খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

বিচারাধীন জমি অর্পিত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্ত নয়: হাইকোর্ট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিচারাধীন জমি অর্পিত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্ত নয়: হাইকোর্ট

যোগফল প্রতিবেদক:জমির মালিকানা নিয়ে একাধিক পক্ষের মধ্যে দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন থাকলে বিরোধপূর্ণ ওই জমি অর্পিত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্ত করা যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে জমির স্বত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হওয়ার পর রায়ে বিজয়ী পক্ষের অনুকূলে সম্পত্তিটি অবমুক্ত করা যাবে।

‘সাহাবুদ্দিন আহমেদ বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য’ মামলায় দেওয়া রায়ে এ নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। জমির মালিকানা নিয়ে দায়ের করা পৃথক দুটি রিট আবেদন নিষ্পত্তি করে বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৯ মে এ রায় দেন। সম্প্রতি ২২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। রায়ের মূল অংশ লেখেন বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিম।

রায়ে আদালত বলেন, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির মালিকানা ও স্বত্বের প্রশ্ন উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কোনো পক্ষের অনুকূলে সম্পত্তিটি অর্পিত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্ত করা সমীচীন হবে না।

যেভাবে বিরোধের সূত্রপাত

প্রকাশিত রায়ের বিবরণ অনুযায়ী, ফরিদপুর জেলার ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। জমিটির মূল মালিক ছিলেন যমুনা চামার ও গয়ানাত চামার। পরবর্তী সময়ে হস্তান্তরের ধারাবাহিকতায় জমিটির মালিকানা অনিল কুমার দত্তের কাছে যায়। পরে দানসূত্রে তাঁর ছেলে অলোক কুমার দত্ত জমিটির মালিক হন।

অলোক কুমার দত্ত ১৯৯৬ সালের ৮ জুলাই রেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় দলিলের মাধ্যমে জমিটি শাহাবুদ্দিন আহমেদের কাছে বিক্রি করেন এবং তাঁকে দখল বুঝিয়ে দেন।

অন্যদিকে, মামলার অন্যতম বিবাদী মো. জাহিদুর রহমানের দাবি, অলোক কুমার দত্ত ১৯৯৬ সালের ২৩ মে তাঁর সঙ্গে জমিটি বিক্রির জন্য একটি বায়নাপত্র সম্পাদন করেছিলেন। চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে তিনি ২০০১ সালে দেওয়ানি মামলা করেন। ওই মামলায় ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর একতরফা ডিক্রি পান এবং ২০০৩ সালে আদালতের মাধ্যমে রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের অধিকারী হন।

এদিকে, ওই রায় ও ডিক্রির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ২৫ আগস্ট ফরিদপুরের জেলা জজ আদালতে টাইটেল আপিল করেন শাহাবুদ্দিন আহমেদ। পরে বিলম্ব মার্জনা করে আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়। এ আদেশের বিরুদ্ধে জাহিদুর রহমান দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(১) ধারায় হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন দায়ের করেন।

শুনানি শেষে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে আগের আদেশ বাতিল করেন এবং আপিল গ্রহণের বিষয়ে নতুন করে শুনানি করতে ফরিদপুরের জেলা জজকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অনুসারে, ২০২৩ সালের ২৫ মে জেলা জজ আদালত আপিলটি গ্রহণ করেন।

এরপর ওই আদেশের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে আবারও হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন করেন জাহিদুর রহমান। একই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত রুল জারির পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেন। ওই সিভিল রিভিশন এখনো হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন।

দুই পক্ষের বক্তব্য

শুনানিতে শাহাবুদ্দিন আহমেদের আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ১৯৯৬ সালে রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে জমির মালিকানা অর্জনের পর থেকে তাঁর মক্কেল জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। ২০০১ সালের চুক্তি বাস্তবায়নের মামলায় শাহাবুদ্দিন আহমেদকে পক্ষভুক্ত করা হয়নি বলে ওই মামলার ডিক্রি ও পরবর্তী দলিলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অন্যদিকে, জাহিদুর রহমানের আইনজীবী মো. নাসির শিকদার দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের বায়নাপত্রটি শাহাবুদ্দিন আহমেদের বিক্রয় দলিলের আগের। আদালতের ডিক্রির মাধ্যমে অর্জিত স্বত্ব ও দলিলের ভিত্তিতে তাঁর মক্কেল আইনি অধিকার পেয়েছেন বলেও যুক্তি দেন তিনি।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা

হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে বলেন, জমিটির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান দেওয়ানি বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। পাশাপাশি শাহাবুদ্দিন আহমেদের ক্রয় করা জমির দলিলের সত্যতা ও বৈধতা নিয়েও জটিলতা রয়েছে। এসব বিষয় সংক্ষিপ্ত রিট শুনানিতে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

আদালত আরও বলেন, বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির মালিকানা ও স্বত্ব আগে উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। এরপর যে পক্ষের অনুকূলে স্বত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে, সেই পক্ষের অনুকূলে সম্পত্তিটি অর্পিত সম্পত্তির তালিকা থেকে অবমুক্ত করা যাবে।

এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মালিকানা নিয়ে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন আইনি লড়াই নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তির দখলের বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রায়ের মাধ্যমে আদালত স্পষ্ট করেছেন, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ বিচারাধীন থাকলে কেবল রিটের মাধ্যমে সেই বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা যাবে না। আগে উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে স্বত্ব নির্ধারণ করতে হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।