খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে কথিত সাংবাদিক গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে কথিত সাংবাদিক গ্রেপ্তার

যোগফল প্রতিবেদক: 

ফেসবুকে একের পর এক আপত্তিকর পোস্ট ও ভিডিও ছড়িয়ে এক নারী বিউটিশিয়ানকে মানসিকভাবে হয়রানি ও আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে মোংলায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রেজা মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪০)। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। নিজেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে সাইবার হুমকি ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মোংলা পৌর শহরের সিঙ্গাপুর মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে মোংলা থানা পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

আদালতের নির্দেশে মামলা

পুলিশ জানায়, সাইবার হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলের শিকার এক নারীর ভাই গত ৩০ আগস্ট বাগেরহাট আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ডের জন্য মোংলা থানাকে নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর বুধবার বিকেলে পুলিশ সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রেকর্ড করে।

মামলার অন্য দুই আসামি হলেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শেখ নাছিরুল হক সোহেল (৪০) ও মোংলা পৌর শহরের জিনিয়া আক্তার (২৯)।

ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্টের অভিযোগ

মামলার বাদী মো. আল-আমিন অভিযোগ করেন, তার বোন কাজী কেয়া মোংলা পৌরসভার কবরস্থান রোড এলাকায় ‘কেয়া ব্রাইডাল লুকস বিউটি পার্লার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন।

অভিযোগে বলা হয়, প্রধান আসামি মাসুদ রানা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দুটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কাজী কেয়াসহ মোংলার বিভিন্ন ব্যক্তি ও নারীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যসহ পোস্ট করে আসছিলেন।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, এসব পোস্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখানো ও ব্ল্যাকমেইল করা হতো। বিশেষ করে কাজী কেয়াকে অনৈতিক দাবি ও অর্থের জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই মাসুদ রানা তার ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি থেকে কাজী কেয়ার বিরুদ্ধে একাধিক আপত্তিকর, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত স্ট্যাটাস ও ভিডিও প্রকাশ করেন। পরে সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে অভিযোগ করা হয়।

একপর্যায়ে কাজী কেয়া তার শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে ঘটনার বর্ণনা দেন এবং আত্মহত্যার প্রস্তুতির কথা জানান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

আরও ভুক্তভোগীর অভিযোগ

বাদীপক্ষের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নারীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে তাদের সামাজিক ও মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে। মোংলা পৌর শহর ও উপজেলার আরও অনেক নারী-পুরুষ একই ধরনের সাইবার হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে রেজা মাসুদ গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন এলাকায় কথিত ভুক্তভোগীদের মিষ্টি বিতরণ ও স্বস্তি প্রকাশের খবর পাওয়া গেছে।

রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রেজা মাসুদ নিজেকে সাবেক ছাত্রদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। পরে মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিকের সঙ্গে পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ককে প্রভাব বিস্তারের কাজে ব্যবহার করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও নারীর বিরুদ্ধে পোস্ট করা, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং পরে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেজা মাসুদ বা তার পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পুলিশের বক্তব্য

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার রেজা মাসুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা ব্যক্তিকে সাইবার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ রয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।