্চ তার দুই চালক শফিক ও খোকন এবং ব্যক্তিগত সহকারী ওসমান গণিকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ৮ মার্চ সালাহউদ্দিনের সন্ধানে গুলশানের ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এবং ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ফ্ল্যাটে র‍্যাব তল্লাশি চালায়। ওই অফিস ও ফ্ল্যাটের মালিক ছিলেন সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

এরপর ১০ মার্চ উত্তরার ফ্ল্যাট থেকে সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর আগে গুলশানে তিনি যে বাসায় অবস্থান করছিলেন, সেখানেও একাধিকবার তল্লাশি চালানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

ঘটনার পর ঢাকার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তাকর্মীদের বরাতে খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, সালাহউদ্দিনকে তুলে নেওয়ার সময় ওই এলাকার কাছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি পিকআপ অবস্থান করছিল। তবে তাকে কারা তুলে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে সে সময় সরকারি কোনো সংস্থা দায় স্বীকার করেনি।

৬২ দিন পর শিলংয়ে সন্ধান

২০১৫ সালের ১০ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ৬২ দিন পর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে সালাহউদ্দিন আহমদের সন্ধান পাওয়া যায়। তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে সে সময় বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।

তবে তার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকে ঘিরে তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন বক্তব্যও দেওয়া হয়েছিল। সে সময় শেখ হাসিনা এবং সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী-এমপি দাবি করেছিলেন, সালাহউদ্দিন আত্মগোপনে থাকতে পারেন।

অন্যদিকে তার পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে শুরু থেকেই দাবি করা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল।

সালাহউদ্দিন আহমদের নিখোঁজ ও পরে ভারতে সন্ধান পাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুল আলোচিত একটি ঘটনা হয়ে আছে। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের প্রেক্ষাপটে সেই ঘটনার নতুন বর্ণনা আবারও সামনে আনল দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।