খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

ফোনের এয়ারপ্লেন মোডের যেসব কাজ জানেন না অনেকেই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফোনের এয়ারপ্লেন মোডের যেসব কাজ জানেন না অনেকেই

 যোগফল প্রতিবেদক:

স্মার্টফোনের ‘এয়ারপ্লেন মোড’ নামটি শুনলেই অনেকের মনে হয়, উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময়ই শুধু এই ফিচার ব্যবহার করা হয়। তবে বাস্তবে বিমানের বাইরেও দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে এয়ারপ্লেন মোড বেশ কাজে আসে।

মোবাইল নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন বেতার সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ করার পাশাপাশি দুর্বল নেটওয়ার্ক এলাকায় ব্যাটারি সাশ্রয়, চার্জ দেওয়ার সময় বাড়তি শক্তি খরচ কমানো এবং কিছু সময়ের জন্য অনলাইন দুনিয়া থেকে দূরে থাকতেও এই ফিচার ব্যবহার করা যায়।

এয়ারপ্লেন মোড চালু করলে কী হয়?

এয়ারপ্লেন মোড চালু করলে সাধারণত ফোনের মোবাইল নেটওয়ার্ক, মোবাইল ডেটা, ওয়াই-ফাই ও ব্লুটুথ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কল, এসএমএস ও মোবাইল ডেটা ব্যবহার করা সম্ভব হয় না।

তবে আধুনিক অনেক স্মার্টফোনে এয়ারপ্লেন মোড চালু করার পর প্রয়োজন অনুযায়ী ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ আলাদাভাবে চালু করা যায়। জিপিএসের কার্যকারিতা ফোনের মডেল ও সেটিংসের ওপর নির্ভর করতে পারে।

বিমানে কেন ব্যবহার করা হয়?

উড়োজাহাজে এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ফোনের বেতার যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা। মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু থাকলে ফোন টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারে। তাই বিমান চলাচলের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এয়ারলাইন বা ক্রুদের নির্দেশনা অনুযায়ী এয়ারপ্লেন মোড চালু রাখতে বলা হয়।

আধুনিক অনেক বিমানে অনুমোদিত ওয়াই-ফাই সুবিধা থাকায় এয়ারপ্লেন মোড চালু রেখেও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা যায়।

দুর্বল নেটওয়ার্কে ব্যাটারি বাঁচাতে

নেটওয়ার্ক দুর্বল এলাকায় ফোন বারবার সিগন্যাল খুঁজতে থাকে। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত ব্যাটারি শেষ হতে পারে।

এমন জায়গায় মোবাইল নেটওয়ার্কের প্রয়োজন না থাকলে এয়ারপ্লেন মোড চালু করে রাখা যেতে পারে। এতে নেটওয়ার্ক অনুসন্ধান বন্ধ থাকায় ব্যাটারি কিছুটা বেশি সময় ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।

চার্জ দেওয়ার সময়ও উপকারী

ফোন চার্জে দেওয়ার সময় এয়ারপ্লেন মোড চালু করলে নেটওয়ার্ক-নির্ভর কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম, সিঙ্ক ও নোটিফিকেশনের কারণে হওয়া শক্তি খরচ কমতে পারে। ফলে কিছু ক্ষেত্রে ফোন তুলনামূলক দ্রুত চার্জ হতে পারে।

তবে এতে চার্জিংয়ের গতি নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়—এমন নয়।

নিতে পারেন ডিজিটাল বিরতি

পড়াশোনা, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, মিটিং কিংবা বিশ্রামের সময় ফোনের অনলাইন সংযোগ থেকে সাময়িক বিরতি নিতে এয়ারপ্লেন মোড বেশ কার্যকর।

এটি চালু থাকলে অনলাইনভিত্তিক কল, বার্তা ও বিভিন্ন অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ থাকে। ফলে কিছু সময়ের জন্য ফোনের ব্যস্ততা থেকে নিজেকে দূরে রাখা সহজ হয়।

নেটওয়ার্কের সমস্যা সমাধানেও কাজে লাগে

অনেক সময় ফোনে মোবাইল নেটওয়ার্ক ঠিকমতো কাজ না করলে কয়েক সেকেন্ডের জন্য এয়ারপ্লেন মোড চালু করে আবার বন্ধ করলে সংযোগ ফিরে আসতে পারে। এতে ফোন নতুন করে নেটওয়ার্ক খোঁজার সুযোগ পায়।

তবে দীর্ঘস্থায়ী বা বড় ধরনের নেটওয়ার্ক সমস্যার স্থায়ী সমাধান এটি নয়।

রোমিং খরচ এড়াতে

বিদেশ ভ্রমণের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত মোবাইল ডেটা ব্যবহার ও রোমিং চার্জ এড়াতেও এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় ফোন ভুল করে অন্য দেশের নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখতে এটি কার্যকর হতে পারে।

প্রয়োজনে এয়ারপ্লেন মোড চালু রেখেই ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ আলাদাভাবে সক্রিয় করা যায়। অর্থাৎ মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রেখেও প্রয়োজনীয় ওয়াই-ফাই বা ব্লুটুথ সংযোগ ব্যবহার করা সম্ভব।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।