খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮ ভাদ্র, ১৪৩৩

ধান রোপণের সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধান রোপণের সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় জমিতে ধানের চারা রোপণের সময় বজ্রপাতে মো. দেলোয়ার হোসেন খান (৪২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চেঁচরী গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেলোয়ার হোসেন ওই গ্রামের মো. হারুন খানের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে নিজের জমিতে ধানের চারা রোপণ করছিলেন দেলোয়ার। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি জমিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

চেঁচরী রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শাহিন খান বলেন, মাঠে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে দেলোয়ারের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

কাঁঠালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) হারান চন্দ্র পাল জানান, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মেয়েদের স্বপ্নপূরণে খালি পায়ে দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন মা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেয়েদের স্বপ্নপূরণে খালি পায়ে দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন মা

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্বামীর মৃত্যুর পর দুই মেয়েকে নিয়ে কঠিন সংগ্রামের জীবন শুরু করেন ভারতের মহারাষ্ট্রের বীড জেলার রামাবাই রানভির। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে রান্নার কাজ বেছে নেওয়া ৪৭ বছর বয়সী এই নারী এবার মেয়েদের পড়াশোনার জন্য ম্যারাথনে অংশ নিয়ে খালি পায়ে দৌড়ে প্রথম হয়েছেন।

আম্বাজোগাইয়ের বাসিন্দা রামাবাই স্থানীয় একটি একাডেমিতে রাঁধুনির কাজ করেন। মুম্বাইয়ে এক দুর্ঘটনায় স্বামীর মৃত্যুর পর দুই মেয়েকে বড় করার পুরো দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। আর্থিক সংকট থাকলেও মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করতে চাননি তিনি।

বড় মেয়েকে আম্বাজোগাইয়ের একটি একাডেমিতে ভর্তি করানোর পর সেখানেই রান্নার কাজ নেন রামাবাই। প্রতিদিন সেখানে খাবার রান্না করেন তিনি। পাশাপাশি তার দুই মেয়ে পড়াশোনার সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিও চালিয়ে যাচ্ছেন।

এর মধ্যে স্থানীয় একটি সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ‘অমৃত দৌড়’ ম্যারাথন। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে ছিল ৩ হাজার রুপি। মেয়েদের পড়াশোনার কথা চিন্তা করে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রামাবাই।

সাধারণ শাড়ি পরে তরুণদের সঙ্গে দৌড়ে নামেন তিনি। শুরুতে স্যান্ডেল পরেই দৌড় শুরু করলেও কিছুক্ষণ পর স্যান্ডেল পা থেকে খুলে যেতে থাকে। একপর্যায়ে তা হাতে তুলে নিয়ে খালি পায়েই দৌড়াতে শুরু করেন রামাবাই।

রাস্তার ঠান্ডা ও পাথর—কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। শাড়ি সামলে একটানা দৌড়ে অন্য প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে শেষ পর্যন্ত সবার আগে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করেন তিনি। তার এই দৃঢ়তায় উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত দর্শকেরা।

জয়ের পর রামাবাই বলেন, দৌড়ে অনেক নারী অংশ নিয়েছিলেন। তবে পুরস্কারটি জিততে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। দৌড়ের পুরো সময় তার চোখের সামনে ছিল দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ।

পুরস্কারের ৩ হাজার রুপি কী করবেন, সেটিও আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছেন তিনি। রামাবাই জানান, ওই টাকা দিয়ে মেয়েদের জন্য বই কিনবেন।

এই ম্যারাথনে রামাবাইয়ের মেয়ে পূজাও অংশ নিয়েছিলেন। তিনি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। মায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে পূজাই তাকে উৎসাহ দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত মা-ই প্রথম হবেন, তা ভাবেননি তিনি।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ডায়াবেটিস থাকলে আলু খাওয়া যাবে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডায়াবেটিস থাকলে আলু খাওয়া যাবে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ

 যোগফল প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি রান্নাঘরেই আলুর ব্যবহার রয়েছে। ভর্তা, তরকারি, ভাজি কিংবা বিভিন্ন নাশতায় আলু খাওয়া হয় নানা উপায়ে। তবে ডায়াবেটিস থাকলে আলু খাওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই রয়েছে দ্বিধা।

পুষ্টিবিদ অমিতা গাদরের মতে, ডায়াবেটিস থাকলেই খাদ্যতালিকা থেকে আলু পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে আলুতে থাকা স্টার্চ শরীরে দ্রুত ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হতে পারে। ফলে বেশি পরিমাণে আলু খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

আলু খাওয়ার ক্ষেত্রে যা খেয়াল রাখবেন

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শুধু আলুর পরিমাণ নয়, রান্নার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। সেদ্ধ, বেক বা রোস্ট করা আলু অতিরিক্ত তেলে ভাজা আলুর তুলনায় ভালো বিকল্প। বিশেষ করে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো খাবারে অতিরিক্ত তেল ও ক্যালোরি যুক্ত হয়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তবে সেদ্ধ বা বেক করা আলু খেলেই রক্তে শর্করার ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না—এমনটি নয়। কারণ আলুর কার্বোহাইড্রেট ও স্টার্চ শরীরে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আলু একা না খেয়ে এর সঙ্গে প্রোটিন ও নন-স্টার্চি সবজি রাখার পরামর্শ দেন। যেমন—পরিমাণমতো আলুর সঙ্গে ডিম, মাছ, মুরগি বা ডাল এবং বিভিন্ন সবজি খাওয়া যেতে পারে। এতে পুরো খাবারের পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হয়।

কোন আলু তুলনামূলক ভালো?

বিভিন্ন ধরনের আলুর মধ্যে পুষ্টিগুণ ও স্টার্চের পরিমাণে পার্থক্য রয়েছে। বিশেষজ্ঞের মতে, মিষ্টি আলু এবং কিছু ওয়াক্সি ধরনের আলু, যেমন কারিসমা ও নিকোলা, সাধারণ সাদা আলুর কিছু জাতের তুলনায় তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে। এসব আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কিছু ক্ষেত্রে কম হতে পারে।

তাই ডায়াবেটিস থাকলেই আলু সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে—এমন নয়। বরং কতটা আলু খাওয়া হচ্ছে, কীভাবে রান্না করা হচ্ছে এবং খাবারের সঙ্গে অন্য কী কী উপাদান রাখা হচ্ছে, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

ব্যক্তিভেদে খাদ্যাভ্যাস ও রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ ভিন্ন হওয়ায় ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করাই সবচেয়ে ভালো।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হাতে রশি নিয়ে ঘুরছিলেন, পরে মিলল মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতে রশি নিয়ে ঘুরছিলেন, পরে মিলল মরদেহ

 যোগফল প্রতিবেদক:

পিরোজপুরের নেছারাবাদে একটি দোকান থেকে মো. আবুল মল্লিক (৫৫) নামে এক মুদি দোকানির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল মল্লিক ওই গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে মাঝে মাঝে তার আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা যেত। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারটি আর্থিক সংকটে ছিল।

একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও অসুস্থতার কারণে প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি আর কাজ করতে পারছিলেন না। পরে ধারদেনা করে বাড়ির সামনে একটি ছোট চায়ের দোকান দেন। তবে সেখান থেকেও পরিবারের আর্থিক সংকট কাটেনি।

নিহতের জামাতা আবীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার আবুল মল্লিককে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো রাতে তিনি নিজের চায়ের দোকানে ঘুমাতে যান। সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাকতে যান। এ সময় দোকানের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পান তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. হারুন বলেন, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও অসহায় অবস্থায় ছিলেন। অভাব-অনটনের কারণে তার পরিবারও নানা সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছিল।

নেছারাবাদ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় মজুমদার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম