খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৯ ভাদ্র, ১৪৩৩

ট্রাম্পের সাড়া মিলছে না, কী করবেন সৌদি যুবরাজ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাম্পের সাড়া মিলছে না, কী করবেন সৌদি যুবরাজ

যোগফল প্রতিবেদক:

ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে সৌদি আরবের উত্তেজনা গত এক সপ্তাহে তীব্র আকার ধারণ করেছে। হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার লোহিত সাগরের কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে হুথিরা। এতে নতুন করে উদ্বেগে পড়েছে রিয়াদ।

হুথিদের মোকাবিলায় মার্কিন সামরিক সহায়তা চেয়ে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। তবে ট্রাম্প তাকে জানান, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে এই মুহূর্তে সরাসরি সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থায় নেই যুক্তরাষ্ট্র।

তবে ওয়াশিংটন সৌদি আরবকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ চাচ্ছেন। তবে তিনি এটিকে তাৎক্ষণিকভাবে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেননি।

ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, লোহিত সাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে নেতৃত্ব দিতে চায় ওয়াশিংটন।

তবে লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হুথিদের হামলা আরও বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এদিকে মার্কিন সেন্টকমের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রিয়াদ সফর করেছে। সফরকালে সৌদি সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে হুথি ইস্যু এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

পরিস্থিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি বলেন, হুথিদের বিরুদ্ধে একটি জোট গঠন এবং সম্ভাব্য ইরানি প্রতিশোধ থেকে সৌদি আরবকে সুরক্ষিত রাখার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা চাইছে। কারণ, হুথিদের ওপর হামলা হলে ইরান সৌদি আরবে পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, ইরান বর্তমানে বিভিন্ন উপগোষ্ঠীর কাছ থেকে চাপের মুখে রয়েছে। হুথিদের ওপর হামলা হলে ইরান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং সৌদি আরবে হামলা করবে কি না—এ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এ কারণেই সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি জোট গঠনের চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, সৌদি আরব যদি যুদ্ধে নামে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের অনুসরণ করবে—এমন প্রত্যাশা রিয়াদের রয়েছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা এখনো পরিবর্তনশীল পর্যায়ে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হুথিদের হামলা বাড়ায় পুরো অঞ্চলে নৌ চলাচলের ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক নৌ চলাচল বন্ধ বা ব্যাহত হলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে।

লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে উত্তেজনা বাড়ায় ইয়েমেনের হুথিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর কথা ভাবছে সৌদি আরব। প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক সহায়তা ছাড়াই রিয়াদ এই অভিযান চালাতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ।

তবে সৌদি আরব এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রও আপাতত হুথিদের ওপর সরাসরি হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে না।

দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এবিসি নিউজ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, হুথিদের বিরুদ্ধে বড় সামরিক অভিযান চালাতে তারা প্রস্তুত। ওয়াশিংটন বর্তমানে রিয়াদকে গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে সহায়তা দিচ্ছে।

সৌদি-হুথি সংঘাতের পটভূমি

সৌদি আরব ও হুথি গোষ্ঠীর সংঘাতের সূত্রপাত ২০১৪ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের সময়। পরের বছর হুথিরা রাজধানী সানা দখল করলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদরাব্বু মনসুর হাদি সৌদি আরবে আশ্রয় নেন। এরপর হাদি সরকারের পক্ষে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।

বর্তমানে ইয়েমেনের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাকি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি-সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার, যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।

২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। গত জুলাইয়ে সানার বিমানবন্দরে হামলার পর থেকে সৌদি আরব ও হুথিদের সম্পর্কের আবারও অবনতি ঘটে। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রয়োগের আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রয়োগের আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

যোগফল প্রতিবেদক:

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা জনসেবা এবং কর্মক্ষেত্রে কার্যকরভাবে প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণের লক্ষ্য শুধু সনদ অর্জন নয়; বরং প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে দায়িত্ব পালনের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (নিমকো)-এর সেমিনার কক্ষে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে প্রশাসন ও কর্মক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কর্মকর্তাদের জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে প্রশিক্ষণের বিভিন্ন বিষয়ে সেরা প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে স্মারক (ক্রেস্ট) তুলে দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের (বিসিটিআই) প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মুহম্মদ হিরুজ্জামান, এনডিসি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

আ.লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আ.লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা

যোগফল প্রতিবেদক:

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে চলে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন। এরই মধ্যে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ থাকলেও নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আওয়ামী লীগ নতুন করে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। আর তিনি দেশে না ফিরলে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।

দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক বৈঠকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব আলোচনার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনার সঙ্গে আরও অনেক নেতাকর্মী দেশে ফিরবেন বলেও দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। তিনি সত্যিই দেশে ফিরবেন কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা কিংবা না ফেরা—দুই পরিস্থিতিরই বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে। তবে তার সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলো বাস্তব প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত, নাকি দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা রাখা ও রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল—তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে।

তাদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পথ সহজ নয়। তাকে ফিরতে হলে বহুমুখী ঝুঁকির মুখোমুখি হতে হবে। অন্যদিকে ঘোষণা দেওয়ার পরও দেশে না ফিরলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তার নেতৃত্ব নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকিও তৈরি করেছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি দেশে ফিরতে না পারলে পরবর্তী সময়ে তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব আরও বেশি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। ভবিষ্যতে দেশে ফেরার বিষয়ে নতুন কোনো ঘোষণা দিলেও সেটি আগের মতো বিশ্বাসযোগ্যতা নাও পেতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আইনের মুখোমুখি করার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল শেখ হাসিনার দেশে ফেরার নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যুগান্তরকে তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর প্রাণহানির ঘটনায় শেখ হাসিনার প্রথম দায়িত্ব ছিল মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ ও অনুশোচনা করা। কিন্তু তার বক্তব্যে এখনো বলপ্রয়োগ ও জেদের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

আলাল বলেন, এই অবস্থান নিয়ে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করবেন—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা নিজেই তার উত্তরাধিকার হিসেবে শেখ সেলিমকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। শেখ সেলিমের সাহস থাকলে তিনি দেশে ফিরে আসতে পারেন।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে আলাল বলেন, ওই নিষেধাজ্ঞার গেজেট চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের এখতিয়ারাধীন।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম যুগান্তরকে বলেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে—এটাই প্রত্যাশা। তিনি বাংলাদেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই গ্রেফতার হতে পারেন। এরপর আদালতের রায় অনুযায়ী পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলবে।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং তিনি ঘোষিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরেন কি না—এখন সেটিই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জয়পুরহাটে অভিযান টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জয়পুরহাটে অভিযান টের পেয়ে অস্ত্র ফেলে পালাল দুর্বৃত্তরা

 যোগফল প্রতিবেদক:

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় র‍্যাবের অভিযানের সময় অস্ত্র ফেলে পালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি অবৈধ ওয়ান শুটারগান, ম্যাগাজিন, এয়ারগান ও রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র‍্যাব-৫-এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার সাইদ আনোয়ার রাহি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

র‍্যাব জানায়, শনিবার জয়পুরহাট সদর উপজেলার ঘোষণাপাড়া গ্রামের ফিরতি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থলে অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একটি ওয়ান শুটারগান, একটি ম্যাগাজিন, একটি এয়ারগান ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জয়পুরহাট সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম