খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্বর্ণপদক পাচ্ছেন রাবির ২৮ শিক্ষার্থী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
স্বর্ণপদক পাচ্ছেন রাবির ২৮ শিক্ষার্থী

যোগফল প্রতিবেদক:

সাড়ে ছয় বছর পর একসঙ্গে তিন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এতে ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৬৯ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২৮ শিক্ষার্থী রয়েছেন।

ইউজিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সর্বশেষ ২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৮’ প্রদান করা হয়েছিল।

ইউজিসির তালিকা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোনীত হয়েছেন আরবি বিভাগের হাসমতুল্লাহ, আইন বিভাগের আফসান এলাহী, পরিসংখ্যান বিভাগের মো. কাদেরী কিবরিয়া, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের রমজান আলী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মোস্তাকিম খান, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ইসরাত জাহান এলা, এগ্রোনমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের সুমাইয়া আফসানা সুমি, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. শরীফুল ইসলাম এবং গ্রাফিক ডিজাইন, ক্রাফটস অ্যান্ড হিস্টোরি বিভাগের মনিকা অ্যামেলিয়া।

২০২০ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শাহিদুল্লাহ, প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের মোছা. মরিয়ম খাতুন, মার্কেটিং বিভাগের শামীমা ফাসমিন শান্তা, অর্থনীতি বিভাগের মোছা. ইসরাত জাহান, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের মোবাশ্বিরা আনজুম, ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিভাগের মোছা. আজমিরা খাতুন, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. জাবিদ হাসান, গ্রাফিক ডিজাইন, ক্রাফটস অ্যান্ড হিস্টোরি বিভাগের খাদিজাতুল কুবরা এবং মেডিকেল সায়েন্সেস বিভাগের অতুল মহার্জন।

এ ছাড়া ২০২১ সালের জন্য মনোনীত হয়েছেন সংগীত বিভাগের সমরেন্দ্র নাথ দাস, আইন বিভাগের মোছা. জান্নাতুন নাঈম মিতু, ফার্মেসি বিভাগের মোছা. জান্নাতুল মাওয়া, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মো. নাহিদ হাসান বাধন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মোছা. হোসনে আরা বেগম, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আল-আমিন, ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের রাবেয়া বসরী, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেখ হাসিব চেরাগী, পেইন্টিং, ওরিয়েন্টাল আর্ট অ্যান্ড প্রিন্টমেকিং বিভাগের মুনমুন নাহার এবং মেডিকেল সায়েন্সেস বিভাগের সোমি রওনিয়ার।

ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী, মনোনীত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২২ ক্যারেট মানের ৪ দশমিক ৫ গ্রাম স্বর্ণ ও ১০ গ্রাম রৌপ্য দিয়ে তৈরি একটি পদক এবং একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোযোগ বৃদ্ধি এবং ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করতে ২০০৫ সালে ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ চালু করা হয়। অনার্স পর্যায়ে বিভিন্ন অনুষদে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের এ পদক দেওয়া হয়।

ইউজিসি সূত্র জানায়, ২০০৫ সালে শুধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এ পুরস্কার চালু করা হয়েছিল। পরে ২০১৮ সালে ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ নীতিমালা সংশোধন করা হয়। এর মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি স্থায়ী সনদপ্রাপ্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এ পুরস্কারের আওতায় আসেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

নবীনদের পদচারণায় মুখর গোবিপ্রবি, বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নবীনদের পদচারণায় মুখর গোবিপ্রবি, বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরণ

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আজ  বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) একাডেমিক ভবনের মুক্তমঞ্চে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি হওয়া প্রায় ১ হাজার ৫০০ নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করে নেওয়া হয়।

এদিন সকাল ১১টায় শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, বিশেষ অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান, পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান, গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. গোলাম মোর্শেদ মোল্যা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আজ নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুখের দিন। অনেক ত্যাগ স্বীকার করে তারা এই পর্যায়ে এসেছে। নবীন হলেও তাদের দায়িত্ব অনেক। সময়কে অবহেলা না করে ভালোভাবে পড়াশোনা করতে হবে এবং সচেতন থেকে ভালো মানুষ হওয়ার ব্রত নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ আগামী দিনে এই নবীন শিক্ষার্থীদেরই দেশের জন্য কাজ করতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা তিন সংসদ সদস্য মিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবো। শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, তারা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না করে।”

শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এ বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেন, “আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করে যাবো। আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবন নির্মাণ এবং শিক্ষক সংকট দূরীকরণে যা করণীয়, আমরা তা করবো।” তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ঠুনকো বিষয় নিয়ে আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অশান্ত করবেন না।”

গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেন, আমরা সবাই জানি, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কিছুটা সময় লাগবে। আমরা সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য আমরা তিনজন সংসদ সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবো। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত সময়ে সংঘটিত অনিয়ম-দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি, শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করে সত্যিকারের মানুষ হয়ে উঠবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা বিসিএস ক্যাডার হচ্ছে, জজ হচ্ছে—এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। সামনের দিনে এমন সাফল্যের হার আরও বাড়বে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। সেজন্য একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শুরু থেকেই নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন ও অডিটোরিয়াম নির্মাণে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. মো. কামরুজ্জামান এবং শিক্ষকদের পক্ষে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপিত ও এনিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন ড. মাহবুব হাসান। এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষকগণ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

উখিয়ায় বক শিকারের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান, ১২ বক জীবিত উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উখিয়ায় বক শিকারের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান, ১২ বক জীবিত উদ্ধার

ছবিতে উদ্ধারকৃত বক

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী |  কক্সবাজার প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের উখিয়ায় অবৈধভাবে বক শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের মাসকারিয়া বিল এলাকায় পরিচালিত অভিযানে শিকারিদের ব্যবহৃত ফাঁদ, জাল ও বিভিন্ন শিকার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস করা হয়েছে শিকারিদের তৈরি আস্তানা। এ সময় ফাঁদে আটকে থাকা ১২টি বক জীবিত উদ্ধার করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মাসকারিয়া বিল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রজাতির বক ও দেশীয় পাখি শিকারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উখিয়া রেঞ্জের বনকর্মী ও ইআরটি (ইকো-রেসপন্স টিম) সদস্যরা যৌথভাবে অংশ নেন।

অভিযানকালে শিকারিরা পাখি আকর্ষণের জন্য ককশিট দিয়ে তৈরি নকল বক ব্যবহার করে তৈরি করা ফাঁদ শনাক্ত করা হয়। পরে এসব ফাঁদ, জাল ও অন্যান্য শিকার সামগ্রী জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি শিকারিদের অবস্থানের জন্য তৈরি অস্থায়ী আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার করা ১২টি বককে পরবর্তীতে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে বন বিভাগ জানিয়েছে।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, পাখি শিকার শুধু বন্যপ্রাণীর ক্ষতিই করে না, এটি আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। মাসকারিয়া বিলসহ উখিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ পাখি শিকার বন্ধে আমাদের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ বন্যপ্রাণী শিকার, ফাঁদ পাতা কিংবা শিকারিদের সহযোগিতা করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্ধার করা পাখিগুলোকে নিরাপদে অবমুক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়েও স্থানীয়দের সচেতন করা হচ্ছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পাখি ও বন্যপ্রাণী প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে বিল, জলাশয় ও বনাঞ্চলে অবৈধভাবে পাখি শিকার বন্ধে স্থানীয়দের তথ্য দিয়ে বন বিভাগকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

উখিয়ায় বক শিকারের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান, ১২ বক জীবিত উদ্ধার!

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উখিয়ায় বক শিকারের বিরুদ্ধে বন বিভাগের অভিযান, ১২ বক জীবিত উদ্ধার!

ছবিতে উদ্ধারকৃত বক

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী |  কক্সবাজার প্রতিনিধি :

কক্সবাজারের উখিয়ায় অবৈধভাবে বক শিকারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের মাসকারিয়া বিল এলাকায় পরিচালিত অভিযানে শিকারিদের ব্যবহৃত ফাঁদ, জাল ও বিভিন্ন শিকার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস করা হয়েছে শিকারিদের তৈরি আস্তানা। এ সময় ফাঁদে আটকে থাকা ১২টি বক জীবিত উদ্ধার করা হয়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মাসকারিয়া বিল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রজাতির বক ও দেশীয় পাখি শিকারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উখিয়া রেঞ্জের বনকর্মী ও ইআরটি (ইকো-রেসপন্স টিম) সদস্যরা যৌথভাবে অংশ নেন।

অভিযানকালে শিকারিরা পাখি আকর্ষণের জন্য ককশিট দিয়ে তৈরি নকল বক ব্যবহার করে তৈরি করা ফাঁদ শনাক্ত করা হয়। পরে এসব ফাঁদ, জাল ও অন্যান্য শিকার সামগ্রী জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি শিকারিদের অবস্থানের জন্য তৈরি অস্থায়ী আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার করা ১২টি বককে পরবর্তীতে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে বন বিভাগ জানিয়েছে।

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, পাখি শিকার শুধু বন্যপ্রাণীর ক্ষতিই করে না, এটি আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। মাসকারিয়া বিলসহ উখিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ পাখি শিকার বন্ধে আমাদের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ বন্যপ্রাণী শিকার, ফাঁদ পাতা কিংবা শিকারিদের সহযোগিতা করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্ধার করা পাখিগুলোকে নিরাপদে অবমুক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়েও স্থানীয়দের সচেতন করা হচ্ছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পাখি ও বন্যপ্রাণী প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে বিল, জলাশয় ও বনাঞ্চলে অবৈধভাবে পাখি শিকার বন্ধে স্থানীয়দের তথ্য দিয়ে বন বিভাগকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক