খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

সাইবার অপরাধীদের জালিয়াতি রোখার গোপন চাবিকাঠি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাইবার অপরাধীদের জালিয়াতি রোখার গোপন চাবিকাঠি

যোগফল প্রতিবেদক: 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি ‘ডিপফেক’ ভয়েস স্ক্যাম এখন বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। প্রিয়জনের অবিকল কণ্ঠস্বর নকল করে বিপদে পড়ার কথা জানিয়ে মুহূর্তের মধ্যে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা। এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একটি গোপন শব্দ বা ‘কোডওয়ার্ড’ নির্ধারণ করে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাসিন্দা এলিজাবেথ বেনজের অভিজ্ঞতা এ ধরনের প্রতারণার ভয়াবহতা তুলে ধরে। সম্প্রতি একটি ফোনকলে তিনি তার ১৬ বছর বয়সী ছেলে জনের কান্নাজড়িত কণ্ঠ শুনতে পান। ফোনে জানানো হয়, তার এক বন্ধু মারা গেছে। এরপর এক অচেনা ব্যক্তি ফোনটি নিয়ে বিপুল পরিমাণ মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা না দিলে ছেলেকে হত্যার হুমকি দেয়।

ছেলের বিপদের কথা শুনে আতঙ্কিত হয়ে টাকা দিতে ছুটছিলেন এলিজাবেথ। তবে শেষ মুহূর্তে তার জ্যেষ্ঠ সন্তানের মাধ্যমে জানতে পারেন, জন সম্পূর্ণ নিরাপদে ফুটবল মাঠে খেলছে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, ফোনকলটি ছিল এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি একটি ডিপফেক জালিয়াতি।

এলিজাবেথের পরিবারে আগে থেকেই একটি গোপন কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করা ছিল। কিন্তু আকস্মিক ভয় ও আতঙ্কের কারণে সেই মুহূর্তে তিনি কোডওয়ার্ডটির কথা মনে করতে পারেননি।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইনির্ভর স্ক্যাম এখন আর কাল্পনিক কোনো বিষয় নয়। বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার হয়ে তাদের জমানো অর্থ হারাচ্ছেন। প্রতারকরা মানুষের আবেগ ও ভয়কে কাজে লাগিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও ডিপফেক গবেষক হ্যানি ফারিদের মতে, গভীর রাতে হঠাৎ প্রিয়জনের বিপদের খবর কিংবা অস্বাভাবিক আর্থিক সহায়তার দাবি এলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বিচলিত হয়ে পড়ে। এ সময় আবেগের বশবর্তী না হয়ে ফোনকলটির সত্যতা যাচাই করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আগে থেকেই একটি গোপন শব্দ বা কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করে রাখা উচিত। এমন কোনো শব্দ, বাক্যাংশ বা পারিবারিক অভ্যন্তরীণ বিষয় বেছে নেওয়া যেতে পারে, যা পরিবারের সদস্যরা ছাড়া অন্য কারও জানার কথা নয়।

তবে শুধু কোডওয়ার্ড নির্ধারণ করে রাখলেই হবে না। জরুরি পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সেটি মনে করা এবং ব্যবহার করার অভ্যাসও তৈরি করতে হবে।

যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপফেক ভয়েস স্ক্যামে সাধারণত কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য করা যায়—

প্রথমত, অতিরিক্ত জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করা। প্রতারকরা এমনভাবে কথা বলে যাতে ভুক্তভোগী চিন্তা বা যাচাই করার সময় না পান।

দ্বিতীয়ত, অচিহ্নিত মাধ্যমে অর্থ দাবি করা। বিটকয়েন, গিফট কার্ড বা নগদ অর্থের মতো মাধ্যমে টাকা চাওয়া হতে পারে।

তৃতীয়ত, অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দেওয়া। ভুক্তভোগী যাতে পরিবারের অন্য সদস্য বা পরিচিত কারও সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি যাচাই করতে না পারেন, সে চেষ্টা করা হয়।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে যা করবেন

অস্বাভাবিক কোনো ফোনকল এলে প্রথমেই আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি যাচাই করতে হবে। পরিবারের নির্ধারিত কোডওয়ার্ড জানতে চাইতে পারেন। পাশাপাশি অন্য একটি নম্বর থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তার অবস্থান নিশ্চিত করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েক মাস পরপর পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে বসে কোডওয়ার্ডটি মনে করে নেওয়া এবং জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে এটি ব্যবহার করতে হবে তা অনুশীলন করা প্রয়োজন।

আতঙ্কের মুহূর্তে দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিয়ে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে তথ্য যাচাই করাই পারে এআইনির্ভর ডিপফেক প্রতারণা থেকে পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।