খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী নিহত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় শাবিপ্রবির শিক্ষার্থী নিহত

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকে ধাক্কা লেগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নিহত সাদমান রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন তপোবন আবাসিক এলাকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সাদমানের বাড়ি রাজবাড়ীর মধ্য ভবানীপুর এলাকায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন টিলারগাঁও এলাকার একটি মেসে থাকতেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা শেষে মোটরসাইকেলে করে মদিনা মার্কেটের দিকে যাচ্ছিলেন সাদমান। পথে একটি স্পিডব্রেকারের কাছে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকে ধাক্কা লাগে। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন সাদমানের সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মুঠোফোনে খবর দেন। পরে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, স্পিডব্রেকারে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি সড়ক বিভাজকে ধাক্কা খেয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদনের পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোখলেসুর রহমান বলেন, সাদমানের মৃত্যুতে শাবিপ্রবি পরিবার শোকাহত। তার অভিভাবকদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন সাপেক্ষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থী মরদেহবাহী গাড়ির সঙ্গে রওনা দিয়েছেন। 

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম

শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা  প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড চিনাশুখানিয়া এলাকার বড়চালা গ্রামে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে ধারালো বটি দিয়ে কু*পিয়ে হ*ত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী উদ্ভব এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। গর্ভের শিশুটিকে বাঁচাতে চিকিৎসকদের মাধ্যমে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নিহত সীমা রানী দাসের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। প্রায় দেড় বছর আগে ২৫ বছর বয়সী ওই যুবকের সঙ্গে ৩৫ বছর বয়সী সীমা রানীর প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিকভাবে কলহের জেরে  হঠাৎ স্বামী ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে সীমা রানীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃ*ত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানিয়ে পুলিশকে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহের পাশে তাঁকে বসে থাকতে দেখে। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্তের বাবা নকুল জানান, তাঁর ছেলে মাদকাসক্ত। তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থায় প্রায়ই পুত্রবধূকে মারধর করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এলাকাবাসীর কয়েকজনও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনগত তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সীমা রানী দাসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছে। তাঁর গর্ভের শিশুটিকে বাঁচানোর আশায় দ্রুত উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ  বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি  :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ সুজন হোসেনের বিরুদ্ধে গোপনে বিয়ে, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী স্মৃতি আক্তার। তিনি বিয়ের স্বীকৃতি এবং তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করার দাবি জানিয়েছেন।

স্মৃতি আক্তারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের বাবার নাম আবদুল আজিজ। দুজনেরই ঠিকানা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রাম। বর্তমানে সুজন হোসেন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। 

গোপনে বিয়ের অভিযোগ, স্মৃতি আক্তারের দাবি, ১৪ মে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে মোহাম্মদ সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁরা দুজনই বিদেশে যান এবং সৌদি আরবে প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেন বলে জানান তিনি।

স্মৃতির অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের কাগজপত্র তৈরি করে তা সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে স্মৃতির প্রশ্ন, তাঁকে না জানিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়ে থাকলে এরপরও কেন তাঁরা প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেছেন?

স্মৃতি আক্তারের দাবি, বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর কারণে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি চান, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক এবং বিয়ের স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগ

স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ, দাম্পত্য সম্পর্ক চলাকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে সুজন হোসেনকে টাকা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সুজনের কাছে তাঁর সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন।

বিয়ের স্বীকৃতি চান স্মৃতি:
স্মৃতি আক্তারের বক্তব্য, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি আর গোপন না রেখে প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক, যাতে পরিবার-পরিজন ও সমাজের মানুষ তাঁদের বিয়ের কথা জানতে পারেন। ইতিমধ্যেই তার পরিবার পরিজন কে বিয়ের বিষয় টি জাননো হয় , 

তিনি তাঁর দাম্পত্য সম্পর্কের স্বীকৃতি এবং অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু সমাধান চান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়ে থাকলে সেই সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার না করে প্রকাশ্যে স্বীকার করা উচিত।

উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

ছবি সংগৃহীত



শাকুর মাহমুদ চৌধুরী (উখিয়া) কক্সবাজার:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চেংখোলা এলাকায় বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মো. মোবারক (৩৫) ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সমাজ সর্দার আবদুর রহমান (৬০)।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী আবদুর রহমানের দাবি, কয়েক দিন ধরে অভিযুক্ত মোবারকের বাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চলছিল। এতে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে গান-বাজনা বন্ধ করার অনুরোধ জানালে মোবারক ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁরা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন আবদুর রহমান। এ ঘটনায় মোবারকসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ শাহাজান, জামাল, ওসমান ও জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহতদের উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কম গুরুতর আহতরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আবদুর রহমান তাঁর লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, সমাজ সর্দার উচ্ছৃঙ্খল গান-বাজনা বন্ধ করতে বলায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম