খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

কর মামলার রায়, ইউনূস আমলের সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর মামলার রায়, ইউনূস আমলের সিদ্ধান্তগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি

যোগফল প্রতিবেদক:

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকার বেশি আয়করের বৈধতা নিয়ে করা দুটি রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

রায়ের ফলে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য এনবিআরের নির্ধারিত আয়কর পরিশোধে গ্রামীণ কল্যাণের সামনে থাকা আইনি বাধা দূর হয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের হিসাবে প্রতিষ্ঠানটিকে ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭০ টাকা আয়কর পরিশোধ করতে হবে।

এই রায়কে কেন্দ্র করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ডের তদন্তের দাবি সামনে এসেছে। সমালোচকদের মতে, কর মামলার রায়টি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের করসংক্রান্ত বিষয় নয়; এর মধ্য দিয়ে ওই সময়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের আইনগত বৈধতা ও স্বচ্ছতা পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার সময় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যদি কোনো আইন বা বিধি লঙ্ঘন করে থাকে, তাহলে সেগুলোর বিষয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দায়ী না করে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করার কথাও উঠে এসেছে।

গ্রামীণ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন

ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্রামীণ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরকারি অনুমোদন ও সুবিধা পেয়েছে বলে লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’ নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেসের জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স এবং গ্রামীণ টেলিকমের ডিজিটাল ওয়ালেট চালুর অনুমতির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের আইনগত অনিয়ম বা স্বার্থের সংঘাত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। একইভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের কর-সংক্রান্ত সুবিধা এবং ব্যাংকটিতে সরকারের শেয়ারের পরিমাণ পরিবর্তনের বিষয়টিও পর্যালোচনার দাবি রয়েছে।

ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘন ও অর্থপাচারসংক্রান্ত মামলার বিচারিক ফল নিয়েও লেখাটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে আদালতের রায় ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের ভিত্তিতে পৃথকভাবে আইনগত অবস্থান যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়েও তদন্তের দাবি

লেখাটিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংবিধান, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।

বিশেষ করে সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত আদেশ, বিভিন্ন পেশাজীবীর কর্মস্থলে প্রবেশে বাধা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও অগ্নিসংযোগ, সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন লেখাটির автор। তদন্তের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত বা কর্মকাণ্ড আইনবিরোধী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন

হাম ও শিশু মৃত্যুর প্রসঙ্গও লেখাটিতে তুলে ধরা হয়েছে। লেখকের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার কারণে শিশু মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তবে এ ধরনের ঘটনায় কারও ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণের আগে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যনীতি, টিকাদান কর্মসূচি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি দায় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রমাণ ও আদালতের সিদ্ধান্ত অপরিহার্য।

স্বাধীন তদন্তের দাবি

লেখাটির মূল বক্তব্য হলো—ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো রাজনৈতিক বিবেচনার বাইরে রেখে স্বাধীনভাবে তদন্ত করা উচিত।

কর মামলার হাইকোর্টের রায়কে সামনে রেখে লেখক মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ওই সময়ের বিতর্কিত সিদ্ধান্তগুলো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

তবে অভিযোগ, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং আদালতে প্রমাণিত তথ্য—এই তিনটি বিষয়কে আলাদা রেখে প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করাই হবে ন্যায়বিচারের মূল শর্ত।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পদ্মা ব্যারেজ হলে ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পদ্মা ব্যারেজ হলে ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে শুধু রাজবাড়ী নয়, দেশের ২৪ জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল পাবেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, নৌযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর কে রাজ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে তিনি হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, হাবাসপুরের নদী একসময় অনেক দূরে ছিল। ভাঙতে ভাঙতে এখন নদীটি মানুষের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্ষায় নদীর পানির প্রবাহে ভাঙন ও প্লাবন হয়, আবার শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় পানির সংকট। বছরের পর বছর এ অঞ্চলের মানুষ এ দুই ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

তিনি বলেন, শুধু রাজবাড়ীর মানুষ নয়, উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪ জেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানির সমস্যা ও নদীভাঙনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি নদী-নালা ও খাল-বিলের পানির প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ প্রয়োজন।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা তুলবই, আদায় করব। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। নতুন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা ও অধিকার আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি পানি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি সমীক্ষা ও ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা তৈরি হয়েছে।

তার দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সাত বছরে এর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে আরও প্রায় ১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু রাজবাড়ীর প্রকল্প নয়, ২৪টি জেলার মানুষের উপকারের জন্য একটি বড় প্রকল্প। আমি এটাকে বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রজেক্ট মনে করি।’

পদ্মা ব্যারেজে নেভিগেশন লক ও একাধিক গেট থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি প্রকল্পের মাধ্যমে দুই ধাপে ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এ অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও জোরদার হবে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন, বন্যা ও শুষ্ক মৌসুমের পানির সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নৌযোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, ‘প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করা কঠিন। পদ্মার পাড়ের মানুষ বছরের পর বছর প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে আছেন। পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে আপনাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি বাস্তবায়নের পথ তৈরি হবে।’

পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চেয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু হলে সাময়িকভাবে মানুষের কিছুটা কষ্ট হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ প্রকল্প এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।

এ্যানি আরও বলেন, সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সহযোগিতায় আগামী দিনে পদ্মা ব্যারেজকে দৃশ্যমান করা হবে। এ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

জনসভায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কুমিল্লায় পুলিশের অভিযানে দুই ‘দুর্ধর্ষ চোর’ আটক

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কুমিল্লায় পুলিশের অভিযানে দুই ‘দুর্ধর্ষ চোর’ আটক

যোগফল প্রতিবেদক:

কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকায় বাসার গ্রিল কেটে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি এইচপি ল্যাপটপ, একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ ১০ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আটকরা হলেন—মো. সোহাগ (২৬) ও আরিয়ান (২৫)। সোহাগ লাকসাম উপজেলার নরপাটি আশ্রয়কেন্দ্র এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা নগরীর শাকতলা প্রাইমারি বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। আরিয়ান নগরীর টমছমব্রিজ পোস্ট অফিস কলোনির জোছনালয় হাউজ এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, সম্প্রতি নগরীর ঠাকুরপাড়া এলাকায় একটি বাসার গ্রিল কেটে চুরি করে তারা। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।

এরই ধারাবাহিকতায় কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই জামাল উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালান। প্রথমে নগরীর পোস্ট অফিস কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিয়ানকে তার বাসার পাশ থেকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর দক্ষিণ থানার শাকতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগকে তার ভাড়া বাসা থেকে আটক করা হয়।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি এইচপি ল্যাপটপ, একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং নগদ ১০ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহাগের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ সাতটি মামলা রয়েছে। আরিয়ানের বিরুদ্ধেও চুরি ও ছিনতাইসহ আগের তিনটি মামলা রয়েছে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, দুই ব্যক্তির চুরির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

তিনি আরও জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক: 

স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ঝটিকা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, ‘হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতি থাকবে।’

পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের ডেঙ্গু ইউনিটসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মও তার নজরে আসে।

মন্ত্রী চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তারা প্রয়োজনের সময় চিকিৎসকদের না পাওয়া, দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সদের সহযোগিতার ঘাটতি ও অবহেলার বিষয়ে অভিযোগ করেন।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ শুনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, হাসপাতালের সব ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিকিৎসাসেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম ও অবহেলা বরদাশত করা হবে না।

এ সময় হাম প্রতিরোধে ৪ কোটি টিকা সংগ্রহের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

এ ছাড়া আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হবে বলেও জানান সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বলে জানান তিনি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম