খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২৯ আশ্বিন, ১৪৩৩

শ্রীপুরে শিক্ষার্থীর আইফোন নেওয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে শিক্ষার্থীর আইফোন নেওয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর কেনা আইফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসান টিটুর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের খরচের কথা বলে ওই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে এসআইয়ের বক্তব্যে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আবুল হাসনাত আয়ান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ (সফিক মোড়) গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

আয়ানের অভিযোগ, গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে গিয়ে এসআই মেহেদী হাসান টিটু ফোনটি চোরাই বলে দাবি করেন। চট্টগ্রামে এক নারীর মুঠোফোন চুরির মামলার সূত্র ধরে ফোনটি নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফোন কেনার কাগজপত্র ও দোকান থেকে কেনার প্রমাণ দেখানোর পরও তাঁর কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে দাবি করেন আয়ান।

আয়ান জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের অ্যাপল হট নামের একটি দোকান থেকে নগদ ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় ব্যবহৃত আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স কেনেন তিনি। ফোনটির ক্যাশ মেমো ও বক্সও তাঁর কাছে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আয়ানের ভাষ্য, গত ৯ অক্টোবর এসআই মেহেদী হাসান টিটু ফোন করে তাঁর বিস্তারিত তথ্য নেন। পরদিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাঁর বাড়িতে গিয়ে এসআই জানান, ফোনটি চোরাই। চট্টগ্রামে এক নারীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাঁর মুঠোফোন, টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় ফোনটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানানো হয়।

আয়ান বলেন, তিনি ফোন কেনার ক্যাশ মেমো ও বক্স দেখানোর পাশাপাশি এসআইয়ের সামনেই সংশ্লিষ্ট দোকানে ফোন করে কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ সময় তাঁর মামাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর মামা এসআইকে দোকানে গিয়ে তদন্ত করার পরামর্শ দেন। কিন্তু এরপরও তাঁকে ফোনসহ নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন আয়ান।

তিনি আরও বলেন, পরে ফোনের লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের খরচের কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়। ফোন নেওয়ার সময় পুরো কার্যক্রমের ভিডিও ধারণ করতে অনুরোধ করলে এসআই নিজের মুঠোফোনে ভিডিও করেন। তবে সেই ভিডিওর কোনো কপি তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

আয়ানের প্রশ্ন, বৈধভাবে ফোন কেনার প্রমাণ দেখানোর পরও কেন তাঁকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে? ফোন কেনার কাগজপত্র ও সংশ্লিষ্ট দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে এসআই মেহেদী হাসান টিটু বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের এক নারীকে তাঁর পরিচিত ব্যক্তিরা নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখেন। পরে ওই নারীর বাসা থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও একটি আইফোন নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় ওই নারী একটি সিআর মামলা করেন। মামলাটি গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ডিবি থেকে তাঁকে মুঠোফোনটি উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি ফোনটি উদ্ধার করে নিয়ে আসেন বলে জানান।

তবে শিক্ষার্থী বৈধভাবে দোকান থেকে ফোনটি কিনে থাকলে তাঁর আর্থিক ক্ষতি কীভাবে পূরণ হবে—এমন প্রশ্নের সরাসরি ব্যাখ্যা দেননি এসআই। ১৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এক স্থানীয় সাংবাদিকের সঙ্গে পরিচয়ের প্রসঙ্গ তুলে তাঁকে নিজের পরিচিত ও স্নেহভাজন বলে উল্লেখ করেন। ওই সাংবাদিককে তাঁর সঙ্গে দেখা করে চা পান করার আমন্ত্রণও জানান।

এ বিষয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, “এসআই ১৭ হাজার টাকা কেন নেবে? মোবাইল ট্র্যাকিং খরচের কথা বলে টাকা নিতে পারে না। এটি সঠিক নয়।”

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম

বাউবি ও জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাউবি ও জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ছবি বাউবি

নিজস্ব প্রতিবেদক | যোগফল অনলাইন

জীবপ্রযুক্তিতে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম প্রবর্তনে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) ও জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের (এনআইবি) মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (Memorandum of Understanding—MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান। এনআইবির পক্ষে ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ ছগীর আহমেদ এবং বাউবির পক্ষে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি এম আহমেদ হুসেইন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে বায়োটেকনোলজি ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ সহযোগিতার আওতায় নতুন মেডিকেল ও ফার্টিলাইজার-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগসহ যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম প্রবর্তন এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সম্ভাবনা রয়েছে।”

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বাউবির প্রাতিষ্ঠানিক পরিচিতি ও শিক্ষা কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, “বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে ৭টি স্কুল, ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬৩টি উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ৫৫টি আনুষ্ঠানিক শিক্ষাক্রম পরিচালনা করছে। দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে বাউবি অঙ্গীকারবদ্ধ।”

তিনি বলেন, “এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আমরা আশাবাদী। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসারে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে।”

উপাচার্য আরও বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে, জীবপ্রযুক্তিবিষয়ক গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নে জাতীয় জীবপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দুই প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার সমন্বয় শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মানোন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং ভবিষ্যতে যৌথ শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে।

অনুষ্ঠানে বাউবির স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল মজিদ মন্ডল, উপাচার্যের একান্ত সচিব ও যুগ্ম-পরিচালক মোঃ আশরাফুল ইসলাম, প্রশাসন বিভাগের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা শাখার যুগ্ম-পরিচালক ড. মোঃ শওকত আলী, উপ-পরিচালক আশ্রাফুল আলম ভূঁঞা এবং এনআইবির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ড. মোঃ আব্দুল আলীম, ড. মোঃ মাহমুদ হাসান ও ড. সাবিনা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

বাল্য বিয়ে বর্তমানে সমাজে একটি ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে- এস এম জিলানী. এম পি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাল্য বিয়ে বর্তমানে সমাজে একটি ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে- এস এম জিলানী. এম পি

ছবি যোগফল

সাইফুল ইসলাম | গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী বলেছেন, আমরা পুত্র সন্তানদের যে ভাবে যত্ন নেই ঠিক একই ভাবে কন্যা শিশুদেরও যত্ন নিতে হবে। 

শিক্ষা, খেলাধুলা চাকরীর ক্ষেত্রে ছেলেদের পাশাপাশি আমাদের কন্যা সন্তানেরাও সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই সন্তানদের বাল্য বা শিশু বিয়ে রোধে আমাদের কাজ করতে হবে।

বাল্য বিয়ে বর্তমানে সমাজে একটি ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। এই ব্যাধি প্রতিরোধে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাল্য বিয়ের বিষয়ে কোন ছাড় নেই।খবর পেলেই আমাদেরকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

আজ মঙ্গলবার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত জাতীয় কন্যা শিশু দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ-উল-আরেফীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।

আলোচনা সভা শেষে এস এম জিলানী জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এর আগে শিশু কন্যাদের অংশ গ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদে গিয়ে একটি আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

বেলকুচিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বেলকুচিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ছবি যোগফল

মনজুরুল ইসলাম | সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

 "ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক সচেতনতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

১৩ই অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে বেলকুচি উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি চত্বরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে শেষ হয়।

এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বেলকুচি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক হাজী আলতাফ হোসেন প্রামানিক, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ রেজাউল করিম, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম শফি, পৌর বিএনপির সদস্য জাহিদুল হক মুক্তার, বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোছাঃ আশরাফুন্নাহার মৌসুমি, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শাহাদত হোসেন, বেলকুচি মডেল কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শামিম হোসেন, বেলকুচি রিপোর্টার্স ক্লাব এর সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম সহ ফায়ার সার্ভিস, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা, ছাত্র ছাত্রী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

 আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল হলেও সঠিক প্রস্তুতি ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের মাধ্যমে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বহুলাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অগ্নিকাণ্ডের মতো মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে তৃণমূল পর্যায় থেকে সচেতনতা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

সভা শেষে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বেলকুচি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি চৌকস দল ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক বাস্তবভিত্তিক মহড়া প্রদর্শন করে। 

মহড়ায় ভূমিকম্পের সময় তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষা, আটকে পড়াদের দ্রুত উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং গ্যাস সিলিন্ডার ও বাসা-বাড়িতে লাগা আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল প্রত্যক্ষভাবে প্রদর্শন করা হয়।