খুঁজুন
advertisement
advertisement
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫ কার্তিক, ১৪৩৩

মা হারা শিশু আব্দুল্লাহকে কোলে নিয়ে আবেগাপ্লুত শেরপুরের ডিসি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মা হারা শিশু আব্দুল্লাহকে কোলে নিয়ে আবেগাপ্লুত শেরপুরের ডিসি

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তিন মাস বয়সী মা হারা এতিম শিশু আব্দুল্লাহকে কোলে তুলে নিয়ে স্নেহ-মমতায় ভরিয়ে দিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন। মায়ের মৃত্যুর পর দাদা-দাদির কাছে বেড়ে ওঠা শিশুটির নিষ্পাপ হাসি আর মায়াভরা চাহনি ছুঁয়ে যায় উপস্থিত সবার হৃদয়। জেলা প্রশাসকের কোলে শিশুটির স্নেহমাখা মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান অনেকে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত গণশুনানিতে এ হৃদয়স্পর্শী ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গণশুনানি চলাকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মা হারা শিশু আব্দুল্লাহকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসেন তার স্বজনেরা। তারা জেলা প্রশাসকের বিপরীত পাশের একটি চেয়ারে বসেছিলেন। এ সময় শিশুটি বারবার জেলা প্রশাসকের কোলে ওঠার জন্য হাত বাড়াতে থাকে।

শিশুটির এমন আকুতি দেখে তাকে কোলে তুলে নেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। আদর করার পাশাপাশি শিশুটির সঙ্গে কিছুক্ষণ খুনসুটিতে মেতে ওঠেন তিনি। পরে প্রশাসনিক কাজে ফিরে যেতে শিশুটিকে কোলে থেকে নামানোর চেষ্টা করেন জেলা প্রশাসক। কিন্তু আব্দুল্লাহ কিছুতেই কোলে থাকার আবদার ছাড়তে চাইছিল না। এভাবে প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে চলে স্নেহ আর খুনসুটি।

একপর্যায়ে শিশুটিকে স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে আব্দুল্লাহ। শিশুটির কান্না দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি জেলা প্রশাসকও। তার চোখের কোণে জমে ওঠে পানি। উপস্থিত অনেকেই এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

ঘটনাটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে তা নিজেদের অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন। একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তার মাতৃসুলভ স্নেহ, মমতা ও মানবিক আচরণের প্রশংসা করেন নেটিজেনরা।

শেরপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল বলেন, শিশুটির মায়াভরা মুহূর্তটি উপস্থিত কর্মকর্তা ও গণশুনানিতে আসা মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত শিশুটি যেন অন্য এক মায়ের কোলে সাময়িকভাবে সেই স্নেহ খুঁজে পেয়েছিল।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শাকিল আহাম্মেদ বলেন, মুহূর্তটি স্মৃতিতে ধরে রাখার মতো। অবুঝ শিশুটিকে কোলে থেকে নামিয়ে দেওয়া সত্যিই কষ্টের ছিল। সেখানে উপস্থিত সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন। মায়ের অনুপস্থিতিতে শিশুটি অন্য এক মায়ের কোলে উঠে যেন নিজ মাকে অনুভব করছিল।

জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি নিজেও একজন মা। যেকোনো শিশুর প্রতিই তার বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। তাই আব্দুল্লাহর বিষয়টি তাকে বিশেষভাবে আবেগাপ্লুত করেছে। তিনি নিয়মিত শিশুটির খোঁজখবর রাখবেন বলেও জানান।

মাকে হারিয়ে দাদা-দাদির কাছে আব্দুল্লাহ

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে আব্দুল্লাহর মাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ওই সময় আব্দুল্লাহ মায়ের কোলে বসে দুধ পান করছিল। মাত্র দেড় মাস বয়সে মাকে হারানো শিশুটি বর্তমানে তার দাদা-দাদির কাছে রয়েছে।

তিন ভাইবোনের মধ্যে আব্দুল্লাহ সবার ছোট। তার পরিবারের আর্থিক অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত এই শিশুর প্রতি জেলা প্রশাসকের এমন মমতাপূর্ণ আচরণ উপস্থিত মানুষের মনে গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে।

তুলি আক্তার / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৫৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাঁথিয়ায় পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার সাঁথিয়া দুর্গাৎসবের নবমীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি সাইয়েদ আব্দুল্লাহ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৯ টার দিকে সাঁথিয়া বারোয়ারী কালি মন্দির পরিদর্শন পরবর্তী অনুষ্ঠানে  জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইয়েদ আব্দুল্লাহ। 

তিনি বলেন, আবহমান কালের ধর্মীয় সম্প্রীতি  আমাদের রক্ষা করে চলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। পাবনার ৩৬৪ টি মন্দিরে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতকার ঘটনা ঘটেনী এ জন্য পাবনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ। তিনি এ সময় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান  প্রদান করেন। সাঁথিয়া মহাশ্মশানের উন্নয়ন কাজ এই বছরেই শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ,।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ, সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শুশীল কুমার দাস,সাধারণ সম্পাদক অজয় দাস,সাঁথিয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল হাই ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

আমির হোসাইন ।। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
‎
‎নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুরে মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা এবং সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়াকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে। এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে তাহিরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 
‎
‎মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাদাঘাট বাজারের মেইন রোডে প্রায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তাহিরপুর উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।
‎
‎বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী , সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশ গ্রহনে এ সময় বক্তারা সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পরিবেশ তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
‎
‎এ সময় বক্তব্য রাখেন, দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি আলম সাব্বির, দৈনিক মানব জমিন প্রতিনিধি এম এ রাজ্জাক, কালের কণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি আবির হাসান মানিক, দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি রোকন উদ্দিন, সমাজসেবক ও সংগঠক আবুল হোসেন, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, গণকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি সারোয়ার ইবনে গিয়াস প্রমুখ। 
‎
‎এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ১৫ অক্টোবর রাতে নেত্রকোনার বেসরকারি আইপিটিভি রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।  

এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় দোয়ারাবাজারে মাদকসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক সংবাদ পত্রিকাযর সাংবাদিক মোহাম্মদ আব্দুল মোতালিব ভূঁইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক হত্যা ও হামলার ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
‎
‎
‎মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সংবাদ  প্রতিনিধি কামাল হোসেন রাফি, দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি আবুল কাশেম, এনটিভি মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, দৈনিক এদিনের প্রতিনিধি সামায়ুন আহমদ, দৈনিক আলোর সকাল অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টিমিডিয়ার পরিচালক মোঃ আঃ মান্নান, দৈনিক নিউজ বাংলার প্রতিনিধি মোঃ বাবুল মিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপকসহ উখিয়ায় গ্রেপ্তার ১১

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

শাকুর মাহমুদ চৌধুরী ।।  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় পাটোয়ারটেকের টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমনসহ বিভিন্ন মামলার মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার চারজন, জিআর সাজাপ্রাপ্ত দুইজন এবং মোবাইল কোর্টে বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজন রয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন- টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁর সহকারী ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন সুমন (২৯), উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের কোনাপাড়ার মো. কলি মোল্লা (২৮), রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা মো. জুবায়ের (২৬) এবং রাজাপালং ইউনিয়নের দক্ষিণ পুকুরিয়ার আবুল কাসেম ওরফে পেটান আলী (৩৯)।

এ ছাড়া জিআর সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৬-এর সামছুল হক ওরফে বেলাল (২৬) এবং হলদিয়াপালং ইউনিয়নের সৈয়দ আহমেদ মনির।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামছুল হক ওরফে বেলালকে দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩২৩ ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সৈয়দ আহমেদ মনিরকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে বশির আহম্মদ (২৮) ও কাফায়েত উল্লাহ (৪৩) ২০ দিন করে এবং কাফায়েত উল্লাহ (২৪), মো. সাদেক (১৮) ও মো. রফিক (২৪) এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ১১ জনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।