খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

হাতের ইশারায় চলছে যানবাহন, বাড়ছে যানজট ও জনভোগান্তি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হাতের ইশারায় চলছে যানবাহন, বাড়ছে যানজট ও জনভোগান্তি

যোগফল প্রতিবেদক:

প্রায় তিন দশক ধরে অচল রাজশাহী নগরীর আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোয় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালের পরিবর্তে এখনো ট্রাফিক পুলিশের হাতের ইশারায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে যানবাহন। ফলে ব্যস্ত সময়ে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। এতে পথচারী, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ নগরবাসীর ভোগান্তি বাড়ছে।

নগরীর সাহেববাজার, কাদিরগঞ্জসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মোড়ে দিনের ব্যস্ত সময়ে যানবাহনের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশকে। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে একজন পুলিশ সদস্যকে একদিকে যানবাহন থামাতে এবং অন্যদিকে চলাচলের সংকেত দিতে হচ্ছে। পুলিশের সংকেতেই কখনো থামছে গাড়ির সারি, আবার হাত নামাতেই শুরু হচ্ছে যান চলাচল।

ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি স্কুল-কলেজ ও কোচিং সেন্টারকেন্দ্রিক অতিরিক্ত চাপও সড়কে যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ছুটির সময়ে শিক্ষার্থী বহনকারী যানবাহন ও অভিভাবকদের রাস্তার পাশে অবস্থানের কারণে বিভিন্ন মোড়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যানজট স্বাভাবিক হতে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে।

এক পথচারী বলেন, আগে কাদিরগঞ্জ থেকে সাহেববাজার যেতে কয়েক মিনিট সময় লাগত। এখন যানজটের কারণে একই পথ পাড়ি দিতে অনেক বেশি সময় লাগে। কোচিং সেন্টার ছুটির সময় অভিভাবকদের রাস্তার দুই পাশে অবস্থানের কারণে যানজট আরও তীব্র হয়।

নগরীর যানবাহন ও জনসংখ্যা কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও সেই তুলনায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন হয়নি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে এখনো পুরোনো পদ্ধতিতেই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৯৯৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ২১টি পয়েন্টে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি স্থাপন করা হয়। কিন্তু স্থাপনের দুই বছরের মধ্যেই অধিকাংশ সিগন্যাল অকেজো হয়ে পড়ে। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেগুলো আর সচল করা হয়নি।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. নূর আলম সিদ্দিকী বলেন, নগরীতে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু হলে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ট্রাফিক সদস্যদের হাতের ইশারায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে। এতে পুলিশ সদস্যদের অতিরিক্ত পরিশ্রমের পাশাপাশি ব্যস্ত সময়ে যানজটও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

তিনি বলেন, নগরীর ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত আধুনিক ও কার্যকর ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, যানজট নিরসনে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। অচল সিগন্যাল পুনরায় চালু, প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন সিগন্যাল স্থাপন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে বেশি দরে টেন্ডার, বছরে ৩৮ লাখ টাকা লোকসানের শঙ্কা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে বেশি দরে টেন্ডার, বছরে ৩৮ লাখ টাকা লোকসানের শঙ্কা

যোগফল প্রতিবেদক:

পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রোগীদের খাবার ও স্টেশনারি সামগ্রী সরবরাহের টেন্ডারে সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে বেশি দরে অন্য প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকারের বছরে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে বলে দাবি করেছেন সর্বনিম্ন দরদাতা সরবরাহকারী মো. আলতাফ হোসেন।

এ ঘটনায় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগে আলতাফ হোসেন বলেন, গত ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত দরপত্রে রোগীদের খাবার ও স্টেশনারি—দুই গ্রুপেই তিনি সর্বনিম্ন দরদাতা হন। রোগীদের খাবার সরবরাহের জন্য তিনি ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা দর দেন। তবে ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা দর দেওয়া অন্য একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে ওই কাজে ৩২ লাখ টাকা বেশি ব্যয় হবে।

অন্যদিকে, স্টেশনারি সামগ্রী সরবরাহের জন্য আলতাফ হোসেনের দর ছিল ১২ লাখ টাকা। সেখানে ১৮ লাখ টাকা দর দেওয়া একটি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৬ লাখ টাকা। দুই গ্রুপ মিলিয়ে মোট ৩৮ লাখ টাকা বেশি ব্যয়ে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তার।

আলতাফ হোসেন জানান, নিয়ম অনুযায়ী রোগীদের খাবারের জন্য ৫ লাখ টাকা এবং স্টেশনারির জন্য ৫০ হাজার টাকার পে-অর্ডারসহ দরপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ আট থেকে নয় বছর ধরে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মালামাল সরবরাহ করে আসছেন বলেও জানান তিনি। তার বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ বা অনিয়মের কোনো অভিযোগ নেই বলে দাবি করেন এই সরবরাহকারী।

দরপত্র প্রক্রিয়া পর্যালোচনা ও তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী তাকে কার্যাদেশ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সর্বনিম্ন দরদাতাকে কেন কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি, তা জানতে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজার সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে তিনি ছুটিতে থাকায় দায়িত্বে থাকা পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের সহকারী পরিচালক ডা. কবির হাসান বলেন, অর্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তত্ত্বাবধায়ক ভালো বলতে পারবেন। তিনি এ বিষয়ে অবগত নন।

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, সব সরকারি দপ্তরকে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ‘ভ্যালু ফর মানি’ নীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, কেউ এর ব্যত্যয় ঘটালে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণের ভরি?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণের ভরি?

যোগফল প্রতিবেদক:

দেশের বাজারে নতুন করে স্বর্ণ ও রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।

বাজুসের নির্ধারিত নতুন দাম বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন করে দাম নির্ধারণ না করা পর্যন্ত দেশের বাজারে এই দরেই স্বর্ণ ও রুপার গহনা বিক্রি হবে।

বাজুসের নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকায়।

অন্যদিকে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ২৫৭ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম রাখা হয়েছে ৩ হাজার ২০৮ টাকা।

দেশে স্বর্ণ ও রুপার গহনার দাম নির্ধারণ ও পরিবর্তনের দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এসএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ বাড়ল ৩ হাজার

যোগফল প্রতিবেদক:

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণের পর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেন। তারা মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র ও ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন।

এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ছিল ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন করা হয় ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি।

এবারের পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রচলিত নিয়মে এত দিন উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ ছিল না। তবে এবার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এর আগে গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৮ লাখ ২৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী।

নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর পাসের হার ছিল ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সঙ্গে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও প্রায় ১৯ হাজার কমে যায়।

মূল ফল প্রকাশের পর ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গত ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করায় পুনর্নিরীক্ষণের ফল নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম