খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৫১ মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন: উৎসবের রঙে সাজছে পাইকগাছা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৫১ মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন: উৎসবের রঙে সাজছে পাইকগাছা

ছবি যোগফল

এম জালাল উদ্দীন ।। পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে খুলনার পাইকগাছা উপজেলাজুড়ে। প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ, মণ্ডপ সাজসজ্জা, দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজাকে আনন্দমুখর ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৫১টি পূজামণ্ডপে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

শরতের নীল আকাশ, কাশফুলের দোলা আর উৎসবের আগমনী আবহে ইতোমধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে উপজেলার বিভিন্ন জনপদে। মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হওয়ার পর থেকেই পূজামণ্ডপগুলোতে বেড়েছে কর্মব্যস্ততা। মৃৎশিল্পীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে প্রতিমার শেষ পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন করছেন। কোথাও চলছে প্রতিমায় রঙের প্রলেপ, কোথাও দেবদেবীর পোশাক ও অলংকার পরানোর প্রস্তুতি। পাশাপাশি মণ্ডপের সৌন্দর্য বাড়াতে চলছে প্যান্ডেল নির্মাণ ও আলোকসজ্জার কাজ।

প্রতিমাশিল্পীদের নিপুণ হাতে মাটি, বাঁশ, খড় ও সুতলির কাঠামোতে ফুটে উঠেছে দেবী দুর্গা ও তাঁর সন্তানদের প্রতিমা। দেবী দুর্গার পাশাপাশি লক্ষ্মী, সরস্বতী, গণেশ ও কার্তিকের প্রতিমা সাজিয়ে তোলার কাজও চলছে পুরোদমে। উৎসবের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে আয়োজকদের ব্যস্ততা। অন্যদিকে নতুন পোশাক কেনাকাটা, আত্মীয়স্বজনের আগমন ও অতিথি আপ্যায়নের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারগুলো।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ পাইকগাছা উপজেলা শাখার তথ্যমতে, এবছর পৌরসভায় ৬টি, হরিঢালীতে ১৭টি, কপিলমুনিতে ১৮টি, লতায় ১২টি, দেলুটিতে ১৩টি, সোলাদানায় ১২টি, লস্করে ১৯টি, গদাইপুরে ৭টি, রাড়ুলীতে ২০টি, চাঁদখালীতে ১৫টি এবং গড়ইখালী ইউনিয়নে ১২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সব মিলিয়ে উপজেলার ১৫১টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পূজা উদযাপিত হবে। আগামী ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বছর দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটি এবং স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক প্রাণ কৃষ্ণ দাশ জানান, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে প্রতিটি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় পরিবেশে উৎসব উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনে প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাই যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে জানান উপজেলা প্রশাসনের এ কর্মকর্তা।

এদিকে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দুর্গোৎসবকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে-এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। সব মিলিয়ে ১৫১টি পূজামণ্ডপে দেবী দুর্গার আগমনকে বরণ করে নিতে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত পাইকগাছার পূজাআয়োজক ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী'কে হ/ত্যার পর ৯৯৯ এ স্বামী'র ফোন

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা  প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড চিনাশুখানিয়া এলাকার বড়চালা গ্রামে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সীমা রানী দাসকে ধারালো বটি দিয়ে কু*পিয়ে হ*ত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী উদ্ভব এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ। গর্ভের শিশুটিকে বাঁচাতে চিকিৎসকদের মাধ্যমে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নিহত সীমা রানী দাসের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। প্রায় দেড় বছর আগে ২৫ বছর বয়সী ওই যুবকের সঙ্গে ৩৫ বছর বয়সী সীমা রানীর প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিকভাবে কলহের জেরে  হঠাৎ স্বামী ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে সীমা রানীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃ*ত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে স্ত্রীকে হত্যার কথা জানিয়ে পুলিশকে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহের পাশে তাঁকে বসে থাকতে দেখে। পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্তের বাবা নকুল জানান, তাঁর ছেলে মাদকাসক্ত। তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন এবং নেশাগ্রস্ত অবস্থায় প্রায়ই পুত্রবধূকে মারধর করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এলাকাবাসীর কয়েকজনও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ করেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনগত তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত জানা যাবে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সীমা রানী দাসকে মৃত অবস্থায় পেয়েছে। তাঁর গর্ভের শিশুটিকে বাঁচানোর আশায় দ্রুত উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজীপুরে সুজনের বিরুদ্ধে স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ  বিয়ের স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের দাবি

ছবি যোগফল

মো: সজিব | গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি  :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ সুজন হোসেনের বিরুদ্ধে গোপনে বিয়ে, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন সৌদি আরব প্রবাসী স্মৃতি আক্তার। তিনি বিয়ের স্বীকৃতি এবং তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করার দাবি জানিয়েছেন।

স্মৃতি আক্তারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের বাবার নাম আবদুল আজিজ। দুজনেরই ঠিকানা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরের নোয়াগাঁও গ্রাম। বর্তমানে সুজন হোসেন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। 

গোপনে বিয়ের অভিযোগ, স্মৃতি আক্তারের দাবি, ১৪ মে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে মোহাম্মদ সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁরা দুজনই বিদেশে যান এবং সৌদি আরবে প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেন বলে জানান তিনি।

স্মৃতির অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের কাগজপত্র তৈরি করে তা সৌদি আরবে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে স্মৃতির প্রশ্ন, তাঁকে না জানিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়ে থাকলে এরপরও কেন তাঁরা প্রায় ১৬ মাস একসঙ্গে বসবাস করেছেন?

স্মৃতি আক্তারের দাবি, বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর কারণে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তিনি চান, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক এবং বিয়ের স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতনের অভিযোগ

স্মৃতি আক্তারের অভিযোগ, দাম্পত্য সম্পর্ক চলাকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে সুজন হোসেনকে টাকা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সুজনের কাছে তাঁর সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি পাওনা রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ করেছেন।

বিয়ের স্বীকৃতি চান স্মৃতি:
স্মৃতি আক্তারের বক্তব্য, তাঁদের বিয়ের বিষয়টি আর গোপন না রেখে প্রকাশ্যে স্বীকার করা হোক, যাতে পরিবার-পরিজন ও সমাজের মানুষ তাঁদের বিয়ের কথা জানতে পারেন। ইতিমধ্যেই তার পরিবার পরিজন কে বিয়ের বিষয় টি জাননো হয় , 

তিনি তাঁর দাম্পত্য সম্পর্কের স্বীকৃতি এবং অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু সমাধান চান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সুজন হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়ে থাকলে সেই সম্পর্কের বিষয়টি অস্বীকার না করে প্রকাশ্যে স্বীকার করা উচিত।

উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
উখিয়ায় উচ্চস্বরে গান-বাজনা করা'কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

ছবি সংগৃহীত



শাকুর মাহমুদ চৌধুরী (উখিয়া) কক্সবাজার:
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চেংখোলা এলাকায় বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ থেকে ৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মো. মোবারক (৩৫) ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় সমাজ সর্দার আবদুর রহমান (৬০)।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী আবদুর রহমানের দাবি, কয়েক দিন ধরে অভিযুক্ত মোবারকের বাড়িতে উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চলছিল। এতে এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছিল এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে গান-বাজনা বন্ধ করার অনুরোধ জানালে মোবারক ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাঁরা গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন আবদুর রহমান। এ ঘটনায় মোবারকসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ শাহাজান, জামাল, ওসমান ও জুবায়েরসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহতদের উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কম গুরুতর আহতরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আবদুর রহমান তাঁর লিখিত অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, সমাজ সর্দার উচ্ছৃঙ্খল গান-বাজনা বন্ধ করতে বলায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম