খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

যাদুকাটা ঘিরে কর্মসংস্থান সংকুচিত, দুশ্চিন্তায় হাজারো পরিবার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যাদুকাটা ঘিরে কর্মসংস্থান সংকুচিত, দুশ্চিন্তায় হাজারো পরিবার

ছবি যোগফল

আমির হোসেন । সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীতে বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতার প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ। একসময় শ্রমিকদের ব্যস্ততা, বারকি নৌকার আনাগোনা, পণ্য পরিবহন ও বেচাকেনার কোলাহলে মুখর থাকা বাদাঘাট বাজারের কালীবাড়ি রোডেও এখন আগের মতো কর্মচাঞ্চল্য নেই। নদীকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডে ভাটা পড়ায় শ্রমিকদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও বাজারনির্ভর পেশাজীবীদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, যাদুকাটা নদী শুধু বালু-পাথর আহরণের একটি উৎস নয়; এটি তাহিরপুর ও আশপাশের এলাকার বহু মানুষের জীবন-জীবিকা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে আছে। নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শ্রমিক, বারকি নৌকার মাঝি, পরিবহনকর্মী, দোকানদার, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান।

জেলা প্রশাসনের তথ্যের বরাত দিয়ে জানা যায়, যাদুকাটা নদীকে কেন্দ্র করে একসময় প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক সরাসরি কাজ করতেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক বারকি নৌকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ফলে নদীতে কাজ বন্ধ বা সীমিত হলে এর প্রভাব শুধু বালু-পাথর উত্তোলনকারী শ্রমিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং নদীকেন্দ্রিক পুরো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেই এর প্রভাব পড়ে।


বাদাঘাট বাজারের কালীবাড়ি রোডসহ নদীকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত এলাকায় আগের তুলনায় কর্মচাঞ্চল্য কমে যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক। নদীতে কাজের সুযোগ কমলে শ্রমিকদের আয় কমে যায়। এতে তাঁদের দৈনন্দিন কেনাকাটা, নৌকা ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যয় এবং বাজারের অন্যান্য ব্যবসার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

নদীতে কাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের উপার্জনের ওপর অনেক পরিবারের দৈনন্দিন জীবন নির্ভরশীল। নিয়মিত কাজ না থাকলে তাঁদের সংসার চালানো, সন্তানদের পড়াশোনার খরচ বহন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের আয় কমে গেলে বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বেচাকেনাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এর আগেও যাদুকাটা নদীতে বালু উত্তোলন দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আদালতের রায়ে কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছিল বলে জানা যায়। তবে নদীকে ঘিরে উত্তোলন কার্যক্রমের স্থায়িত্ব ও কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আবারও আলোচনায় এসেছে।

যাদুকাটা নদীকে ঘিরে বালু-পাথর উত্তোলনের ক্ষেত্রে অবৈধ কার্যক্রম, নদীভাঙন ও পরিবেশগত ক্ষতির অভিযোগও রয়েছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, তীরবর্তী জনপদ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলন নিয়ে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা এবং পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা ও আদালতের আদেশ অনুসরণ করে নদীর ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বৈধ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

নদী রক্ষার নামে সাধারণ শ্রমিকদের জীবিকার সংকট উপেক্ষা করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি কর্মসংস্থানের অজুহাতে নদী ও পরিবেশের ক্ষতি হয়—এমন কার্যক্রমও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। প্রয়োজন আইনসম্মত, স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থাপনা।

সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রকৃত শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করা হবে। আদালত ও সরকারি নির্দেশনা মেনে বৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ থাকলে তা নিশ্চিত করা এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখতে নদীকেন্দ্রিক শ্রমিক, নৌকার মাঝি, পরিবহনকর্মী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে নদীর পরিবেশগত ক্ষতি প্রতিরোধ, অবৈধ উত্তোলন বন্ধ এবং নিয়মিত তদারকির ব্যবস্থা জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

যাদুকাটা নদীকে ঘিরে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে হাজারো মানুষের জীবিকা জড়িত। তাই নদীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের আয়-রোজগারের পথ খুঁজে বের করা সময়ের দাবি।

বাদাঘাট বাজারের বর্তমান নীরবতা কেবল বেচাকেনার মন্দার চিত্র নয়; এটি নদীকেন্দ্রিক জীবিকার ওপর নির্ভরশীল মানুষের অনিশ্চয়তারও প্রতিফলন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের  কার্যকর উদ্যোগে নদী ও পরিবেশ রক্ষা করে বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে উপকৃত হবেন শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা—যাদুকাটাকে বাঁচিয়ে, আইন মেনে, পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে মানুষের জীবিকা ফিরিয়ে আনা হোক। সচল হোক নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতি, ফিরুক বাদাঘাট বাজারের কর্মচাঞ্চল্য।

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।