খুঁজুন
advertisement
advertisement
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২৮ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৩ মাসে কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ, ১০ বছরেই হাফেজ নাঈম

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
১৩ মাসে কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ, ১০ বছরেই হাফেজ নাঈম

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

মাত্র ১৩ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ১০ বছর বয়সী শিশু মুহাম্মদ নাঈম আহমদ। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাদ্রাসার শিক্ষকের কাছে কোরআনের শেষ সবক শোনানোর মধ্য দিয়ে তার হিফজ সম্পন্ন হয়। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তার হিফজ সম্পন্নের ঘোষণা দেয়।

নাঈম রাজধানীর উত্তরার জামিয়া আরাবিয়া নুরুল ইসলাম মাদ্রাসা ও এতিমখানার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার চতুল-সরুফৌদ গ্রামে। অল্প বয়সে এত কম সময়ে হিফজ সম্পন্ন করায় আনন্দিত তার পরিবারের সদস্য, শিক্ষক ও সহপাঠীরা।

প্রয়াত শফিক আহমদ ও মরিয়ম বেগম দম্পতির তিন ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার ছোট নাঈম। পিতৃহীন এই শিশুর বেড়ে ওঠার পথ ছিল নানা প্রতিকূলতায় ভরা। আর্থিক সংকটের মধ্যেও অধ্যবসায়, ইচ্ছাশক্তি ও শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে সে কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করেছে।

নাঈমের মা মরিয়ম বেগম জানান, ছেলেকে হাফেজ বানানোর স্বপ্ন ছিল তাঁদের। কিন্তু স্বামীর মৃত্যুর পর আর্থিক সংকটের কারণে সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে জামিয়া আরাবিয়া নুরুল ইসলাম মাদ্রাসা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। পাশাপাশি যমুনা গ্রুপও তাঁদের সহযোগিতা করে।

মরিয়ম বেগম বলেন, “মহান আল্লাহ আমাদের ইচ্ছা পূরণ করেছেন। আমাদের স্বপ্ন ছিল ছেলেকে হাফেজ বানানোর, কিন্তু আমাদের সেই সামর্থ্য ছিল না। আমার স্বামী প্রায় সাত বছর আগে ইন্তেকাল করেন। অভাব-অনটনের কারণে একসময় সন্তানের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ঠিক সেই সময়ে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ায় যমুনা গ্রুপ।”

ছেলের ভবিষ্যতের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি আরও বলেন, “আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করার পাশাপাশি জামিয়া আরাবিয়া নুরুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁদের আন্তরিক সহযোগিতার কারণেই আমার ছেলে মাত্র ১৩ মাসে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছে। দেশবাসীর কাছে আমার ছেলের জন্য দোয়া চাই। সে যেন বড় হয়ে ইসলাম ও দেশের খেদমত করতে পারে।”

মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মাহবুবুল আম্বিয়া বলেন, নাঈম খুব অল্প সময়ের মধ্যে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার এ অর্জনে মাদ্রাসার শিক্ষকসহ সবাই আনন্দিত। তিনি নাঈমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া চেয়েছেন।

নিজের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শিশু নাঈমও। সে জানায়, মায়ের দোয়া ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সহযোগিতায় ১৩ মাসে হিফজ সম্পন্ন করতে পেরেছে।

নাঈম বলে, “মায়ের দোয়া ও মাদ্রাসার ওস্তাদদের সহযোগিতায় আমি ১৩ মাসের মধ্যে হিফজ সম্পন্ন করেছি। আমি সবার কাছে দোয়া চাই, যেন ভবিষ্যতে একজন আলেম হয়ে দেশ, জাতি ও ইসলামের খেদমত করতে পারি।”

তুলি আক্তার / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শিক্ষায় ভিন্ন মাত্রা । ব্লুমিং সান স্কুলে আয়োজিত হলো ‘শরৎ উৎসব-২০২৬’

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিক্ষায় ভিন্ন মাত্রা । ব্লুমিং সান স্কুলে আয়োজিত হলো ‘শরৎ উৎসব-২০২৬’
শোয়েব হোসেন:

পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে রাজধানীর খিলক্ষেতের ব্লুমিং সান স্কুল। 

চার দেয়ালের শ্রেণিকক্ষের বাইরে এসে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও ঐতিহ্যমুখী মনস্তত্ত্ব গড়ে তুলতে বিদ্যালয়টিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ ‘শরৎ উৎসব-২০২৬’। 
 
​উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল শরতের কাশফুল ও স্নিগ্ধ রূপময় আবহে সাজানো বর্ণিল আমেজ। অনুষ্ঠানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় স্থান পায় গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি এবং শিক্ষণীয় ছোট নাটিকা, যা উপস্থিত অতিথিমণ্ডলী ও অভিভাবকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।  

​অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশিষ্ট শিল্পপতি, শিক্ষানুরাগী ও ব্লুমিং সান স্কুলের সভাপতি এ টি এম জসিম উদ্দিন বলেন, “শিক্ষা কেবল পরীক্ষার খাতায় সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, আত্মবিশ্বাস এবং আবহমান সচেতনতা তৈরিতে এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”  

​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ ইশতিয়াক। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত খিলক্ষেত অঞ্চলের প্রথম ইংরেজি ভার্সন স্কুল হিসেবে পরিচিত এই বিদ্যাপীঠের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এইচ এম সাইফুল ইসলাম সহ অভিভাবক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। 
 
​শিক্ষা পরিবেশ সুসংহত রাখার পাশাপাশি শিশুমননে নান্দনিকতার বিকাশ ঘটাতে দীর্ঘ দিন ধরেই নানা সহশিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এমন আয়োজন ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এবং তাদের মানবিক গুণসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন বিশিষ্টজনরা।

শিবপুরে ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার‘র লাইসেন্স না থাকায় অর্থদন্ড

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিবপুরে ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার‘র লাইসেন্স না থাকায় অর্থদন্ড

ছবি যোগফল

 আবু নাঈম রিপন । নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদীর শিবপুরে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল পরিচালনার দায়ে শিবপুর ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) শিবপুর উপজেলার সদর রোডে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

জানা গেছে, শিবপুর উপজেলার সদর রোডে অবস্থিত শিবপুর ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। এ অপরাধে সোমবার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন শিবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সামিউর রহমান।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল পরিচালনার বিষয়টি সামনে আসে। পরে আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করতে সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও লাইসেন্স থাকা গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মনীতি অনুসরণ না করে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হলে সেবার মান ও রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও প্রচলিত বিধিবিধান মেনে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

অভিযানে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মোসতানশির বিল্লাহ উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন। এ ছাড়া শিবপুর থানা পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করে।

উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্সসংক্রান্ত অনিয়মের বিস্তারিত তথ্য বা পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তুলি আক্তার / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

মোহাম্মদপুরে ভ্যানিটিব্যাগে মিলল ৯টি ককটেল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মোহাম্মদপুরে ভ্যানিটিব্যাগে মিলল ৯টি ককটেল

যোগফল প্রতিবেদক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকা থেকে একটি ভ্যানিটিব্যাগের ভেতর রাখা নয়টি ককটেল উদ্ধার করেছে এসআরবি-২। পরে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ককটেলগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-২-এর উপপরিচালক (মিডিয়া) মেজর এম মুবীন রহমান তাপস জানান, নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে সোমবার মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায় নাশকতার উদ্দেশ্যে ককটেল মজুত রাখার তথ্য পায় সংস্থাটি। এর ভিত্তিতে সেখানে বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি ভ্যানিটিব্যাগের ভেতর থেকে নয়টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

পরে এসআরবির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ককটেলগুলো নিরাপদে সরিয়ে নেয়। এরপর সেগুলো রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে নিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় করা হয়।

এসআরবি-২ জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা উদ্যান এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে নাশকতা ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম