খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

২৪ বছর পর পড়াশোনায় ফেরা, ৫১-তে এমবিবিএস পাস

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
২৪ বছর পর পড়াশোনায় ফেরা, ৫১-তে এমবিবিএস পাস

 যোগফল প্রতিবেদক:

২৪ বছর পড়াশোনার বাইরে থাকার পর আবারও মেডিকেল কলেজে ফিরে এসে ৫১ বছর বয়সে এমবিবিএস পাস করেছেন মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ। দীর্ঘ বিরতি, পারিবারিক নানা সংকট ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তাঁর এই অর্জন এখন অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজের চূড়ান্ত পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয় গত ১ সেপ্টেম্বর। ওই পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হন হাবিবুল্লাহ।

হাবিবুল্লাহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ‘কে-৫৩’ ব্যাচের (১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী ছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী ২০০২ সালে তাঁর এমবিবিএস পাস করার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় পড়াশোনা থেমে যায়। দীর্ঘ ২৪ বছর পর তিনি আবার পড়াশোনা শুরু করে ২০২৬ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।

হাবিবুল্লাহ জানান, মেডিকেলে পড়ার শুরুতে তাঁর ফলাফল ভালোই ছিল। একপর্যায়ে এক শিক্ষকের সঙ্গে বিরোধসহ বিভিন্ন জটিলতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে পারিবারিক সমস্যাও চলছিল। জুনিয়র শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস করতে হওয়ায় তিনি মানিয়ে নিতে পারছিলেন না। একসময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তাঁর বাবা আবু বক্কর সিদ্দিকও ছিলেন চিকিৎসক। তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বড় পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনও হাবিবুল্লাহর জীবনে প্রভাব ফেলেছিল। তাঁর বাবা ২০০০ সালে এবং মা ২০১৬ সালে মারা যান।

আবারও মেডিকেলে ফেরার সিদ্ধান্ত

২০২৩ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের তৎকালীন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুল হানিফ টাবলুর সঙ্গে দেখা করেন হাবিবুল্লাহ। তখন তিনি দীর্ঘদিনের বিরতি কাটিয়ে আবার মেডিকেলে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শেষ করার আগ্রহের কথা জানান।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ভর্তি হতে তাঁর প্রায় দুই লাখ টাকা জরিমানা প্রয়োজন হয়। নিজের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি বন্ধু, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হয়। এরপর নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।

হাবিবুল্লাহর এমবিবিএস পাসের পর অধ্যাপক আবদুল হানিফ টাবলু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে অভিনন্দন জানান। সেখানে তিনি ২৪ বছর পর হাবিবুল্লাহর এমবিবিএস পাসের বিষয়টি উল্লেখ করে তাঁর অধ্যবসায়ের প্রশংসা করেন।

অধ্যাপক আবদুল হানিফ বলেন, হাবিবুল্লাহর ইচ্ছাশক্তির পাশাপাশি তাঁর বন্ধু ও শিক্ষকেরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এ কারণেই এত দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর পক্ষে পড়াশোনা শেষ করা সম্ভব হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

এখন ইন্টার্নশিপের অপেক্ষায় আছেন হাবিবুল্লাহ। এরপর সাইকিয়াট্রি বা মনোরোগবিদ্যায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে চান তিনি।

নিজের এই দীর্ঘ যাত্রা সম্পর্কে হাবিবুল্লাহ বলেন, তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন এবং নিজেকেই বারবার উৎসাহ দিয়েছেন। বন্ধু, সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহযোগিতা তাঁকে পথ চলতে সাহস জুগিয়েছে।

তাঁর এই অর্জনকে ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দীর্ঘ বিরতির পরও লক্ষ্য ঠিক রেখে চেষ্টা করলে অসম্ভব বলে কিছু নেই—হাবিবুল্লাহর গল্প যেন সেই বার্তাই দেয়।

অধ্যাপক আবদুল হানিফ মনে করেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের কেউ বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে পড়লে শিক্ষকদের আরও যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর মেন্টরশিপ ও তত্ত্বাবধান থাকলে অনেকেই আবার মূল ধারায় ফিরতে পারবেন।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।