খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

ছবি যোগফল

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্নে উদযাপনে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিজিবির সহায়তা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ধর্মীয় উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা যায়।

রবিবার (১১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাকে শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতিও নিয়মিত পর্যালোচনা করতে হবে। গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে পরবর্তী সভার আগেই অন্তত কয়েকটি কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন রাজনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। গণতান্ত্রিক সরকার দ্রুতগতিতে কাজ করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ময়মনসিংহ জেলাকে উন্নত করতে হলে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নির্মূলে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে কৃষি ও সমাজকল্যাণ বিভাগের কর্মকর্তাদের এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে সবাইকে জনসম্পৃক্ততা বজায় রেখে কাজ করতে হবে। জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ময়মনসিংহকে একটি উন্নত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সভা শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ময়মনসিংহের উন্নয়নে ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, খাদ্যগুদাম নির্মাণ, নদীভাঙন রোধ এবং বিভিন্ন সরকারি ভবন নির্মাণ ও সংস্কার। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভবন সংস্কারের পাশাপাশি পাশে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ময়মনসিংহের প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরাও সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছেন। আগামী বছর থেকে এসব উন্নয়নকাজ শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে এর সুফল দৃশ্যমান হবে।
উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান সম্পূর্ণ কঠোর। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংসদ সদস্যরাও উন্নয়নকাজের ওপর নজরদারি রাখবেন, যাতে কোনো ধরনের দুর্নীতি না ঘটে।
এ সময় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাঁকে শনাক্ত করে কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংসদ সদস্যরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। প্রয়োজনে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান।

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ এবং ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও  ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা  প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড চিনাশুখানিয়া এলাকার বড়চালা গ্রামে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে ধারালো বটি দিয়ে কু*পিয়ে হ*ত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী উদ্ভব এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। গর্ভের শিশুটিকে বাঁচাতে চিকিৎসকদের মাধ্যমে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নিহত সীমা রানী দাসের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। প্রায় দেড় বছর আগে ২৫ বছর বয়সী ওই যুবকের সঙ্গে ৩৫ বছর বয়সী সীমা রানীর প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিকভাবে কলহের জেরে  হঠাৎ স্বামী ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে সীমা রানীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃ*ত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানিয়ে পুলিশকে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহের পাশে তাঁকে বসে থাকতে দেখে। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্তের বাবা নকুল জানান, তাঁর ছেলে মাদকাসক্ত। তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থায় প্রায়ই পুত্রবধূকে মারধর করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এলাকাবাসীর কয়েকজনও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনগত তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সীমা রানী দাসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছে। তাঁর গর্ভের শিশুটিকে বাঁচানোর আশায় দ্রুত উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ  বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি  :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ সুজন হোসেনের বিরুদ্ধে গোপনে বিয়ে, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী স্মৃতি আক্তার। তিনি বিয়ের স্বীকৃতি এবং তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করার দাবি জানিয়েছেন।

স্মৃতি আক্তারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের বাবার নাম আবদুল আজিজ। দুজনেরই ঠিকানা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রাম। বর্তমানে সুজন হোসেন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। 

গোপনে বিয়ের অভিযোগ, স্মৃতি আক্তারের দাবি, ১৪ মে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে মোহাম্মদ সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁরা দুজনই বিদেশে যান এবং সৌদি আরবে প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেন বলে জানান তিনি।

স্মৃতির অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের কাগজপত্র তৈরি করে তা সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে স্মৃতির প্রশ্ন, তাঁকে না জানিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়ে থাকলে এরপরও কেন তাঁরা প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেছেন?

স্মৃতি আক্তারের দাবি, বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর কারণে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি চান, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক এবং বিয়ের স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগ

স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ, দাম্পত্য সম্পর্ক চলাকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে সুজন হোসেনকে টাকা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সুজনের কাছে তাঁর সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন।

বিয়ের স্বীকৃতি চান স্মৃতি:
স্মৃতি আক্তারের বক্তব্য, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি আর গোপন না রেখে প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক, যাতে পরিবার-পরিজন ও সমাজের মানুষ তাঁদের বিয়ের কথা জানতে পারেন। ইতিমধ্যেই তার পরিবার পরিজন কে বিয়ের বিষয় টি জাননো হয় , 

তিনি তাঁর দাম্পত্য সম্পর্কের স্বীকৃতি এবং অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু সমাধান চান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়ে থাকলে সেই সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার না করে প্রকাশ্যে স্বীকার করা উচিত।

উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

ছবি সংগৃহীত



শাকুর মাহমুদ চৌধুরী (উখিয়া) কক্সবাজার:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চেংখোলা এলাকায় বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মো. মোবারক (৩৫) ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সমাজ সর্দার আবদুর রহমান (৬০)।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী আবদুর রহমানের দাবি, কয়েক দিন ধরে অভিযুক্ত মোবারকের বাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চলছিল। এতে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে গান-বাজনা বন্ধ করার অনুরোধ জানালে মোবারক ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁরা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন আবদুর রহমান। এ ঘটনায় মোবারকসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ শাহাজান, জামাল, ওসমান ও জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহতদের উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কম গুরুতর আহতরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আবদুর রহমান তাঁর লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, সমাজ সর্দার উচ্ছৃঙ্খল গান-বাজনা বন্ধ করতে বলায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম