খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

চাঁদপুরে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম, স্বস্তিতে ক্রেতারা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চাঁদপুরে ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম, স্বস্তিতে ক্রেতারা

যোগফল প্রতিবেদক:

চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে প্রায় চার মাস পর ইলিশের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে গত কয়েকদিনে জেলার বাজারগুলোতে ইলিশের দাম কেজিপ্রতি গড়ে প্রায় ৪০০ টাকা কমেছে। সরবরাহ বাড়ায় মাছঘাট ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও বেড়েছে ব্যস্ততা।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল জাটকা ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর গত চার মাস ধরে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৭০ মণ ইলিশ আসত। তবে গত কয়েকদিনে সরবরাহ বেড়ে প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ মণ ইলিশ আসছে।

মাছঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, তিন দিন আগেও এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৯০০ থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে সরবরাহ বাড়ায় তা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকায়। শহরের বিপণীবাগ কাঁচাবাজারে একই ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা।

এ ছাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি প্রায় ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বর্তমানে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগে এর দাম ছিল ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বর্তমানে ঘাটে আসা এসব ইলিশ পদ্মা নদীর টাটকা ইলিশ।

গত সোমবার চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটে দুই কেজি ওজনের একটি ‘রাজা ইলিশ’ কেজিপ্রতি সাড়ে ৪ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। মাছটির মোট দাম ছিল ৯ হাজার টাকা।

প্রবীণ মাছ বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, বড় ইলিশের স্বাদ তুলনামূলক ভালো হওয়ায় এর চাহিদাও বেশি।

ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান বলেন, বর্তমানে ইলিশের মূল মৌসুম চলছে। অমাবস্যার প্রভাবে গত ২৮ আগস্ট থেকে ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। আগামী অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়তে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

চাঁদপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবেবরাত সরকার বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ঘাটে ইলিশের আমদানি বেড়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ মণ ইলিশ আসছে। গত রোববারও প্রায় সাড়ে ৩৫০ মণ ইলিশের আমদানি হয়েছে। সামনে আরও বেশি ইলিশ পাওয়া গেলে দাম আরও কমতে পারে।

ইলিশের সরবরাহ বাড়ায় মাছঘাটের শ্রমিকদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। মাছ সংরক্ষণ ও প্যাকেটজাত করতে বরফকলগুলোতেও বেড়েছে কাজের চাপ। ব্যবসায়ীরা জানান, বরফে সংরক্ষণ ও প্যাকেটজাত করার পর ট্রাকে করে এসব ইলিশ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

এদিকে, মাছঘাটসংলগ্ন একটি কক্ষে অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের বা ‘রিজেক্টেড’ ইলিশের পেট থেকে ডিম সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেট করতে দেখা গেছে শ্রমিকদের।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, এক কেজি ইলিশের ডিমের প্যাকেট সাড়ে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। বড় ইলিশ থেকে সংগ্রহ করা ডিমের দাম আরও বেশি—কেজিপ্রতি ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এসব ডিম চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।

এ ছাড়া ডিম ছাড়ানোর পর কিছু ইলিশে হালকা কাটার দাগ দিয়ে লবণ মাখিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। পরে হলুদ মিশিয়ে শুকিয়ে তৈরি করা হয় ‘কাটা ইলিশ’। এসব কাটা ইলিশ কেজিপ্রতি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়। দেশের বিভিন্ন উত্তরাঞ্চলের জেলাতেও এর চাহিদা রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, শত বছরের পুরোনো চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাট জেলার সবচেয়ে বড় মাছের আড়তগুলোর একটি। ইলিশের মৌসুমে সরবরাহ বাড়ায় বর্তমানে ঘাটটিতে ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও ক্রেতাদের ব্যস্ততা বেড়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফরিদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, আহত ১৫

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফরিদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে বাস, আহত ১৫

 যোগফল প্রতিবেদক:

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ডাংগী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ফরিদপুর থেকে ভাঙ্গার দিকে যাচ্ছিল জে.আর পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি মহাসড়কের পাশের পুকুরে পড়ে যায়। আর ট্রাকটি সড়কের ওপর উল্টে যায়।

দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুকুরে পড়ে যাওয়া বাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের ওই অংশে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। সড়কের ওপর ট্রাক পড়ে থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মহাসড়কে বিপরীতমুখী যানবাহনের অসতর্ক চলাচলের কারণে এ সংঘর্ষ হতে পারে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন, অনুপস্থিত ৮-১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রশাসকের আকস্মিক পরিদর্শন, অনুপস্থিত ৮-১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী

যোগফল প্রতিবেদক:

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-২ (খিলগাঁও-তিলপাপাড়া) আঞ্চলিক কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। পরিদর্শনে ৮ থেকে ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তিনি ওই আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের শুরুতেই কার্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পরিদর্শন শুরুর পর বিলম্বে আসা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে প্রশাসক কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন।

এ সময় তিনি বিভিন্ন শাখার হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন। হাজিরা খাতা যাচাই করে ৮ থেকে ১০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। তাদের হাজিরা খাতায় তাৎক্ষণিকভাবে অনুপস্থিত হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন প্রশাসক।

অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আসলামকে নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিএসসিসি প্রশাসক। নাগরিকদের দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা এবং নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন প্রশাসক। এসব কার্যক্রম নিয়মিত সরেজমিনে মনিটরিং এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না। মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জেনারেল ওসমানীকে দীর্ঘদিন যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি: নাহিদ ইসলাম

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জেনারেল ওসমানীকে দীর্ঘদিন যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি: নাহিদ ইসলাম

 যোগফল প্রতিবেদক:

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ শ্রদ্ধা জানান।

পোস্টে নাহিদ ইসলাম বলেন, তীক্ষ্ণ মেধার অধিকারী এম এ জি ওসমানী ছাত্রজীবনেই কৃতিত্বের পরিচয় দেন। পরে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়ে সাহসিকতা, দক্ষতা ও নেতৃত্বের স্বাক্ষর রাখেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রাজনৈতিক নেতৃত্ব পূর্ণাঙ্গভাবে সংগঠিত হওয়ার আগেই ওসমানী স্বাধীনতা সংগ্রামের সামরিক নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে তৎকালীন বাঙালি সামরিক কর্মকর্তারা ঐক্যবদ্ধ হন এবং মুক্তিযুদ্ধকে একটি সুসংগঠিত সামরিক কাঠামোর আওতায় পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ পরিচালনার স্বার্থে প্রবাসী রাজনৈতিক সরকার গঠনের ক্ষেত্রেও ওসমানীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সমরকৌশল, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনায় তিনি অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দেন। তার নেতৃত্ব ও কৌশলের অধীনেই মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সফলতা অর্জন করেন।

স্বাধীনতার পর ওসমানীর রাজনৈতিক ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশে একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এম এ জি ওসমানী সংসদ ও আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এই মহানায়ককে দীর্ঘদিন বাংলাদেশের ইতিহাসে যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও স্মরণ করা হয়নি। অথচ মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান অনস্বীকার্য। তার নেতৃত্ব ও সাহসিকতা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম তার পরকালীন জীবনের শান্তি কামনা করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম