খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

১ সেপ্টেম্বর খুলছে সুন্দরবন, ফিরছেন জেলে-পর্যটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১ সেপ্টেম্বর খুলছে সুন্দরবন, ফিরছেন জেলে-পর্যটক

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলে ও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণসহ পর্যটন কার্যক্রম আবারও চালু হবে। একই সঙ্গে বন বিভাগের নির্ধারিত নিয়ম মেনে সুন্দরবনে প্রবেশের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদের উৎসের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান আধার। ১ সেপ্টেম্বর থেকে জেলে ও পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ফরেস্ট স্টেশনগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ জানায়, মাছের প্রজনন মৌসুম ও সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে জুন, জুলাই ও আগস্ট—এই তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। এ সময়ে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, গোলপাতা ও মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়।

দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞায় বননির্ভর জেলে পরিবারগুলো আর্থিক সংকটে পড়েছে। স্থানীয় জেলেরা জানান, সংসারের খরচ চালাতে অনেককে ধারদেনা করতে হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় এখন নৌকা ও জাল মেরামত করে আবার সুন্দরবনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরাও দীর্ঘ তিন মাস কর্মহীন ছিলেন। নীলডুমুর ট্রলার মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম জানান, সাতক্ষীরা রেঞ্জে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পাঁচ শতাধিক ট্রলার পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল। নিষেধাজ্ঞার সময়ে এসব ট্রলারের চালক ও শ্রমিকদের অনেকেই ধারদেনা করে সংসার চালিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, সুন্দরবনের বড় একটি অংশ অভয়ারণ্য হিসেবে বন্ধ থাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ এলাকায় বিষ দিয়ে মাছ শিকার ও হরিণ ধরার ফাঁদ পেতে থাকে। তাদের দাবি, মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য আরও বেশি এলাকা নির্দিষ্টভাবে উন্মুক্ত করা হলে অবৈধ শিকার কমানো সম্ভব হতে পারে।

নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবন খুলে দেওয়ায় একদিকে যেমন বননির্ভর মানুষের কর্মসংস্থান ফিরবে, অন্যদিকে পর্যটন খাতেও আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লি

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারতীয় নারী দলে খেলে বিশ্বকাপ জিততে চান ছেলে থেকে মেয়ে হওয়া অনয়া বাঙ্গার

 যোগফল প্রতিবেদক:

লিঙ্গ রূপান্তরের পর অবশেষে নারীদের ক্রিকেটে খেলার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়া বাঙ্গার। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাকে নারীদের বিগ ব্যাশ লিগে (ডব্লিউবিবিএল) খেলার অনুমতি দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের অনুমোদন পাওয়ার পর অনয়ার সামনে খুলেছে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার নতুন সুযোগ। তবে তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ভারতের নারী ক্রিকেট দলের হয়ে খেলা এবং দেশকে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেওয়া।

বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তাকে নারী ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয়নি। এ বিষয়ে অনয়া আশাবাদী, ভবিষ্যতে ভারতীয় বোর্ড বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে এবং তার মতো ক্রিকেটারদের জন্য নতুন নীতিমালা তৈরি করবে।

এক সাক্ষাৎকারে অনয়া বলেন, তিনি আশা করেন বিসিসিআই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং একদিন ভারতের নারী দলে খেলার সুযোগ পাবেন। দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতাকেই তিনি নিজের চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিসিসিআইয়ের অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে অনয়া বলেন, রূপান্তরের পর বোর্ডের নীরবতা তাকে গভীরভাবে হতাশ করেছে। তিনি জানতেন, লিঙ্গ রূপান্তরের পর ক্রিকেট চালিয়ে যাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে তার আশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্রিকেটারদের জন্য ভারতীয় ক্রিকেটে একটি স্পষ্ট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি তৈরি হবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার অনুমোদনের ফলে অনয়া এখন নারীদের ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ার এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেলেও ভারতের জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন পূরণে তাকে এখনও বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মালয়েশিয়া থেকে তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাস গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আফরোজা আব্বাস জানান, মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অনেকটাই ভালো। দেশে ফেরার জন্য তিনি বেশ আগ্রহী ছিলেন এবং গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে ফেরার তাগাদা দিয়ে আসছিলেন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে চিকিৎসক বোর্ড তাকে দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। তবে দেশে ফেরার পরও তার চিকিৎসা চলমান থাকবে। প্রতিদিন তাকে থেরাপি নিতে হবে এবং এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি ফিজিওথেরাপি নেন।

এরও আগে গত ১১ মার্চ রাজধানীর শাহজাহানপুরে নিজ বাসভবনে ইফতারের সময় হঠাৎ জ্ঞান হারালে তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন নিউরো বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল টিম তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিমানের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিমানের ভাড়া কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

 যোগফল প্রতিবেদক:

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুট বাড়ার পাশাপাশি আয়ও বাড়লে ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুটগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আয় বাড়বে। তখন সাধারণ যাত্রীদের জন্য বিমান ভাড়া আরও কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, একসময় হজযাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা ভাড়া নেওয়া হতো। পরে তা কমিয়ে প্রায় ১ লাখ টাকা করা হয়। গত হজে সর্বোচ্চ ভাড়া ধরা হয়েছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। চলতি বছর ডায়নামিক প্রাইসিং পদ্ধতিতে তা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

বিমান টিকিটের মূল্য নির্ধারণে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো যেভাবে পরিচালিত হয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

অভ্যন্তরীণ রুটে, বিশেষ করে ফ্লাইট ছাড়ার সময় ঘনিয়ে এলে টিকিটের দাম বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রকৃত বিমান ভাড়া প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা। এর সঙ্গে প্রায় ১৫ শতাংশ কর ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ যুক্ত হয়।

তিনি আরও জানান, ফ্লাইটের শেষ সময়ে টিকিটের মূল্য নিয়ে কারসাজি বা কালোবাজারি ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে যাত্রীরা যাতে টিকিট কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আপনাদের কখনো বেশি দামে এই টিকিট কিনতে হবে না। নির্ধারিত মূল্যেই টিকিট কিনতে পারবেন।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আর্থিক সক্ষমতা ধরে রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম