খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ২৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভারত পাচারের সময় ভোমরা সীমান্তে গোপালগঞ্জের অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার-১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভারত পাচারের সময় ভোমরা সীমান্তে গোপালগঞ্জের অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার-১

ছবি যোগফল

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জ থেকে অপহরণের পর ভারতে পাচারের আগমুহূর্তে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত এলাকা থেকে ১২ বছরের শিশু সাজিম শিকদার ইয়াছিনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

তিন দিন ধরে অভিযান চালিয়ে গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গভীর রাতে ভোমরা স্থলবন্দর সংলগ্ন একটি আস্তানা থেকে শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
 
এ সময় অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও পাচারের পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মুন্না শিকদার (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।
 
উদ্ধার হওয়া সাজিম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের ব্যবসায়ী আকাশ শিকদারের ছেলে। গ্রেফতার মুন্না শিকদার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কাকডাঙ্গা গ্রামের লালন শিকদারের ছেলে। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের দূরসম্পর্কের আত্মীয়।
 
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে বাড়ির পাশের একটি মুদি দোকান থেকে খাবার কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখান মুন্না। তার কথায় বিশ্বাস করে সাজিম সঙ্গে হাঁটতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পর গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বংবিপ্রবি) সামনের নির্জন সড়কে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একটি মাইক্রোবাসে শিশুটিকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান মুন্না ও তার সহযোগীরা।

ঘটনার পরদিন থেকে বিভিন্ন অপরিচিত মোবাইল নম্বর থেকে সাজিমের বাবা আকাশ শিকদারের ফোনে কল আসতে শুরু করে। 

অপহরণকারীরা শিশুটিকে জীবিত ফেরত দিতে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। অন্যথায় তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। পরে আকাশ শিকদার গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।
 
অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত ও অনুসন্ধান শুরু করে গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সীমান্ত পার করানোর উদ্দেশ্যে সাজিমকে দূরপাল্লার গাড়িতে করে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকায় নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে সীমান্ত পারাপারে জড়িত দালালচক্রের সহায়তায় শিশুটিকে ভারতে পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে ধারণা পুলিশের। 
 
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর গোপালগঞ্জ পুলিশ সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহায়তায় ভোমরা স্থলবন্দর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে গেলেও শিশুসহ মুন্না শিকদারকে গ্রেফতার করা হয়।
 
উদ্ধারের পর সাজিমকে নিরাপদে তার মা-বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সন্তানকে ফিরে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা অশ্রুসজল চোখে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বেলকুচিতে মাটির নিচে পুতে রাখা মরদেহ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেলকুচিতে মাটির নিচে পুতে রাখা মরদেহ উদ্ধার

ছবি যোগফল

মনজুরুল ইসলাম | বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

‎সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার সমেশপুর এলাকায় সয়দাবাদ-এনায়েতপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে বেলকুচি থানা পুলিশ।

‎শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১ টার সময় মাটি চাপা দিয়ে রাখা লাশটি উদ্ধার করা হয়।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ওই এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে কয়েকজন বাসিন্দা আশে পাশে খোঁজাখুঁজি করলে সড়কের পাশে মাটি চাপা দিয়ে রাখা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বেলকুচি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে  লাশটি উদ্ধার করে।

‎উদ্ধারসংবাদের পর স্থানীয় লোকজনের ভিড়ে এক যুবক নিহত ব্যক্তিকে তার বাবা বলে দাবি করেন।

‎​নিহত ব্যক্তির নাম মোঃ রাজ্জাক শেখ (৫০) বলে পরিচয় দেন। তিনি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সয়দাবাদ ইউনিয়নের পুনর্বাসন এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন অটোরিকশাচালক।

‎​নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বিকেলে মোঃরাজ্জাক শেখ তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। টানা তিন দিন আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সমেশপুর এলাকায় লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে নিহতের ছেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরনের পোশাক ও চেহারা দেখে লাশটি তার বাবার বলে শনাক্ত করেন।

‎​এ বিষয়ে বেলকুচি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জহুরুল হক জানান, "সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের পর লাশের চূড়ান্ত ও সুনির্দিষ্ট পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

‎​পুলিশ প্রাথমিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না, সে বিষয়সহ সব দিক বিবেচনায় রেখে তদন্ত চালনা করছে।

নাগেশ্বরীতে মাদ্রাসার নিয়োগে ১৬ লাখ টাকা ঘুষ ও জালিয়াতির অভিযোগ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নাগেশ্বরীতে মাদ্রাসার নিয়োগে ১৬ লাখ টাকা ঘুষ ও জালিয়াতির অভিযোগ

ছবি যোগফল

মোঃ হাসান মাহমুদ জয় |কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার নায়কেরহাট দারুস সুন্নাত দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসায় পেছনের তারিখ দেখিয়ে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী (অফিস সহায়ক) নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও লাখ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট খালেকুজ্জামান ছিদ্দিকী ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে এসব অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মচারী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা। এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে গত ৮ অক্টোবর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যমান ম্যানেজিং কমিটি পুনর্গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু না করে সম্পূর্ণ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে গোপনে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার প্রকাশ্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি, ফলে যোগ্য প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পাননি। অভিযোগ রয়েছে, সুপারিনটেনডেন্ট মো. খালেকুজ্জামান ছিদ্দিকী ও সভাপতি আনোয়ার হোসেন তাঁদের পছন্দনীয় প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। উক্ত রেজুলেশনে ৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি ও ৩ জন অভিভাবক প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত অফিস সহায়ক পদপ্রার্থী মো. নুরুন্নবীর বাবা আব্দুল জলিল (ওরফে জামাদার)-এর কাছ থেকে গোপনে ১৬ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, বর্তমান সুপারিনটেনডেন্ট পদে যোগদানের পর থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছ থেকে ইতিপূর্বেও প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে শিক্ষক ও অভিভাবকেরা দাবি করেন। এই ঘটনার পর থেকে মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও প্রশাসনিক অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
অনিয়মের বিষয়ে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল মজিদ বলেন, "কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে আমাদের স্বাক্ষর জাল করে এই ভুয়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা এই অবৈধ নিয়োগ বাতিল এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।" অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, "গত ২৬ সেপ্টেম্বর নিয়োগের সময় ডিজির প্রতিনিধি, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, অভিভাবক সদস্য, মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট এবং আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম।" তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট খালেকুজ্জামান ছিদ্দিকীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সার্বিক বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শরিফুল ইসলাম জানান, "বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আলাউদ্দিন জানান, "অভিযোগ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
অভিযোগকারীরা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্কিত নিয়োগের ভিত্তিতে কোনো এমপিওভুক্তি, বেতন-ভাতা বা সরকারি আর্থিক সুবিধা প্রদান বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তদন্তের স্বার্থে অভিযোগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে, নিয়োগ জালিয়াতির এই ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো মুহূর্তে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

রাজেন্দ্রপুরে যমুনা ও হাওড় এক্সপ্রেস থামার দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজেন্দ্রপুরে যমুনা ও হাওড় এক্সপ্রেস থামার দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর যমুনা এক্সপ্রেস ও হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রাজেন্দ্রপুর ও আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে যমুনা ও হাওড় এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালু করা জরুরি। এ দুটি ট্রেন রাজেন্দ্রপুর স্টেশনে থামলে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, সেনানিবাসে যাতায়াতকারী ব্যক্তি এবং সাধারণ যাত্রীরা সহজে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।

তাঁদের অভিযোগ, রাজেন্দ্রপুর স্টেশনে ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি না থাকায় যাত্রীদের বিকল্প স্টেশন ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও এলাকার যাতায়াতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন বলে তাঁরা মনে করেন।

বক্তারা আরও বলেন, রাজেন্দ্রপুর ও আশপাশের এলাকায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতায়াত করেন। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ স্টেশনে ট্রেন দুটির যাত্রাবিরতি না থাকায় রেলসেবা গ্রহণে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। জনদুর্ভোগ কমাতে এবং যাত্রীসেবার পরিধি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

এলাকাবাসীর পক্ষে মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন রাজাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. নাজমুল হুদা শাহীন। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সদস্য ও শ্রীপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মশিউর রহমান লিটন, সাবেক ইউপি সদস্য সুরুজ মিয়া, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আলী আজগর, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী শেখ, শ্রীপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির নূরুল ইসলাম, জামায়াতের ওয়ার্ড সেক্রেটারি ওসমান শেখ, শ্রীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সদস্য সাইফুল ইসলাম নয়ন, বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম ফকির, সিরাজ উদ্দিন, আ. রশিদ পলান, ইসলাম ফকির, ভাওয়াল বদরে আলম কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা বাসির খান, আ. মান্নান শেখ, ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন বিএনপির আবু বক্কর সিদ্দিক এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হাবিবুল্লাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মানববন্ধন শেষে বক্তারা রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশনে যমুনা ও হাওড় এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চালুর দাবিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তাঁদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এতে রাজেন্দ্রপুর ও আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।