কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় গাজীপুরের অতিরিক্ত পিপি নিহত, আহত ৪ আইনজীবী
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত
ছবি : যোগফল প্রতিবেদক
যোগফল প্রতিবেদক:
পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা গত চার দিনে ১ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। এ সময়ে ৩৬ হাজারের বেশি গ্রাহক ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা তুলেছেন বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির এক কর্মকর্তা।
সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনে এসব টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রাহকরা টাকা উত্তোলনের জন্য যতটা আগ্রহ দেখিয়েছেন, আবেদনের তুলনায় প্রকৃত উত্তোলনের পরিমাণ তার চেয়ে কম।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে ৭৭ কোটি টাকা বেশি উত্তোলন করেন গ্রাহকরা। তৃতীয় দিনেও দ্বিতীয় দিনের চেয়ে বেশি টাকা উত্তোলন করা হয়। তবে তৃতীয় দিনের তুলনায় চতুর্থ দিনে উত্তোলনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে।
এদিকে, অনেক গ্রাহক টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি ব্যাংকে নতুন করে অর্থ জমাও রাখছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাদের ভাষ্য, গত চার দিনে টাকা উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন শাখায় আসা গ্রাহকদের কেউ পুরো আমানত তুলে নিয়েছেন, আবার কেউ টাকা উত্তোলনের পর তা পুনরায় ব্যাংকেই জমা রেখেছেন।
গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতের টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। এরপর ৭ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাহকদের টাকা দেওয়া শুরু করা হয়েছে। এখনো আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের আমানত ফেরত দেওয়া এবং ব্যাংকটির তারল্য সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা বিশেষ ঋণ দিয়েছে।
একীভূত পাঁচ ব্যাংকের মোট শাখা রয়েছে ৭৬১টি। টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য এসব ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছ থেকে মোট ৭৪ হাজার ২২১টি আবেদন জমা পড়েছে। এসব আবেদনের বিপরীতে মোট ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি রয়েছে।
ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত হয়েছে। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।
তানজিলা / অনলাইন
ডেস্ক / যোগফল.কম
যোগফল প্রতিবেদক:
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ফুচকার দোকানে আড্ডা দেওয়ার সময় উচ্চস্বরে হাসাহাসিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছুরিকাঘাত ও মারধরে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা শিশুপার্ক চত্বরে একটি ফুচকার দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত দুজন হলেন—পৌরসভার দক্ষিণ কামারগ্রামের সেলিম শেখের ছেলে ঋত্বিক শেখ (২১) এবং একই এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে কাকন আহমেদ (২০)। আহত অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঋত্বিকের পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং কাকনের মাথায় আঘাত লেগেছে। রাতে তাদের দুজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও সকালে তারা ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি চলে যান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা শিশুপার্কের সামনে আলাদা দুটি ফুচকা ও চটপটির দোকানে দুই পক্ষের কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় এক পক্ষ উচ্চস্বরে হাসাহাসি করলে অপর পক্ষ তাদের এভাবে হাসাহাসি করতে নিষেধ করে। এ নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির পর দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় ঋত্বিকের পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে ছয়জন আহত হন বলে স্থানীয়রা জানান।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা ঋত্বিক ও কাকনকে পর্যবেক্ষণে রাখেন।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তমাল কৃষ্ণ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছিল। সকালে তারা ছাড়পত্র নিয়ে চলে যান।
বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজিব আহমেদ বলেন, ফুচকা খাওয়ার সময় হাসাহাসিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি এবং পরে মারামারি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোনো পক্ষ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তানজিলা / অনলাইন
ডেস্ক / যোগফল.কম
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
আপনার মতামত লিখুন