খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

গ্যাসের চুলার শিখা কমলা হলে সতর্ক হোন, বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্যাসের চুলার শিখা কমলা হলে সতর্ক হোন, বাড়তে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

ছবি সংগৃহীত


নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রতিদিনের রান্নাবান্নায় গ্যাসের চুলা ব্যবহার করেন অধিকাংশ মানুষ। তবে রান্নার সময় চুলার শিখার রঙের দিকে খুব একটা নজর দেওয়া হয় না। অথচ শিখার রঙে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে তা দহনপ্রক্রিয়ায় সমস্যা কিংবা গৃহস্থালি নিরাপত্তার ঝুঁকির ইঙ্গিত হতে পারে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাসের চুলার শিখার রঙ জ্বালানির দহনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে শিখার বেশির ভাগ অংশ হলুদ বা কমলা থাকলে বিষয়টি অবহেলা না করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

চুলার শিখা নীল হওয়া কেন স্বাভাবিক?

সাধারণত গ্যাসের চুলায় নীল শিখা দেখা গেলে তা ভালোভাবে দহনের লক্ষণ। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। পর্যাপ্ত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে গ্যাস সম্পূর্ণভাবে পুড়লে মূলত তাপ, জলীয় বাষ্প ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়।

অন্যদিকে, শিখার বেশির ভাগ অংশ হলুদ বা কমলা হয়ে গেলে দহনপ্রক্রিয়ায় সমস্যা থাকার আশঙ্কা থাকে। তবে বাতাসে ধুলাবালি, আর্দ্রতা কিংবা কিছু খনিজ কণার উপস্থিতির কারণেও সাময়িকভাবে শিখার রঙ পরিবর্তিত হতে পারে। তাই শুধু শিখার রঙ দেখেই চুলায় ত্রুটি রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

কেন কমলা বা হলুদ শিখা দেখা যায়?

গ্যাসের চুলায় কমলা বা হলুদ শিখা দেখা দেওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। যেমন—

  • বার্নারে ময়লা জমা: দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় বার্নারের ছিদ্রে ময়লা জমতে পারে।

  • বাতাস চলাচলে বাধা: দহনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যেতে পারে।

  • বার্নারের ছিদ্র বন্ধ হওয়া: ছিদ্রে ময়লা জমলে গ্যাস ও বাতাসের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে পারে।

  • ধুলাবালি ও আর্দ্রতা: ঘরের বাতাসে থাকা কিছু কণা শিখার রঙে সাময়িক পরিবর্তন আনতে পারে।

  • যান্ত্রিক ত্রুটি: বার্নার বা গ্যাস সরবরাহব্যবস্থায় সমস্যা থাকলেও শিখার রঙ অস্বাভাবিক হতে পারে।

কার্বন মনোক্সাইডের ঝুঁকি কতটা?

গ্যাসের অসম্পূর্ণ দহনে কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হতে পারে। এটি বর্ণহীন ও গন্ধহীন বিষাক্ত গ্যাস, যা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে গুরুতর অসুস্থতা এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, দুর্বলতা ও বিভ্রান্তি কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তবে শিখার রঙ পরিবর্তন হলেই যে বিপজ্জনক মাত্রায় এই গ্যাস তৈরি হচ্ছে, তা নিশ্চিত নয়।

চুলার শিখা দীর্ঘ সময় ধরে হলুদ বা কমলা থাকলে কিংবা কালির আস্তরণ জমতে দেখা গেলে চুলা পরীক্ষা করানো উচিত। সন্দেহজনক অবস্থায় চুলা ব্যবহার বন্ধ করে নিরাপদে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করুন এবং অভিজ্ঞ কারিগরের সহায়তা নিন। গ্যাসের চুলা ব্যবহার করা ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা জরুরি।

গ্যাসের অপচয় ও বাড়তি খরচ

দহনপ্রক্রিয়ায় সমস্যা থাকলে চুলা থেকে প্রত্যাশিত তাপ পাওয়া নাও যেতে পারে। এতে রান্না করতে বেশি সময় লাগতে পারে এবং জ্বালানির কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। পাশাপাশি ঘরের ভেতরের বাতাসও দূষিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে শুধু শিখার রঙ দেখে গ্যাসের অপচয় বা বাড়তি বিল নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায় না। এ জন্য চুলার সামগ্রিক অবস্থা ও দহনপ্রক্রিয়া পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

নিরাপদ থাকতে যা করবেন

গ্যাসের চুলার শিখার রঙের দিকে নিয়মিত নজর রাখুন। বার্নার ঠান্ডা হওয়ার পর প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিষ্কার করুন। গ্যাসের সংযোগ বা বার্নারে নিজে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ মেরামতের চেষ্টা করবেন না।

গ্যাসের গন্ধ পেলে আগুন জ্বালাবেন না এবং বৈদ্যুতিক সুইচ চালু বা বন্ধ করবেন না। নিরাপদে সম্ভব হলে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করে স্থান ত্যাগ করুন এবং বাইরে থেকে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন। কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়া সন্দেহ হলে দ্রুত খোলা বাতাসে চলে গিয়ে জরুরি চিকিৎসা নিন।

সামান্য সতর্কতা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে গ্যাসের চুলা ব্যবহারের ঝুঁকি কমানো এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।