খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

প্রতিদিন রসুন খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কতটা কমে?

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
প্রতিদিন রসুন খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কতটা কমে?

 যোগফল প্রতিবেদক:

রান্নায় স্বাদ ও গন্ধ বাড়াতে রসুনের ব্যবহার বহুদিনের। তবে খাবারের উপকরণ হিসেবে পরিচিত এই মসলাটি হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির সুস্থতার ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য উপকারী হিসেবে আলোচিত। বিশেষ করে রসুন খাওয়ার সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও রক্ত জমাট বাঁধার মতো স্ট্রোকের কিছু ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের সম্পর্ক পাওয়া গেছে বিভিন্ন গবেষণায়।

কাঁচা রসুন চটকানো, কুচি করা বা থেঁতো করার সময় অ্যালিসিন নামের একটি সালফারযুক্ত সক্রিয় যৌগ তৈরি হয়। রসুনের তীব্র গন্ধের জন্যও এই উপাদানটি দায়ী। শরীরে প্রবেশের পর অ্যালিসিন রক্তনালি ও রক্ত চলাচলের ওপর বিভিন্ন ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের অন্যতম বড় ঝুঁকি। দীর্ঘদিন রক্তচাপ বেশি থাকলে ধমনির দেয়ালে চাপ পড়ে এবং রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, রসুনের নির্যাস সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি রক্তনালির দেয়ালের পেশি শিথিল করে রক্ত চলাচল সহজ করতেও এটি ভূমিকা রাখতে পারে।

ইস্কেমিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। গবেষণায় রসুনের কিছু উপাদান রক্তের প্লেটলেট অতিরিক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমাতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে রসুন কোনোভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহৃত রক্ত পাতলা করার ওষুধের বিকল্প নয়।

এলডিএল বা ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল বেশি থাকলেও ধমনির ভেতরে চর্বি ও প্লাক জমার ঝুঁকি বাড়ে। এতে রক্তনালি সরু হয়ে রক্ত চলাচলে বাধা তৈরি হতে পারে। কিছু গবেষণায় নিয়মিত রসুন খাওয়ার সঙ্গে এলডিএল কোলেস্টেরল কমা এবং ধমনিতে প্লাক জমার গতি ধীর হওয়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব আয়ুর্বেদের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ডা. অনন্যা শর্মার মতে, আয়ুর্বেদে রসুন ‘রসোনা’ নামে পরিচিত। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখা ও হৃদ্‌যন্ত্রের সুরক্ষায় এটি ভেষজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

তবে রসুনের রক্ত পাতলা করার মতো প্রভাব থাকতে পারে। তাই যারা চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন, তাদের নিয়মিত কাঁচা রসুন খাওয়ার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

রসুনের অ্যালিসিন পাওয়ার জন্য একটি কোয়া থেঁতো, কুচি বা চটকে ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে দেওয়া যেতে পারে। এরপর কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায়। রসুন কাটার পর কিছু সময় অপেক্ষা করলে অ্যালিসিন তৈরির প্রক্রিয়া ভালোভাবে হওয়ার সুযোগ পায়।

তবে অতিরিক্ত তাপে রান্না করলে অ্যালিসিন তৈরির সঙ্গে যুক্ত কিছু এনজাইম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে কাঁচা রসুনে এর সক্রিয় উপাদান পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।

তবে প্রতিদিন এক কোয়া রসুন খেলেই স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যাবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। রসুন কোনো ওষুধের বিকল্পও নয়। নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার আগে, বিশেষ করে কোনো রোগ বা ওষুধ চলমান থাকলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।