খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

‘সর্বকালের সেরা’ মেসির বিদায়ে আবেগে ভাসছেন সতীর্থরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘সর্বকালের সেরা’ মেসির বিদায়ে আবেগে ভাসছেন সতীর্থরা

 যোগফল প্রতিবেদক:

আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে দুই দশকের বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন লিওনেল মেসি। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে তার বিদায়ের খবরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন সতীর্থরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একের পর এক বার্তায় প্রিয় অধিনায়ককে স্মরণ করছেন তারা।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মেসি পেয়েছেন প্রায় সব ধরনের সাফল্য। বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের পাশাপাশি গড়েছেন অসংখ্য ব্যক্তিগত ও দলীয় রেকর্ড। তাই তার বিদায়ের ঘোষণা সতীর্থদের কাছেও যেন অবিশ্বাস্য এক মুহূর্ত।

মেসি তার বিদায়ী বার্তায় জানিয়েছিলেন, জাতীয় দলের হয়ে তার দেওয়ার মতো আর কিছু নেই। তবে সতীর্থ নিকো পাজ যেন সেই কথাটি মানতেই নারাজ। মেসির পোস্টে মন্তব্য করে তিনি লিখেছেন, ‘না, লিওওও। তোমার দেওয়ার মতো আরও অনেক বাকি আছে।’

মেসির সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়ার স্বপ্ন কতটা ছিল, তা আবেগঘন বার্তায় জানিয়েছেন এনজো ফার্নান্দেজ। তার ভাষ্য, ছোটবেলায় মেসির সঙ্গে একই দলে খেলার সুযোগ হবে কি না, সেটি ভেবে নিজের বয়সের সঙ্গে মেসির বয়স মিলিয়ে হিসাব করতেন তিনি।

সেই স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেয়। শুধু মেসির সঙ্গে খেলার সুযোগই নয়, তার নেতৃত্বে বিশ্বকাপও জিতেছেন এনজো। তিনি স্মরণ করে লিখেছেন, ‘ভাগ্য ভালো যে তুমি ফিরে এসেছিলে... আমরা একসঙ্গে ক্যাম্প করেছি, একই ড্রেসিংরুম ভাগ করেছি, কঠিন সময় পার করেছি এবং শেষ পর্যন্ত একসঙ্গে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছি।’

মেসিকে ছাড়া পরবর্তী জাতীয় দলের ক্যাম্প কল্পনা করাও কঠিন বলে জানিয়েছেন এনজো। তিনি বলেন, মাঠে মেসিকে আর ১০ নম্বর জার্সিতে না দেখার বিষয়টি অভ্যস্ত চোখের কাছে সহজ হবে না। ইতিহাসের অংশ হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য অধিনায়ককে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

মেসির দীর্ঘদিনের সতীর্থ রদ্রিগো দি পলও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। মেসির দেশের প্রতি ভালোবাসা, হার না মানার মানসিকতা এবং সতীর্থদের প্রতি তার আন্তরিকতার প্রশংসা করে তিনি তাকে ‘সর্বকালের সেরা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। দি পলের ভাষায়, মেসি তাদের জীবনে অসংখ্য আনন্দের মুহূর্ত এনে দিয়েছেন এবং তিনি ‘অমর’।

আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্টিনেজও মেসির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তার মতে, মাঠের সাফল্যের বাইরেও মেসি সতীর্থদের অনেক কিছু শিখিয়েছেন।

লাউতারো বলেন, প্রতিটি ব্যর্থতার পর আবার ঘুরে দাঁড়ানো, নীরবে পরিশ্রম করা এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখার শিক্ষা মেসির কাছ থেকেই পেয়েছেন তারা। তার নেতৃত্ব শুধু গোল, অ্যাসিস্ট কিংবা শিরোপায় সীমাবদ্ধ ছিল না; জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রেও তিনি সতীর্থদের সামনে একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন।

মেসির সাবেক সতীর্থ আনহেল দি মারিয়া অবশ্য দীর্ঘ কোনো বার্তা দেননি। মাত্র তিনটি শব্দে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি—‘চিরকালীন ধন্যবাদ, অধিনায়ক।’

আর্জেন্টিনার জার্সিতে দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে মেসি বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা জিতেছেন। ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি দেশের ফুটবল ইতিহাসেও তৈরি করেছেন নিজের অনন্য অধ্যায়।

তাই মেসির বিদায়ে সতীর্থদের বার্তায় ফুটে উঠেছে একই অনুভূতি—তিনি শুধু একজন অধিনায়ক নন, আর্জেন্টিনা ফুটবলের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।