নওগাঁর দুই সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের
ছবি সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নওগাঁর দুই সীমান্ত দিয়ে নারী-পুরুষসহ সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙা ও পত্নীতলা উপজেলার কড়িয়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙা বিজিবি (বিওপি) এলাকায় ভোরে আটিলা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা চারজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী। খবর পেয়ে সোনাডাঙা বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করে।
অন্যদিকে, পত্নীতলা উপজেলার কড়িয়া সীমান্ত এলাকায় সকালে আরও তিনজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকিয়ে দেয়।
বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে সাতজনই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন নারী ও ছয়জন পুরুষ। সোনাডাঙা সীমান্তে থাকা চারজন একই পরিবারের বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় সার্বক্ষণিক নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
পত্নীতলা ১৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এহসান হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকালে পত্নীতলা উপজেলার কড়িয়া সীমান্ত এলাকায় তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল সেখানে গিয়ে তা প্রতিহত করে।
তিনি আরও বলেন, একই সময়ে সাপাহার উপজেলার সোনাডাঙা সীমান্ত এলাকায় চারজনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তারা একই পরিবারের বলে জানা গেছে। বর্তমানে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সাতজনই সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। তাদের পুশব্যাক করাতে বিএসএফের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম

আপনার মতামত লিখুন