খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেতে মিলল শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেতে মিলল শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর ইউসুফ আলী (৭) নামে এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) উপজেলার বড়বালুয়া গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয় শিশুটি। ইউসুফ তার মা ও সৎ বাবার সঙ্গে বড়বালুয়া গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের বড়বালুয়া গ্রামের মো. মুকুল মিয়ার মেয়ে রিনি বেগমের সঙ্গে বগুড়া সদরের ফাঁপোর ইউনিয়নের কামারগাড়ী গ্রামের মো. বুদা মিয়ার ছেলে পলাশ মিয়ার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে ইউসুফের জন্ম। পরে পলাশ দ্বিতীয় বিয়ে করলে প্রায় দেড় বছর আগে রিনি বেগমের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

এরপর ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন রিনি বেগম। প্রায় সাত-আট মাস আগে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দারিদহ এলাকার ময়দানহাটা গ্রামের উজ্জল হোসেনের সঙ্গে তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে উজ্জল ও রিনি দম্পতি সোনাতলার বড়বালুয়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাঁদের সঙ্গেই থাকত শিশু ইউসুফ।

ওই বাসায় থাকা অবস্থায় গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয় ইউসুফ। এ ঘটনায় তার সৎ বাবা উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ১২ অক্টোবর সোনাতলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ভাড়া বাসার পূর্ব পাশের ধানক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম জানান, উদ্ধার করা মরদেহটি নিখোঁজ শিশু ইউসুফের বলে তার মা-বাবা শনাক্ত করেছেন। মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

পাইকগাছায় স্কাউট সমাবেশ পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় স্কাউট সমাবেশ পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

ছবি যোগফল

এম. জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :

খুলনার পাইকগাছায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৭ম উপজেলা স্কাউট সমাবেশ-২০২৬। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

প্রধান অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে সংসদ সদস্য উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত স্কাউটদের কুচকাওয়াজ ও প্যারেড উপভোগ করেন। এ সময় স্কাউটদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও অংশগ্রহণে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, “শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের সুস্থ মেধা ও মানসিক বিকাশে স্কাউটের ভূমিকা অপরিসীম। স্কাউটিং তরুণদের আত্মনির্ভরশীল, দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রওশানারা পারভীন, একাডেমিক সুপারভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী, জেলা সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমির মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন ও জামায়াত নেতা এ্যাডঃ মোর্তজা জামান আলমগীর রুলুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

এ ছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটস পাইকগাছা উপজেলা শাখার কমিশনার মো. নুরুজ্জামান, উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আজহার আলী, উপজেলা শাখার সম্পাদক ও ডেপুটি কমিশনার রহিমা আখতার শম্পা, প্রোগ্রাম চিফ প্রদীপ কুমার শীল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল আলীম গাজী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবাশীষ সরদার, প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল ওহাব, জেলা স্কাউট লিডার মো. আব্দুল্লাহ হাওলাদারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, স্কাউট লিডার ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

বাদঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযান নিয়ে আতঙ্ক কেন, তদন্ত চান সচেতন মহল

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাদঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযান নিয়ে আতঙ্ক কেন, তদন্ত চান সচেতন মহল

ছবি যোগফল

আমির হোসেন | সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট বাজারে প্রশাসনের অভিযানকে কেন্দ্র করে দোকানপাট বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে বাজারের ফার্মেসিগুলোর কার্যক্রম ও ওষুধ বিক্রির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের অভিযান চলাকালে দোকান বন্ধ রাখার অভিযোগের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং বাজারের ওষুধের দোকানগুলোতে নিয়মিত তদারকির দাবি উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত কিংবা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে বাজারের কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। তবে কোন অভিযানে কতটি ফার্মেসি বন্ধ ছিল এবং কী কারণে সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে প্রশাসনের অভিযানের সময় ফার্মেসি বন্ধ রাখার অভিযোগ ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দোকানগুলোতে বৈধ ড্রাগ লাইসেন্স রয়েছে কি না, মেয়াদোত্তীর্ণ কিংবা অননুমোদিত ওষুধ মজুত বা বিক্রি করা হচ্ছে কি না এবং ওষুধ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মানা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

এর আগেও বাদাঘাট বাজারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর বাজারের ওষুধ, মুদি ও কসমেটিকসসহ পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ২১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর বাদাঘাট বাজারের চারটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও মূল্যতালিকাসংক্রান্ত অনিয়মের কারণে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সর্বশেষ পাওয়া প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর বাদাঘাট বাজারে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি দোকানে অননুমোদিত খাদ্যপণ্য, মসলা, আয়ুর্বেদিক পণ্যসহ ক্ষতিকর সামগ্রী মজুত ও বিক্রির অপরাধে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তবে এসব পুরোনো অভিযানের তথ্য দিয়ে বর্তমানে বাজারের সব ফার্মেসিতে অনিয়ম হচ্ছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এ জন্য প্রয়োজন সরেজমিন পরিদর্শন, সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য।

সচেতন মহলের মতে, ওষুধ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল কিংবা অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির সুযোগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী ফার্মেসিগুলো যেন অযথা হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

এ অবস্থায় বাদাঘাট বাজারের সব ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স, ওষুধের মেয়াদ, সংরক্ষণব্যবস্থা এবং অনুমোদিত পণ্য বিক্রির বিষয়গুলো যাচাই করতে উপজেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দাবি উঠেছে।

পাশাপাশি প্রশাসনের অভিযানের সময় কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্ধ রাখা হচ্ছে কি না, তা অনুসন্ধান করে প্রকৃত কারণ প্রকাশ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কপোতাক্ষের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কপোতাক্ষের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ

ছবি যোগফল

এম জালাল উদ্দীন | পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি :

খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এ সময় নদীভাঙন রোধে জরুরি ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন তিনি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের মাহমুদকাটী খেয়াঘাটসংলগ্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নদীভাঙনের কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে আবুল কালাম আজাদ বলেন, নদীভাঙন উপকূলীয় জনপদের মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের প্রভাবে বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন তীব্র হচ্ছে। এতে কৃষিজমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে।

তিনি বলেন, সামনে ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম। এর আগেই নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। যথাসময়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। মাহমুদকাটীসহ আশপাশের ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা ইউনিট সদস্য সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মোমিন সানা, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা জিএম বুলবুল আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা আলতাফ হোসেন, ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আতাউর রহমান, চেয়ারম্যান প্রার্থী মুফতি মাওলানা আব্দুল হান্নান ও ডা. কালিদাস রায়সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসী।