খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

নেপালের সেই টানেলে আর জীবিত কেউ নেই, মিলল আরও এক মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেপালের সেই টানেলে আর জীবিত কেউ নেই, মিলল আরও এক মরদেহ

 যোগফল প্রতিবেদক:

নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েও নতুন করে কোনো জীবিত ব্যক্তির সন্ধান পায়নি উদ্ধারকারী দল। তবে টানেলের ভেতর থেকে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে সেখানে আটকে থাকা আর কাউকে জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানেলের ভেতর থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধারের পর উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করা হয়। সাত সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল টানেলের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত তল্লাশি চালায়। তবে জীবিত উদ্ধার হওয়া দুজন ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায়নি।

দেশটির আর্মড পুলিশ ফোর্সের (এপিএফ) সদস্য অম্বর মাহাত জানান, উদ্ধারকারী দল টানেলের প্রতিটি অংশে পৌঁছে তল্লাশি চালিয়েছে। কিন্তু সেখানে কেবল কাদা, মাটি ও পলিমাটি পাওয়া গেছে। কোথাও কোথাও বড় বড় পাথরও পড়ে রয়েছে।

সম্প্রতি ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর এপিএফের ধসে পড়া স্থাপনা অনুসন্ধান ও উদ্ধার ইউনিটের প্রধান কনস্টেবল পবন বাহাদুর তামাংয়ের নেতৃত্বে সাত সদস্যের দলটি টানেলে প্রবেশ করে। পরে নেপালি সেনাবাহিনীর একটি দলও তাদের সঙ্গে উদ্ধার অভিযানে যোগ দেয়।

উদ্ধারকারীরা টানেলের ভেতরে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে প্রতিটি অংশ তল্লাশি করেন। প্রবল পানির চাপের কারণে টানেলের ওপরের কিছু স্ল্যাবও ধসে পড়েছে বলে জানান অম্বর মাহাত।

তিনি বলেন, পাওয়ারহাউস ভবনের পাশ থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। তবে টানেলের ভেতরে তল্লাশির সময় আর কোনো মানুষের কণ্ঠস্বর শোনা যায়নি।

জীবিত উদ্ধার হওয়া সঞ্জয় সাহ জানান, তিনি পাওয়ারহাউসের ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। অন্যরা বের হয়ে গেলেও তিনি বের হতে পারেননি। বর্তমানে কাঠমান্ডুর আর্মি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

এপিএফের মুখপাত্র নেত্র বাহাদুর কার্কিও জানান, উদ্ধারকারী দল টানেলের সবচেয়ে দূরের অংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। সেখানে একজনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এটিই ছিল টানেলের বাকি থাকা শেষ অংশ। সেখানে আর কাউকে পাওয়া যায়নি।

নেপালি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তাও টানেলের ভেতরে আর কোনো ব্যক্তির সন্ধান না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ত্রিশূলী হাইড্রোপাওয়ার স্টেশনের প্রধান আভাস ওঝা জানান, সেনাবাহিনী ও এপিএফের দল আর কাউকে খুঁজে না পাওয়ায় উদ্ধার অভিযান বন্ধের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পের নিজস্ব কর্মীদের নিয়ে সম্ভাব্য স্থানগুলো আবারও পরিদর্শনের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যায় নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার পানির সঙ্গে আসা কাদা ও ধ্বংসাবশেষে প্রকল্পগুলোর বিভিন্ন টানেলও ঢেকে যায়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ৪২ জন কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ত্রিশূলী-১ প্রকল্পে ৫৫৭ জন, ত্রিশূলী-৩বি প্রকল্পে ১৯১ জন এবং রাসুওয়াগাধী প্রকল্পে ৯৩ জন কর্মী ছিলেন। বিভিন্ন নেপালি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের টানেলগুলোতে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।