খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

ভেড়ামারায় দাস সম্প্রদায়ের শ্মশানের জন্য এক বিঘা খাসজমি দিল প্রশাসন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ভেড়ামারায় দাস সম্প্রদায়ের শ্মশানের জন্য এক বিঘা খাসজমি দিল প্রশাসন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দুর্গাপূজার আগেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী দাস সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাটের ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিরুল আরাফাত। দীর্ঘ এক বছর ধরে সম্প্রদায়টির মানুষের মরদেহ দাহ কিংবা সমাহিত করার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা ছিল না। অবশেষে দুই মাসের প্রচেষ্টায় প্রায় এক বিঘা খাসজমি বরাদ্দ দিয়ে তাঁদের শ্মশানের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাসুদেবপুর মৌজায় নির্ধারিত জমি সরেজমিনে গিয়ে দাস সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বুঝিয়ে দেন ইউএনও আমিরুল আরাফাত ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিদল। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় সূত্রে জানা গেছে, ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ঠাকুর দৌলতপুর এলাকায় দাস সম্প্রদায়ের প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি পরিবারের বসবাস। আরকান্দি মাধবপুরে তাঁদের একমাত্র শ্মশানঘাটটি গত বছর পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে সম্প্রদায়টির মানুষের মরদেহ দাহ বা সমাহিত করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো জায়গা ছিল না।

শ্মশানঘাটের ব্যবস্থা করতে তাঁরা এর আগে একাধিকবার আবেদন করলেও বিভিন্ন কারণে শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরে নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় দুই মাস আগে তাঁরা আবারও শ্মশানঘাটের জন্য আবেদন করেন। এরপর উপজেলা প্রশাসন জমি খোঁজার উদ্যোগ নেয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর বাসুদেবপুর মৌজায় প্রায় এক বিঘা খাসজমি তাঁদের ব্যবহারের জন্য বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা সুধীর দাস বলেন, “গত এক বছরে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় ছিল শ্মশানঘাট নিয়ে। আমাদের কেউ মারা গেলে তাঁকে মাটিচাপা দেওয়ার মতো এক ছটাক জমিও ছিল না। যাব কোথায়?”

তিনি আরও বলেন, “পূজার আগে উপজেলা প্রশাসন শ্মশানের ব্যবস্থা করায় আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। ভাগ্য ভালো, গত এক বছরে আমাদের কেউ মারা যাননি।”

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, “দুই মাস আগে দাস সম্প্রদায়ের শ্মশানঘাট নেই জানতে পেরে তখন থেকেই উপজেলা প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছি। এ কাজে জেলা প্রশাসকও সহযোগিতা করেছেন। সত্যিকার অর্থে সৃষ্টিকর্তার এই জমিনে মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল থাকবে না, এটা হতে পারে না।”

দীর্ঘদিনের এই সংকটের সমাধান হওয়ায় দাস সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। দুর্গাপূজার আগে শ্মশানের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা পাওয়ায় তাঁরা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

তুলি আক্তার / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

জামায়াতের সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্য, এনসিপি ছাড়লেন কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুর রহমান

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জামায়াতের সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্য, এনসিপি ছাড়লেন কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আদর্শিক মতপার্থক্যের কারণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) মো. আব্দুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে দলের আহ্বায়ক বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পদত্যাগপত্রটি প্রকাশ করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে আব্দুর রহমান উল্লেখ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্র, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তবে দলের নির্বাচনী ও নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থান, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তিনি হতাশ হয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী ও রাজনৈতিক জোটের ফলে কেন্দ্র থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত জামায়াতের আদর্শের বিস্তার ঘটছে। এ কারণে তিনি দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোটের প্রশ্নে এনসিপির অনেক প্রতিষ্ঠাকালীন মেধাবী, পরিশ্রমী ও সম্ভাবনাময় নেতাও দল ছেড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আব্দুর রহমান আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক জোট হলেও দুই দলের আদর্শিক অবস্থান এক হবে না—এমন ধারণা থেকেই তিনি এতদিন দলের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু দিন দিন দুই পক্ষের রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থান একাকার হয়ে যাচ্ছে। একজন কর্মী হিসেবে বিষয়টি তাঁর মৌলিক আদর্শ ও চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি।

পদত্যাগপত্রে সহকর্মীদের আচরণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন আব্দুর রহমান। তিনি জানান, গত ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। ওই পোস্টের পর সহকর্মীদের কেউ কেউ তাঁকে ‘মুজিববাদী’ আখ্যা দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তাঁর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং সহকর্মীদের প্রতি অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন আব্দুর রহমান।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা নিয়ে এনসিপিতে যুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু দলের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান তাঁর প্রত্যাশার সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ মনে হওয়ায় তিনি দলটির সঙ্গে পথচলা শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে ভবিষ্যতে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এনসিপি ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আব্দুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসনে এনসিপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত জোটের মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন জানান। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

অনিশ্চয়তায় শাকিব খানের ‘সোলজার’, ডিসেম্বরে মুক্তি নিয়ে শঙ্কা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অনিশ্চয়তায় শাকিব খানের ‘সোলজার’, ডিসেম্বরে মুক্তি নিয়ে শঙ্কা

যোগফল প্রতিবেদক:

চলতি বছরের ডিসেম্বরে মুক্তির কথা ছিল ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘সোলজার’। তবে শুটিংয়ের বাকি কাজ শেষ না হওয়ায় ছবিটির নির্ধারিত সময়ে মুক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ফলে সিনেমাটি দেখতে শাকিবভক্তদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

গত বছরের অক্টোবরে আড়াই মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করে ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তির প্রাথমিক ঘোষণা দিয়েছিলেন নির্মাতা সাকিব ফাহাদ। কিন্তু নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে এলেও ছবিটির শুটিং শেষ করতে পারেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, কয়েকবার শুটিংয়ের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হলেও বাকি অংশের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন শাকিব খান। ঈদুল আজহায় ‘রকস্টার’ মুক্তির পর ‘সোলজার’-এর শুটিং শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও নানা জটিলতায় তা আর বাস্তবায়িত হয়নি।

পরে ব্যক্তিগত কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যান শাকিব। প্রায় দুই মাস সেখানে কাটিয়ে গত আগস্টে দেশে ফিরে ‘সোলজার’-এর বাকি অংশের শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অভিনেতাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড় করাতে পারেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

শুটিং বারবার পিছিয়ে যাওয়ার জন্য পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে শাকিব খানের ম্যানেজার মনির জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত কয়েক বছরে শাকিবের কোনো ছবির শুটিং নিয়ে এতটা গড়িমসি হয়নি। বারবার শুটিংয়ের শিডিউল নেওয়া হয়েছে, এরপরও পরিচালক শুটিং শুরু করতে পারেননি। যে কয়বার শিডিউল নেওয়া হয়েছে, সেই সময়ের মধ্যে আরামসে দুই–তিন সিনেমার শুটিং শেষ করা সম্ভব হতো। কিন্তু তারা পারেননি।’

এদিকে শুটিং আটকে থাকার পেছনে শিল্পী ও কলাকুশলীদের বকেয়া সম্মানীর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে এ অভিযোগ নাকচ করেছেন সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক মৌমিতা হোসাইন। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘সম্মানীর যে কথা উঠেছে, এটা তো ভুল। শিল্পী–কলাকুশলীদের সম্মানী তো ছবির শুটিং শেষ হওয়ার আগে পরিশোধের বিষয় নয়। এখনো তো সিনেমার শুটিংই শেষ হয়নি।’

মৌমিতা হোসাইনের ভাষ্য, খুব শিগগির শুটিং শেষ করে নতুন টিজারের মাধ্যমে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাকিব খান। চলতি মাসের শেষ দিকে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তবে দেশে ফিরেই আগামী বছরের ঈদুল ফিতরে মুক্তির পরিকল্পনায় থাকা ‘নিঃস্ব’ সিনেমার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন তিনি। নভেম্বরের শুরু থেকে ছবিটির শুটিং শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ঈদুল আজহার সিনেমা ‘মহব্বত’-এর শুটিংয়েও ব্যস্ত হওয়ার কথা রয়েছে তার।

এমন ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে ‘সোলজার’-এর বাকি নয় দিনের শুটিং কবে শেষ হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সব মিলিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশপ্রেম ও সমাজের ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘সোলজার’। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সাকিব ফাহাদ। প্রযোজনায় রয়েছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড। এতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। আরও রয়েছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী ও এবিএম সুমন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম


রাজশাহীর যেসব এলাকায় শনিবার সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাজশাহীর যেসব এলাকায় শনিবার সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজশাহীর বেশ কয়েকটি এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ লাইনের কাছাকাছি থাকা গাছের ডালপালা ছাঁটাইয়ের কাজ করা হবে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নেসকোর রাজশাহীর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ও বৈরী আবহাওয়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হবে। এ জন্য নির্ধারিত সময়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।

যেসব এলাকায় কখন বিদ্যুৎ থাকবে না

সকাল পৌনে ৮টা থেকে পৌনে ১০টা পর্যন্ত: হড়গ্রাম বাজার, ভেড়ীপাড়া মোড়, পর্যটন মোটেল, টেনিস কমপ্লেক্স, মিশন হাসপাতাল ও রাজপাড়া সুফিয়ানের মোড় এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত: পীর সাহেবপাড়া, হড়গ্রাম, মুন্সিপাড়া, পালপাড়া, চার খোটার মোড়, হড়গ্রাম নতুনপাড়া ও গুড়িপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

বেলা ১১টা থেকে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত: লক্ষ্মীপুর, লক্ষ্মীপুর কাঁচাবাজার, টিবি হাসপাতাল, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী জিপিও, কাজিহাটা, সিএন্ডবির মোড়, সার্কিট হাউস, কালেক্টর মাঠ, শ্রীরামপুর ও জাজেস কোয়ার্টার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

নেসকো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম