খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

লক্ষ্মীপুরে নারকেলের ছোবড়ায় কোটি টাকার বাণিজ্য

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লক্ষ্মীপুরে নারকেলের ছোবড়ায় কোটি টাকার বাণিজ্য

যোগফল প্রতিবেদক: 

 একসময় নারকেলের ছোবড়া ফেলে দেওয়া হতো আবর্জনা হিসেবে। কেউ কেউ ব্যবহার করতেন রান্নার জ্বালানি হিসেবে। সময়ের সঙ্গে সেই অবহেলিত ছোবড়াই এখন পরিণত হয়েছে মূল্যবান সম্পদে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের হাত ধরে লক্ষ্মীপুরে গড়ে উঠেছে নারকেলের ছোবড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প। এ শিল্পকে ঘিরে জেলায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় প্রায় ৩০টি কারখানা। এসব কারখানায় ছোবড়া থেকে আঁশ ও গুঁড়া তৈরি করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে কর্মসংস্থান, বাড়ছে স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন এলাকায় নারকেলের ছোবড়া থেকে উৎপাদিত আঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে জাজিম, গদি, দড়ি, স্লিপার, খেলনা ও বিভিন্ন শৌখিন সামগ্রী। অন্যদিকে, আঁশ তৈরির সময় উপজাত হিসেবে পাওয়া গুঁড়া বা কোকোডাস্ট ব্যবহার করা হচ্ছে কৃষিকাজে। বিশেষ করে যেসব বাগানে মাটির ঘাটতি রয়েছে, সেখানে এই গুঁড়া কাজে লাগানো হচ্ছে।

জেলার রায়পুর উপজেলার হায়দরগঞ্জ, সদর উপজেলার দালাল বাজার, মান্দারী ও চন্দ্রগঞ্জ, রামগঞ্জ উপজেলার পানপাড়া, মীরগঞ্জ ও সোনাপুর, কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট এবং রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ও জমিদারহাট এলাকায় এসব কারখানা গড়ে উঠেছে। প্রতিটি কারখানায় নারী ও পুরুষ মিলিয়ে আট থেকে ১০ জন শ্রমিক কাজ করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, লক্ষ্মীপুর জেলায় ২ হাজার ৬১০ হেক্টর জমিতে নারকেলের বাগান রয়েছে। এ ছাড়া জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় রয়েছে নারকেলগাছ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলায় ২৭ হাজার ১২০ মেট্রিক টন নারকেল উৎপাদিত হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৮১ কোটি টাকা। এ ছাড়া গত এক বছরে শুকনা নারকেল ও ডাব মিলিয়ে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার আয় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজারের একটি ছোবড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, কারখানার চত্বরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে নারকেলের ছোবড়া। ডিজেলচালিত যন্ত্রের সাহায্যে ছোবড়া ছোট ছোট খণ্ড করা হচ্ছে। পরে নারী ও পুরুষ শ্রমিকেরা হাত দিয়ে সেসব খণ্ড থেকে আঁশ আলাদা করছেন। এরপর আঁশ রোদে শুকিয়ে প্লাস্টিকের সুতা দিয়ে বেঁধে তৈরি করা হচ্ছে গাঁট। স্থানীয়ভাবে এসব গাঁটকে ‘বেল’ বলা হয়। প্রতি বেলে থাকে ২০ কেজি আঁশ। অন্যদিকে, আঁশ ছাড়ানোর সময় পাওয়া গুঁড়া বস্তায় ভরে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। পরে আঁশ ও গুঁড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।

কারখানার মালিক গাজী হাসমত জানান, প্রতিটি নারকেলের ছোবড়া দুই থেকে তিন টাকায় কেনা হয়। তাঁর কারখানা থেকে উৎপাদিত আঁশের ছয় থেকে সাত ট্রাক দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। প্রতি ট্রাক আঁশের দাম ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। ছোবড়ার গুঁড়াও ভালো দামে বিক্রি হয়। স্থানীয় নারকেল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ছোবড়া সংগ্রহ করে কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এখানে আট থেকে ১০ জন শ্রমিক কাজ করেন।

স্থানীয় কয়েকজন শ্রমিক ও ব্যবসায়ী জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে নারকেল সংগ্রহের পর সেগুলো ছাড়িয়ে ছোবড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় আনা হয়। প্রতিটি কারখানা থেকে মাসে প্রায় তিন লাখ টাকার ছোবড়া বিক্রি হয় বলে তাঁরা জানান। এ শিল্পের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

জেলা বিসিক শিল্পনগরীর উপব্যবস্থাপক মো. ফজলুল করিম বলেন, লক্ষ্মীপুর নারকেল, সুপারি ও সয়াবিনের জন্য পরিচিত। তবে নারকেলের ছোবড়াও একটি সম্ভাবনাময় শিল্প। এ শিল্পের সঙ্গে প্রায় ৩০ জন উদ্যোক্তা জড়িত রয়েছেন। উদ্যোক্তারা বিসিকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ক্ষুদ্রঋণ সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও শিল্প নিবন্ধনের সুযোগ পেতে পারেন। বিসিকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখলে তাঁরা বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধাও পাবেন।

লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জহির আহমেদ বলেন, জেলায় নারকেলের আবাদ বাড়ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৭ হাজার ১২০ মেট্রিক টন নারকেল উৎপাদিত হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৮১ কোটি টাকা। এ বছর প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৪০ হাজার নারকেলের চারা বিতরণ করা হয়েছে। নারকেল ও ডাবের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকেরা এ ফসলের আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও সহজ অর্থায়নের ব্যবস্থা করা গেলে লক্ষ্মীপুরের নারকেলের ছোবড়াভিত্তিক শিল্প আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। এতে অবহেলিত একটি কৃষিজ উপজাতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।