খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

 যোগফল প্রতিবেদক:

jকুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম, প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে পাঠদান এবং শিক্ষকদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

লিখিত অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেন, ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর তাকে বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদে নিয়োগ দেন প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন। পরবর্তীতে এমপিওভুক্তি ও বেতন নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নেওয়া হয়। সংসার ও পৈতৃক সম্পদ বিক্রি করে তিনি ওই অর্থ পরিশোধ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে বিষয়ভিত্তিক প্যাটার্ন জটিলতার কথা বলে তার এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া বারবার আটকে যায়। একপর্যায়ে তাকে ভৌত বিজ্ঞান বিষয়ে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। দীর্ঘদিন বিনা বেতনে বিদ্যালয়ে পাঠদান করে আসার পরও তিনি এমপিওভুক্ত হতে পারেননি বলে দাবি করেন।

জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের শিক্ষক আবুল হোসেন অবসর গ্রহণ করলে পদটি শূন্য হয়। ওই পদে তাকে আবেদনের সুযোগ না দিয়ে প্রধান শিক্ষক এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন শিক্ষক চেয়ে চাহিদা পাঠান। একই সঙ্গে নিজের দেওয়া টাকা ফেরত চাইলে প্রধান শিক্ষক নানা টালবাহানা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক (বাংলা) সেলিনা খাতুন দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় তার নিয়মিত উপস্থিতি দেখানো এবং সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগও করা হয়েছে। তার পরিবর্তে ‘নিপা পারভীন’ নামে একজনকে প্রক্সি শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক না হওয়া সত্ত্বেও ওই প্রক্সি শিক্ষককে ইংরেজি ক্লাস নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত ও বৈধ ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় প্রধান শিক্ষক এককভাবে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রতিষ্ঠানের তহবিল বা শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার নিয়ে কথা বললে তাদের শোকজ, চাকরিচ্যুত করার হুমকি ও মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়।

এ ছাড়া বিদ্যালয়ের একজন আজীবন দাতার অভিযোগ, তিনি বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ২ লাখ টাকা অনুদান দিলেও প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বা সংশ্লিষ্ট নথিতে তার নাম যথাযথভাবে রাখা হয়নি। বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমেও তাকে অবহিত করা হয় না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন অভিযোগের কিছু অংশ স্বীকার করে বলেন, ওই শিক্ষকের কাছ থেকে নিয়োগের সময় ৩ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। তার দাবি, অর্থটি বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও নিয়োগ-সংক্রান্ত কাজে ব্যয় করা হয়েছে। প্রক্সি শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই শিক্ষক ভালোভাবেই ক্লাস নিচ্ছেন।

সহকারী শিক্ষক সেলিনা খাতুনের অনুপস্থিতির বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন, তিনি অসুস্থ। তার বেতন ইএফটির মাধ্যমে হওয়ায় বেতন প্রদানের বিষয়ে তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবেও কোনো অনিয়ম নেই বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্তের জন্য উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগের সত্যতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।