খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

পুলিশ দেখে পালানোর সময় আসামির মৃত্যু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুলিশ দেখে পালানোর সময় আসামির মৃত্যু

 যোগফল প্রতিবেদক:

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পুলিশ দেখে দৌড়ে পালানোর সময় পড়ে গিয়ে মো. সোহাগ চৌধুরী (৩৫) নামে এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী ঈদ্রিস মিয়া বাজার, যা নবীর বাজার নামেও পরিচিত, এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহাগ চৌধুরী ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর উরিয়া গ্রামের নুর নবী চৌধুরীর ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে চরজব্বর থানার একটি দল সোহাগ চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের জন্য ঈদ্রিস মিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোহাগ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তিনি পড়ে গিয়ে আহত হন। পরে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ আরও জানায়, সোহাগ চৌধুরীর বিরুদ্ধে চরজব্বর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩২৩ ও ৫০৬(২) ধারায় অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালে দায়ের করা আরেকটি মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩০৭, ৩২৬, ৩৭৯, ৪২৭ ও ৩২৫ ধারাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সোহাগ চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশকে মামলার বাদীর সঙ্গে কথা বলতে দেখে তিনি দৌড়ে পালানোর সময় পড়ে গিয়ে আহত হন। পরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছেন তিনি। মরদেহ স্বজনরা নিয়ে গেছেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শিবপুরে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় ছেলে গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিবপুরে বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় ছেলে গ্রেপ্তার

 যোগফল প্রতিবেদক:

নরসিংদীর শিবপুরে পৈতৃক বাড়িতে বাবাকে ধারালো ছুরি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে শাকিল চৌধুরীকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজীপুরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত বাছেদ মিয়া (৬০) পেশায় কবিরাজি ওষুধ বিক্রেতা ছিলেন। তিনি শাকিল চৌধুরীর বাবা। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাছেদ মিয়া তার বড় ছেলে শাকিলকে নিয়ে একই কক্ষে ঘুমাতে যান।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টার দিকে বাছেদ মিয়ার আর্তনাদ শুনে তার ছোট ছেলে নূর নবী রাশেদ (২১) ও তার মা ছুটে যান। এ সময় শাকিল কুড়ালের উল্টো পাশের লোহার অংশ দিয়ে তার মায়ের মাথা ও কপালে আঘাত করেন। বাধা দিতে গেলে ছোট ভাই নূর নবী রাশেদকেও আঘাত করা হয়।

পরে ঘরের বাতি জ্বালিয়ে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, বাছেদ মিয়া খাটের ওপর গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। তার পেটের দুই পাশ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ছিল। স্বজনরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে শাকিল তাদেরও আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাছেদ মিয়ার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে শিবপুর মডেল থানার এসআই কামরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ সময় অফিসার ইনচার্জ কোহিনুর মিয়া ও সহকারী পুলিশ সুপার (শিবপুর সার্কেল) ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করেন।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিটি নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে নিহতের পেট থেকে উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া হামলায় ব্যবহৃত রক্তমাখা কুড়ালটি আসামির বসতঘরের শয়নকক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলে নূর নবী রাশেদ বাদী হয়ে শিবপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গাজীপুর মেট্রো এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার দিকে গাজীপুরের পূবাইল থানাধীন হায়দারাবাদ এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে পূবাইল থানা পুলিশের সহায়তায় শাকিলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল তার বাবাকে ছুরি দিয়ে পেটে একাধিক আঘাত করে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বিশ্বনাথে ৪ অসহায় পরিবার পেল নবনির্মিত ঘর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বনাথে ৪ অসহায় পরিবার পেল নবনির্মিত ঘর

 যোগফল প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নে সামাজিক ও মানবিক কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান সিডস অব সাদাকাহ’র উদ্যোগে চারটি অসহায় ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে নবনির্মিত ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের মান্দারবাজ গ্রামে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিডস অব সাদাকাহ’র শেল্টার প্রজেক্টের ৪৭৮, ৪৮০, ৪৮২ ও ৫০৪ নম্বর ঘর উদ্বোধন করা হয়। মোনাজাত ও ফিতা কাটার পর উপকারভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাজাঞ্চী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী। তিনি উপকারভোগী পরিবারের সদস্যদের হাতে নবনির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক ও লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আলী, বিশিষ্ট সমাজসেবী জুয়েল আহমেদ, আব্দুল মোক্তার হোসাইন, মাওলানা মোসাহিদ আলী, হাফিজ জামাল উদ্দিন, খালেদ আহমেদ মাসুম, আনোয়ার হোসাইন, শাহজাহান ও সাব্বির আহমেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ সময় সিডস অব সাদাকাহ’র প্রকল্প সুপারভাইজার হাবিবুর রহমান আবিদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

নবনির্মিত ঘর পেয়ে উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা সিডস অব সাদাকাহ’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, নিরাপদ ও স্থায়ী একটি ঘর তাদের জীবনে নতুন আশার সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারাও এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, অসহায় ও গৃহহীন মানুষের জন্য নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত মহৎ ও প্রশংসনীয় কাজ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর: ড. মুজিবুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর: ড. মুজিবুর রহমান

 যোগফল প্রতিবেদক:

সিলেটের বিশ্বনাথের কৃতি সন্তান ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী অধ্যাপক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) সদস্য ড. মুজিবুর রহমান বলেছেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে সন্তানদের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন ছাড়া বর্তমান বিশ্বের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। দেশের এক কোটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম ভিশন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের উদ্যোগে সংগঠনের সদস্য ও তাদের সন্তানদের মধ্যে ‘শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ বৃত্তি’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মুজিবুর রহমান বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কল্যাণ ও আর্তমানবতার সেবায় নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের এই অগ্রযাত্রায় সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এগিয়ে এসে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

সংগঠনের সভাপতি ও বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম জুবায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ১৪ জন সাংবাদিক ও তাদের সন্তানদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার নগদ বৃত্তি ও সনদপত্র দেওয়া হয়। বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্য মাওলানা শহীদুর রহমানের কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দি ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. শানুর আলী মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. জামাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের সদ্য প্রয়াত গোল্ডেন মেম্বার ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সুহেল আহমদ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি সংগঠনের অন্যান্য গোল্ডেন, সিলভার ও জেনারেল মেম্বারদের সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের ট্রেজারার তজম্মুল আলী রাজুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শিপন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ মো. নুর উদ্দিন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. জামাল মিয়া, সদস্য আব্দুস সালাম মুন্না, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, সুজিত দেব, মোস্তাক আহমদ মোস্তফা, মাজহারুল ইসলাম ও মো. জাহান মিয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিকে সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট ও গোল্ডেন মেম্বারশিপ সনদ প্রদান করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছর বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সদস্যদের কল্যাণ এবং বিশ্বনাথে আর্তমানবতার সেবার লক্ষ্য নিয়ে ৫০ লাখ টাকা মূলধনের টার্গেট নির্ধারণ করে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব ওয়েল ফেয়ার ফান্ডের যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ১৩ দিনের আপিলে ৫১ লাখ ২১ হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়। এরই মধ্যে প্রতিশ্রুত অর্থের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ফান্ডের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে। সেই মূলধনের মুনাফার ৮০ শতাংশ অর্থ দিয়ে প্রথমবারের মতো শিক্ষা ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ বৃত্তি প্রদান করা হলো।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম