খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার মামলায় ২৬ আসামির বিচার শুরু

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার মামলায় ২৬ আসামির বিচার শুরু

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর উত্তরায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

রোববার (১১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়। পরে ওই দিনও আদেশ না দিয়ে ১১ অক্টোবর পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীসহ মোট ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আটজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ১৮ জন পলাতক।

কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি শাহ আলম এবং তুরাগ থানা এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী ইরফানুল হক গাজী।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, উত্তরা বিভাগের সাবেক উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. তোহিদুল ইসলাম, সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার সুমন কর, উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক ওসি বিএম ফরমান আলী, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) মাহমুদুল হাসান, সাবেক কনস্টেবল আবু ছায়েম, সাবেক এসআই খালেদ আনোয়ার ও সাবেক এএসআই মো. রোকনুজ্জামান।

এ ছাড়া পলাতক আসামিদের তালিকায় রয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে যুবরাজ, ফরিদ আহমেদ, ডিএম শামীম, আনিছুর রহমান নাঈম, আফছার উদ্দিন খান, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আল সোহেল, উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মুরতাফা বিন ওমর ওরফে সাথিল এবং তুরাগ থানা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন ওরফে মিঠু।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করছিলেন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। এ সময় তিনি আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মধ্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন। একপর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হন মুগ্ধ। পরে কয়েকজন আন্দোলনকারী তাঁকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ১৮ ও ১৯ জুলাই উত্তরায় আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আশপাশের এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে মুগ্ধসহ সাতজন নিহত হন। একই ঘটনায় উবারচালক মোখলেছুর রহমান ওরফে দুর্জয়কে পুলিশের সাঁজোয়া যান (এপিসি) দিয়ে পিষ্ট করে হত্যার পর তাঁর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে তুরাগ নদে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া মেহেদী হাসানসহ পাঁচজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে গুরুতর আহত করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯ জুলাই একই এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর আবারও নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে রিদোয়ান শরীফ রিয়াদ জয়েসহ চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় রাইসুল রহমান রাতুলকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ রয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, ১৮ ও ১৯ জুলাই উত্তরায় সংঘটিত এসব হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার ঘটনা বিচ্ছিন্ন ছিল না; বরং এগুলো পরিকল্পিত, ব্যাপক ও পদ্ধতিগতভাবে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অংশ।

২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা  প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড চিনাশুখানিয়া এলাকার বড়চালা গ্রামে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে ধারালো বটি দিয়ে কু*পিয়ে হ*ত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী উদ্ভব এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। গর্ভের শিশুটিকে বাঁচাতে চিকিৎসকদের মাধ্যমে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নিহত সীমা রানী দাসের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। প্রায় দেড় বছর আগে ২৫ বছর বয়সী ওই যুবকের সঙ্গে ৩৫ বছর বয়সী সীমা রানীর প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিকভাবে কলহের জেরে  হঠাৎ স্বামী ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে সীমা রানীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃ*ত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানিয়ে পুলিশকে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহের পাশে তাঁকে বসে থাকতে দেখে। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্তের বাবা নকুল জানান, তাঁর ছেলে মাদকাসক্ত। তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থায় প্রায়ই পুত্রবধূকে মারধর করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এলাকাবাসীর কয়েকজনও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনগত তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সীমা রানী দাসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছে। তাঁর গর্ভের শিশুটিকে বাঁচানোর আশায় দ্রুত উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ  বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি  :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ সুজন হোসেনের বিরুদ্ধে গোপনে বিয়ে, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী স্মৃতি আক্তার। তিনি বিয়ের স্বীকৃতি এবং তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করার দাবি জানিয়েছেন।

স্মৃতি আক্তারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের বাবার নাম আবদুল আজিজ। দুজনেরই ঠিকানা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রাম। বর্তমানে সুজন হোসেন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। 

গোপনে বিয়ের অভিযোগ, স্মৃতি আক্তারের দাবি, ১৪ মে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে মোহাম্মদ সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁরা দুজনই বিদেশে যান এবং সৌদি আরবে প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেন বলে জানান তিনি।

স্মৃতির অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের কাগজপত্র তৈরি করে তা সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে স্মৃতির প্রশ্ন, তাঁকে না জানিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়ে থাকলে এরপরও কেন তাঁরা প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেছেন?

স্মৃতি আক্তারের দাবি, বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর কারণে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি চান, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক এবং বিয়ের স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগ

স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ, দাম্পত্য সম্পর্ক চলাকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে সুজন হোসেনকে টাকা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সুজনের কাছে তাঁর সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন।

বিয়ের স্বীকৃতি চান স্মৃতি:
স্মৃতি আক্তারের বক্তব্য, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি আর গোপন না রেখে প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক, যাতে পরিবার-পরিজন ও সমাজের মানুষ তাঁদের বিয়ের কথা জানতে পারেন। ইতিমধ্যেই তার পরিবার পরিজন কে বিয়ের বিষয় টি জাননো হয় , 

তিনি তাঁর দাম্পত্য সম্পর্কের স্বীকৃতি এবং অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু সমাধান চান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়ে থাকলে সেই সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার না করে প্রকাশ্যে স্বীকার করা উচিত।

উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

ছবি সংগৃহীত



শাকুর মাহমুদ চৌধুরী (উখিয়া) কক্সবাজার:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চেংখোলা এলাকায় বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মো. মোবারক (৩৫) ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সমাজ সর্দার আবদুর রহমান (৬০)।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী আবদুর রহমানের দাবি, কয়েক দিন ধরে অভিযুক্ত মোবারকের বাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চলছিল। এতে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে গান-বাজনা বন্ধ করার অনুরোধ জানালে মোবারক ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁরা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন আবদুর রহমান। এ ঘটনায় মোবারকসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ শাহাজান, জামাল, ওসমান ও জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহতদের উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কম গুরুতর আহতরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আবদুর রহমান তাঁর লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, সমাজ সর্দার উচ্ছৃঙ্খল গান-বাজনা বন্ধ করতে বলায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম